ঠিক কী কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ চাচ্ছেন সমন্বয়করা?
ঠিক কী কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ চাচ্ছেন সমন্বয়করা?
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুজন কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক হঠাৎ করে একই সাথে দাবী জানিয়েছেন যে মহম্মদ সাহাবুদ্দিনকে অনতিবিলম্বে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে অপসারণ করতে হবে। ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুজন কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক হঠাৎ করে একই সাথে দাবী জানিয়েছেন যে মহম্মদ সাহাবুদ্দিনকে অনতিবিলম্বে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে অপসারণ করতে হবে। ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন আনার দাবি সমন্বয়ের জন্য নতুন না। এর আগেও তারা দাবি তোলার পর বিভিন্ন পদে পরিবর্তন আসতে দেখা গেছে। সরকার এবারও তাদের দাবি মেনে নিয়ে রাষ্ট্রপতি অপসারণের পথে হাঁটবে কি। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বিবিসি বাংলাকে জানান।তিনি এখনও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাচ্ছেন না না ঐ।মূলত দেশের অক্টোবর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুই সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সাজিদ আলম তাদের ভেরিফাইড ফেসবুক প্রোফাইল থেকে এই দাবির কথা উত্থাপন করেন। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরেক সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসুদ বিবিসি বাংলাকে জানান, এটি তাদের সমন্বিত দাবি। তাঁরা সকলেই ওই দাবির সাথে একমত। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে এসব সমন্বয়ের উত্থাপিত দাবিদাওয়া দ্রুতই কর্তৃপক্ষকে মেনে নিতে দেখা গেছে।ফলে এবার রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠেছে কি না সেই আলোচনাও শুরু হয়েছে হয়।আর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক দাবি মেনে সরকার যদি সত্যিই রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করতে চায় তবে তারা কোন পথ অবলম্বন করবে?
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদের দুই তৃতীয়াংশ ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করতে হয় বাংলায় যাকে বলা হয় অভিশংসন। তবে রাষ্ট্রপতির স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করার বিধান রয়েছে। তখন আর সংসদ লাগবে না। সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাষ্ট্রপতি যদি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন বা মৃত্যুজনিত কারণে পদ শূন্য হয়, তখন স্পিকার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।স্পিকার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হলে পরবর্তী 90 দিনের মাঝে ওই সংসদ দ্বারা এই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। তবে কিছুদিন আগে স্পিকার পদত্যাগ করেছেন। সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় রাষ্ট্রপতি যদি পদত্যাগ করেন তখন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব কে পালন করবেন তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বর্তমান সরকার রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করতে পারবে কিনা এবং পারলে তা কী ভাবে এ ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, তবে আপিল বিভাগের এই রেফারেন্স বা সুপারিশ পদ্ধতি নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।অনেক আইনজীবীর মতে, স্পিকার না থাকলে সেক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। 1990 সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পদত্যাগের পর প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছিলেন। এদিকে 1975 সালে খন্দকার মোস্তাক আহমেদ সরকারের পতনের পর প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম কে রাষ্ট্রপতি করা হয়েছিল। রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি বাইরে গেলে পরে ইনচার্জ থাকে না। অ্যাশ টিকার রাষ্ট্র বলছে, দুই জন বাইরে থাকতে পারে। যেমন থাকা উচিত প্রধান বিচারপতি।অন্য 1:00 অফার করতেই হবে। ছাত্রজনতার আন্দোলনের মুখে গত পাঁচই অগাস্ট শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে যান। এর পর মন্ত্রিসভা বিলুপ্ত করেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন, অধ্যাপক মহম্মদ ইউনুসকে প্রধান উপদেষ্টা করে গঠিত হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সরকার গঠনের পর থেকে দেখা যাচ্ছে, সমন্বয়ের দাবি অনুযায়ী প্রশাসনে অনেক রদবদল হচ্ছে।
Tag: মেজর ডালিমের স্ত্রী অপহরণ,মেজর ডালিমের স্ত্রীর কী হলো,আজকের পত্রিকার শিরোনাম,আজকের পত্রিকার সংবাদ,বাংলায় রাষ্ট্রবিজ্ঞান,শেখ মুজিবের অত্যাচার,বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতি,সেনাপ্রধানের ভাষণ,জাতীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো,সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান,স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো,জাতীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা,স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা,বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রস্তুতি,বিসিএস বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা,সেরা ওয়ায

