TODAY OFFER

শেখ হাসিনাকে নিয়ে কেন এতো আলোচনা ! তার ফিরে আসা নিয়ে আতংক কেন কাটছেনা !

 




শেখ হাসিনাকে নিয়ে কেন এতো আলোচনা ! তার ফিরে আসা নিয়ে আতংক কেন কাটছেনা !

আসসালামু আলাইকুম রহমাতুল্লাহ উপকৃত হব৷ সম্মানিত দর্শক।বাংলাদেশের রাজনীতিতে।এই মুহূর্তে শেখ হাসিনা অনুপস্থিত।এবং তিনি এখন।ভারতে আছেন? আমরা বাংলাদেশে বসে।প্রথম কয়েকদিন তাঁকে নিদারুণ সমালোচনা করেছি



 




 আসসালামু আলাইকুম রহমাতুল্লাহ উপকৃত হব৷ সম্মানিত দর্শক।বাংলাদেশের রাজনীতিতে।এই মুহূর্তে শেখ হাসিনা অনুপস্থিত।এবং তিনি এখন।ভারতে আছেন? আমরা বাংলাদেশে বসে।প্রথম কয়েকদিন তাঁকে নিদারুণ সমালোচনা করেছি।তাঁর বিচার চেয়েছি তাঁকে ফিরিয়ে আনার জন্য নানা রকম স্বপ্ন দেখেছি।এবং নিজের অজান্তে তাঁকে ঘৃণা করার চেষ্টা করেছি।আমরা সবাই মিলে এই গণঅভ্যুত্থানের সময়টিতে।তাঁর এবং তাঁর শরীরের দোসর যারা ছিলেন।সেই দোসর বাহিনীর গুলিতে আঘাতে।প্রায় 2000 লোকের মর্মান্তিক মৃত্যুকে স্মরণ করে।তাঁকে ঘৃণা করার চেষ্টা করেছি।এবং এখনও করছি।একই সঙ্গে তাঁর সঙ্গে যাঁরা ছিলেন মন্ত্রী, এমপি, ব্যবসায়ী আমলা, কামলা, নানা রকম যাঁরা পদ পদবিতে ছিলেন তাদের সবার 14 গোষ্ঠী।সদলবলে উদ্ধার করছি।তাঁর সাঙ্গোপাঙ্গদের 1:00 বিরাট অংশ পালিয়ে গিয়েছেন।অপর অংশটি ধরা পড়েছেন।বিরাট অংশ দেশের বাইরে পালিয়েছেন।আর ছিটেফোঁটা যারা স্থানীয় তাঁরা।দেশের বাজারে গা ঢাকা দিয়ে আছেন জনারণ্যে।তো এই অবস্থাতে যা সাধারণত হওয়ার।সেটা হল আওয়ামী লীগকে নিয়ে কোনও আলোচনা করাটাই।আমাদের ব্যর্থতা।আর শেখ হাসিনাকে নিয়ে যে কোনও বিষয়ে ইতিবাচক নেতিবাচক আলোচনা করাটাই।আমাদের জন্য অবমাননাকর অপমানজনক।যেমন ধরুন।1:00 সময় আমরা বেনজিরকে নিয়ে সাবেক আইজিপি বেনজীর কে নিয়ে অনেক আলোচনা করতাম।কিন্তু এখন আমরা কি তাঁকে নিয়ে আলোচনা করছি? কেন করছি না? এর কারণ হল।সে এখন কেস।তার কোনও প্রয়োজন নেই।তাঁর ফিরে আসা না আসা।যাকে বলা হয় একেবারে তাঁর অবস্থা হল 1:00, মৃত গলিত লাশের মতো।একটি মৃত এবং গলিত লাশ নিয়ে যেমন ভাবে মানুষ আলোচনা করে না লাশের দিকে তাকায় না। তদ্রূপ বেনজিরকে নিয়ে। কিন্তু আমরা এখন আর মাতামাতি করছি না।স্মরণ করছি না, বরং এখন বেনজির কথা বলে বেশিরভাগ মানুষ বিরক্ত হয়৷ আচ্ছা ঠিক আছে, ওটা দেখা যাবে আইন আদালতে যা হয় তাই হবে।বেনজিরের চাইতে কোটি কোটি কোটি গুণ অভিযোগের পাহাড় মাথায় নিয়ে শেখ হাসিনা যেভাবে দেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছেন, তাঁকে নিয়ে আলোচনা করাটাই।আমাদের যে গণঅভ্যূত্থান সে গণঅভ্যুত্থানে যে স্ট্রিট সেই স্ট্রিটের সহিত বিমান।কিন্তু আমরা করে যাচ্ছি।আমরা প্রতি মুহূর্তে তাকে নিয়ে মেতে উঠেছি।সে কবে দেশে আসবে? কবে টুক করে ঢুকে পড়বে? কবেকার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলছে? আবার সেই টেলিফোনের সংলাপ নিয়ে।দেশে এবং বিদেশে রীতিমতো পত্রপত্রিকায় ব্যানার হেডলাইন হচ্ছে।এবং তিনি যে সকল কথা বলছেন টেলিফোনে সেই প্রতিটি শব্দ তার ব্যাখ্যা।বিবৃতি।অনুঘটক এসব নিয়ে আমরা রীতিমতো গবেষণা করছি।এর অর্থ আমরা এখনও শেখ হাসিনার যে গুরুত্ব সেই গুরুত্ব অস্বীকার করতে পারছি না।তাকে নিয়ে আমাদের যে আতঙ্ক, সেই আতঙ্ক আমাদের এখনও কাটেনি।এ 12 আমরা যে যাই বলছি না কেন এটা আমাদের মুখের ভাষা।কিন্তু আমাদের 1:00 ভয় কাজ করছে। শেখ হাসিনাকে নিয়ে আওয়ামী লীগকে নিয়ে ভারতকে নিয়ে এবং এখনও পর্যন্ত গত দুই মাসে আমরা সেই ভয় কাটিয়ে উঠতে পারিনি।এবং আমাদের ভয়ের কারণ নেই। কিন্তু।শেখ হাসিনা মজা পেয়ে যাচ্ছেন, আনন্দ পাচ্ছেন।এর কারণ হল যে কিছু মানুষের মধ্যে এক ধরনের অভ্যাস তৈরি হয়।অন্য মানুষকে কষ্ট দিয়ে অন্যকে ভয় দেখিয়ে তারা এক ধরণের আনন্দ পান।তো যেটিকে প্যাথোলজির ভাষা প্যাথোলজি ঠিক না। এটাকে সাইকোলজি ভাষায়।স্যাডিস্ট বলা হয় অন্যের দুঃখ দেখে যখন আপনার খুব আনন্দ হবে।এবং আপনি কোনও অবস্থাতেই অনুশোচনা বোধ করবেন না এবং অতীতের বহু রাজা বর্শা যুদ্ধ জয় করেছেন। কিন্তু জয়ের পরে তারা নায়কই উন্মাদনায় উন্মত্ত হয়ে উঠেছেন।মানুষের মস্তিষ্ক দিয়ে মাথার খুলি দিয়ে অনেকে পিরামিড তৈরি করেছেন।নিজের সৈন্য বাহিনীকে লেলিয়ে দিয়েছেন গণধর্ষণের জন্য।এই ঘটনায় চেষ্টা করেছেন মূলধন করেছেন 1000 1000 রাজা সেই কাজগুলো করেছেন।আবার।অবস্থানগত কারণে অনেকে পালিয়েছেন।বহুবার এবার পৃথিবীর অনেক বিখ্যাত বিখ্যাত লোক পালিয়েছেন।যেমন সেসা।ওমানের সাথে যুদ্ধ যে কত 12 করেছেন তার চেয়ে অন্তত 1012 তিনি পালিয়েছেন।এবং প্রতিবারই তিনি ফিরে এসেছেন অধিকতর শক্তিমত্তা নিয়ে।কাজেই শেখ হাসিনা পালিয়েছেন। যে সকল কথাবার্তা বলছি।তাকে নিয়ে আমাদের আলোচনা সেই আলোচনার মাধ্যমে। মূলত আমরা।তাকে আবার ফিরে আসার জন্য।তার রাস্তা আমরা উন্মুক্ত করে দিচ্ছি।এবং তাঁকে নিয়ে এই যে প্রতিদিনই আলোচনা হচ্ছে, তিনি কি দিল্লিতে কী করছেন? দিল্লিতে কী খাচ্ছেন তার বাসায় যাচ্ছেন এ সব নিয়ে আমরা ব্যস্ত হচ্ছি। তিনি দিল্লির লোদী গার্ডেনে কী ভাবে আলোচনা করছেন, কীভাবে আনন্দ ফূর্তি করছেন, কীভাবে বেঁচে আছেন সেখানে তিনি কী ভাষণ দিলেন তারপর।তাঁকে নিয়ে আমেরিকা কী? বলল, দিল্লি কী বলল? তারপর দিল্লি থেকে বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে সব আলোচনা। কিন্তু আমরা করছি।এবং সকল আলোচনা করা মানেই এটা আমাদের ব্যর্থতা।এবং শেখ হাসিনার সফলতা।আমরা যদি তাকে ভুলে থাকতে পারতাম।তাঁকে বোর্ড করতে পারতাম এবং আমরা যে বিজয় অর্জন করেছি, সেই বিজয় নিয়ে আমরা উল্লসিত হতে পারতাম এবং নিজেদের কর্মে আমরা নিজেরা ব্যস্ত থাকতে পারতাম। তাহলে।আমি মনে করি যে গণ অভ্যুত্থান হয়েছে সেই গণঅভ্যুত্থানের সফলতা শতভাগ নিশ্চিত হওয়া যেত।কিন্তু আমরা সেটা না করে।আমরা শেখ হাসিনাকে পথ করে দিচ্ছি।তাকে এই দেশে ফিরে আসার জন্য পথ করে দিচ্ছি।এবং তার রেজিম তার দুঃশাসন।এবং তার যে কর্ম সেই কর্মকারও।বেশি করে উন্মত্ততা নিয়ে নিষ্ঠুরতা নিয়ে তিনি যেন করতে পারেন।সেই সর্বনাশের আশায় অধির আগ্রহে আমরা অপেক্ষা করছি।এই যে আমাদের 1:00 মানসিক বিভ্রান্তি, মানসিক বিকৃতি।এটি কোত্থেকে এলো এবং এর থেকে আমরা নিজেদেরকে বাঁচাতে না পারি।তাহলে এখন যাঁরা আছেন শাসন ক্ষমতায় তারা কোনও অবস্থাতেই তাদের কর্মকাণ্ড সেই কর্মকাণ্ড করতে পারবেন না।এখানে লক্ষ্য করুন যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যেসকল।কর্মী এবং সমর্থক আছেন যেভাবে ধরে না কেন তাদের সংখ্যা 30%।তো এই 30% যারা আওয়ামী লীগের লোকজন তাদের সাথে যদি আরো 10% সাহায্যকারী শক্তি অন্যান্য ছোট ছোট দল আছে।আশির সমর্থক আছেন।মাঝ ভাণ্ডারী সমর্থক আছেন অনেক হেফাজতের 1:00 অংশ শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন। তাঁরা আছেন।সব মিলিয়ে আরও যদি 10% করেন তাহলে টোটাল জনগোষ্ঠীর 40% লোক।এখন বুঝে গিয়েছেন যে আওয়ামী লীগ ছাড়া তাদের আর কোন রক্ষা নেই।আচ্ছা আমি জীবনে কোনওদিন বাংলাদেশের রাজনীতিতে না আসে শুধু আমি না মানে শেখ হাসিনা যদি না আসে তাহলে তাদের কারোরই পিঠের চামড়া থাকবে না।প্রতিদিন যেভাবে মত জাস্টিস হচ্ছে যে ভাবে আওয়ামী লীগের লোকজনের জায়গা জমি দখল হচ্ছে। যে ভাবে আওয়ামী লীগের লোকের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে। যেভাবে তারা জেল জুলুম হুলিয়া মধ্যে পড়ে যাচ্ছেন।সেক্ষেত্রে এই যে শেখ হাসিনাকে নিয়ে আমরা আলাপ আলোচনা করছি।এটার ফলে তাদের মধ্যে এক ধরনের আসা তৈরি হচ্ছে।এবং এটা যদি মাঝখানে চলতে থাকে তাহলে আসার জায়গাটাতে তারা অনেক শক্তিশালী হয়ে পড়বে এবং তারা রাজপথে মিছিল করার।সাহস পাবে এবং সুযোগ পাবে। এরপর যেহেতু তাদের টাকা আছে এবং 1:00 জিনিস আমি আপনাকে বলি।টাকা এতটা শক্তিশালী এতটা শক্তিশালী।যে আপনি যত।রাষ্ট্র ক্ষমতার মালিক হন। যত জ্ঞানী হন, পণ্ডিত হন। কিন্তু আপনাকে যদি।দারিদ্রতা স্পর্শ করে সে ক্ষেত্রে টাকার চেয়ে লোভনীয় এবং আকর্ষণীয় কোনও জিনিস নেই।এখন বাংলাদেশি টাকার সমস্যা।এবং বিবিসির রিপোর্ট সেই রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রমশ দেউলিয়াত্বের দিকে এগোচ্ছে।এবং যে কয়টি বন্যা হলো এবং এখনও পর্যন্ত যে বন্যা চলছে।তার সাথে সাথে যে প্রাকৃতিক দুর্যোগ হল তাতে আমাদের যে।মানে স্থানীয় যে খাদ্য উৎপাদন।এটি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে৷ ফলে এখানে দুর্ভিক্ষ অস্বাভাবিক নয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যদি টাকার ভিক্ষা মানে দুর্ভিক্ষ চলে।দেউলিয়াত্বের আশঙ্কা থাকে, তার সঙ্গে সঙ্গে যদি খাদ্য সঙ্কট দেখা দেয়।তাহলেই সরকারের পক্ষে কোনও অবস্থাতেই রাষ্ট্র পরিচালনা সম্ভব নয়।আর যত বেশি অরাজকতা হবে তত বেশি দুর্বৃত্তপনা খারাপ শাসকদের কদর বাড়তে থাকে। এর কারণ হল।অভাবের কারণে মানুষ চুরি করে ডাকাতি করে ছিনতাই করে রাহাজানি করে।লুটপাট করে এবং ঐ জিনিসগুলো দমন করার জন্য সাধারণত নিষ্ঠুর প্রকৃতির শাসক তথা শেখ হাসিনার প্রতি শাসক।শেখ হাসিনার মত শাসক খুব জরুরি এবং বাংলাদেশী সামাজিক অস্থিরতা যত বাড়বে রাজনৈতিক অস্থিরতা যত বাড়বে অবিশ্বাস যত বাড়বে।বিশৃঙ্খলা যেতে পারে অভাব। অভিযোগ যত বাড়বে ততই শেখ হাসিনার কদর।ধীরে ধীরে বাড়তে থাকবে তো সেদিক থেকে যেটা আছে শেখ হাসিনাকে নিয়ে আমাদের আলোচনা সেই আলোচনার যে পরিণতি সেই পরিণতি কোনও অবস্থাতেই কিন্তু আমাদের জন্য ভালো ফল বয়ে নিয়ে আসবে না।এবং লক্ষ করবেন শেখ হাসিনা যে কথাগুলো ভাইরাল হয়েছে।তাঁর যে টেলিফোনে আলাপ গুলো যেটা প্রকাশিত হয়েছে সেখানে লক্ষ্য করবে তার মধ্যে কোনও রকম অনুশোচনা বোধ নেই৷ তিনি এখনও পর্যন্ত বিশ্বাস করেন যে তিনি যা কিছু করেছেন, ভাল কাজ করেছেন।তিনি বিশ্বাস করেন যে ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস থেকে শুরু করে এখন যাঁরা ক্ষমতায় আছেন তাঁরা কেউ ভালো করতে পারবেন না।এবং তিনি এ কথাও বিশ্বাস করেন।যে বাংলাদেশে আসার সঙ্গে সঙ্গে লোকজন ফুলের মালা দিয়ে তাঁকে বরণ করে নেবে।এবং তিনি সেই সব লোকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন। প্রতিশোধ নেবেন যে ভাবে তিনি তার পিতার হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিয়েছেন।তো আপনি বোঝার চেষ্টা করেন যে এই যে তার মধ্যে এক ধরনের প্রতিহিংসাপরায়ণতা কাজ করছে। যেটাকে আপনি সাইকোপ্যাথ বলেন।কিংবা প্রতিশোধস্পৃহা বলেন, বা যা কিছু বলেন না কেন? যদি দুর্ঘটনাবশত তিনি সত্যিই এসে যান।আপনার আমার কয়েকজনের পিঠের চামড়া অক্ষত থাকবে।আমরা কোথায় পালাব? আমি পালাতে পেরেছে তাদের টাকা আছে। বিকল্প জায়গা আছে ভারতের মতো বন্ধুরাষ্ট্র আছে।আপনি আমিতো বঙ্গোপসাগরে যে ডুবে মরব সেই অবস্থাও হবে না। আমাদের ডুবে মরার মত অবস্থা নেই। মায়ানমারে পালিয়ে যাবেন রোহিঙ্গা হবেন সেই অবস্থা নেই৷ মায়ানমার এখানে যারা আছে গুলি করে আপনাকে মেরে ফেলবে।আপনি পাহাড়ে গিয়ে পালাবেন পাহাড়ের লোকজন আপনাকে আশ্রয় দেবে না। বাঙালি বলে পিঠে আপনি যাবেন কোথায়? কাজেই।যে বিজয় অর্জন করেছি।এই বিজয় অর্জন করাটা বড় বিষয় এই বিজয় ধরে রাখা।এ বিষয়ে উপভোগ করায় বিজয়কে বাস্তবে রূপ দান করা।এই মুহূর্তে আমাদের পবিত্র দায়িত্ব এবং কর্তব্য।এ জন্য আমাদের যার যার অবস্থান থেকে মন মেধা এবং মস্তিষ্কের সর্বোচ্চ স্তর খাটিয়ে আমাদের উচিত।সিদ্ধান্ত নেওয়া কোনটা করা উচিত, কোনটা করা উচিত, কোনটা শোনা উচিৎ এবং কোনটি সেরা উচিত না।আমি আওয়ামী লীগের রাজনীতির কোনও প্রতিষ্ঠিত হোক। আওয়ামী লীগ নির্বাচনে আসুক এটা চাই।কিন্তু শেখ হাসিনা শেখ পরিবার এবং তাদের যারা সহযোগিতা ছিলেন।যা 2014 থেকে আমাদের জীবন জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দিয়েছে। তারা এই রাজনীতিতে পুনর্বাসিত হন।এই দেশে বুক ফুলিয়ে চলাফেরা করেন আঙ্গুল উঁচিয়ে কথা বলেন এটা আমি চাই না। এই দৃশ্য দেখার আগে আমার মৃত্যু হোক সম্মানজনক আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাকে মৃত্যু দান করুন এবং আমি সম্মান আল্লাহর কাছে যেন যেতে পারি এই প্রার্থনা করি। কিন্তু ও রকম 1:00 পরিণতি সেই আবার শেখে লাল আবার শেখ সেলিম আবার জাহাঙ্গীর কবির নানক আবার সবাই আসেন এবং তাঁদের দাপটে আমরা সবাই ভয়ে থরথর করে কাঁপছি যে যার মতো দৌড়চ্ছে দৃশ্য কল্পনাই করা যায় না।আল্লাহ আমাদেরকে সুমতি দান করুন হেফাজত করুন এবং হেদায়েত দান করুন।আসসালামু আলাইকুম। রহমাতুল্লাহি বাবার কাছে।

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
Ok, Go it!
// For Firebase JS SDK v7.20.0 and later, measurementId is optional const firebaseConfig = { apiKey: "AIzaSyCcg2i2qTpw3rl2VtoWAInpWy5v-1tnUIo", authDomain: "bartagharbd-16d6f.firebaseapp.com", databaseURL: "https://bartagharbd-16d6f-default-rtdb.firebaseio.com", projectId: "bartagharbd-16d6f", storageBucket: "bartagharbd-16d6f.appspot.com", messagingSenderId: "171326215023", appId: "1:171326215023:web:fc18a6e1a0df41e3d64e9a", measurementId: "G-JHDPRX7ZMC" };