আমরা ইলিশ মাছ দেব না, তবে আমরা আপনার ডিম নেব বাংলাদেশে এক অদ্ভুত অন্ধকার
স্বাধীনতা, গণতন্ত্র প্রগতির নতুন সূর্যের আলোয় উদ্ভাসিত এক বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে যে তথাকথিত বিপ্লবী ঢেউয়ে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটল এবং মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হল অন্তর্বর্তী সরকার। সেই সরকারের বয়স এক মাস পূর্ণ হয়ে আরও কয়েকদিন হয়ে গেল।কিন্তু বাস্তবের জমিতে কোন বাংলাদেশকে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে।অন্ধকারকে আরও গাঢ় হচ্ছে।যে জমানার বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ বিক্ষোভ নেমে এসেছিল রাস্তায় যে অন্ধকার থেকে মুক্তির লড়াই লড়তে নেমেছিল মানুষ সেই লড়াইকে তাদের পৌঁছে দিল আরও বেশি অন্ধকারের দিকে।সে অন্ধকার কেমন?
তাই নিয়ে 24 কথা এখন।কালো অন্ধকারের কথা যখন উঠল তখন বিদ্যুৎ পরিস্থিতি দিয়ে শুরু করি।বাংলাদেশ এখন প্রতিদিন 1012 ঘণ্টার বেশি লোডশেডিং এবং বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মুখোমুখি, যা শিল্প উৎপাদন এবং নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবনকে ব্যাহত করছে।এমনিতে সাধারণ পরিস্থিতিতে দৈনিক 1500 মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘাটতি থাকে। দেশে যা কিনা বর্তমানে কয়লার ঘাটতি এবং অন্য আরও কিছু কারণে আরও খারাপ হয়েছে।এই ঘাটতি ক্রমশ বাড়ছে।10 সেপ্টেম্বর সন্ধ্যে বেলায় ঘাটতি ছিল দুহাজার মেগাওয়াট।তার পর থেকেই ঘাটতি বেড়েই চলেছে।প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে গেছে। তাতে সমস্যা আরও বেড়েছে।চিফ ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর সিদ্দিক তিনি জানাচ্ছেন।যা আমাদের টারবাইন ট্রেন চালানোর জন্য 2:00 ইলেক্ট্রো হাইড্রোলিক।তেল পাম্প দরকার 2022 সালে একটি হাইড্রোলিক ইলেক্ট্রো হাইড্রোলিক তেল পাম্প ভেঙ্গে গেছে। ঠিকাদারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে দু বছর ও তার যন্ত্রপাতি সরবরাহ করতে পারেনি।এর ফলে ইউনিটটি এতদিন একটিমাত্র পাম্প দিয়ে চলেছে। সেই পাম্পটিও নয়। সেপ্টেম্বর ভেঙ্গে গেছে এবং পুরো প্ল্যানটা এখন বন্ধ।বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড বিপিডিবি তার সদস্য খন্দকার মোকাম্মেল হোসেন। তিনি বলেছেন, একদিকে এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ায় প্রায় 1500 মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে। অন্যদিকে অপরিশোধিত বিলের কারণে আমরা পাঁচশ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ কম পাচ্ছি। আদানি থেকে বিদ্যুৎ কম আসছে।এই প্রসঙ্গেই চ্যানেলে আগেও বলেছি গুজবে বাজার গরম ভারত ডিজেল বিদ্যে ও বিদ্যুত সাপ্লাই বন্ধ করে দিয়ে বাংলাদেশকে ভোগান্তি দিচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষ কে এসব প্রচার চলছে বেশ কিছুদিন ধরে সেটা পুরোপুরি ভিত্তিহীন। আদানি বিল পেমেন্ট না হওয়ার জন্য সাপ্লাই কমাতে বাধ্য হয়েছে। কারণ তাদেরকেও কয়লা কিংবা জন্য টাকা দিতে হয়।সেই টাকা তাঁরা দিতে পারছে না বলে তাদের ওখানে আসছে। কম এবং কয়লা কম আসার জন্য তারাও বিদ্যুৎ উৎপাদন যতটা করার কথা ততটা করতে পারছে না। কারণ বিল পেমেন্ট তারাও করতে পারছে না তো বাংলাদেশ বিল পেমেন্ট করেনি বলে যে একেবারে তারা বিদ্যুৎ বন্ধ করে দিয়েছে তা কিন্তু নয়।আদানি ছাড়াও ভারতের আর যারা বিদ্যুৎ দেয় বাংলাদেশকে তারা কিন্তু আগের মতো বিদ্যুৎ এই আজকেও দিয়ে যাচ্ছে।সুতরাং যারা বলছে যে ভারত বাংলাদেশের মানুষকে শায়েস্তা করার জন্য বিদ্যুৎ দিচ্ছে না। মিথ্যে কথা বলছে।বিদ্যুতের মতই পার্বতীপুর পাইপলাইন দিয়ে।1,00,000 টন ডিজেল যেমন যাচ্ছিল সেটাও আগের মতোই যাচ্ছে।এই বিষয়ে ভারতের অয়েল ইন্ডিয়া লিমিটেডের চেয়ারম্যান।রঞ্জিৎ রথ।তিনি গত চোদ্দই সেপ্টেম্বর তারিখে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ আগের মতোই ডিজেল পাঠাচ্ছে।বাংলাদেশকে ভারত আগের মতোই ডিজেল পাঠাচ্ছে।পেমেন্ট পাইনি বটে তবে সমস্যা নেই। আমাদের কাছে বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া।এলওসি লেটার অব এল সি লেটার অব ক্রেডিট আছে।তিনি আরও জানিয়েছেন, পশ্চিম বাংলা বাংলার যে হলদিয়া বন্দর সেখান থেকে বাংলাদেশের উপর দিয়ে সরাসরি যন্ত্রপাতি নিয়ে যে সব কার্গো আসামের নুমালিগড় যাচ্ছে সে ব্যাপারেও কোনও সমস্যা হয়নি। অর্থাৎ বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে সেটা ঠিক মতোই যাচ্ছে।এই খবরের উৎস জানতে কেউ যদি আগ্রহী হন গুগল সার্চে যান দ্যা ইকোনমিক টাইমস পত্রিকার চোদ্দই সেপ্টেম্বরের নিউজ দেখুন যদি তা না পারেন কমেন্ট সেকশনে বলবেন আমরা জানিয়ে দেবো তার লিঙ্কটা দিয়ে দেবো।তবে হ্যাঁ।এখনও ভারত বিদ্যুৎ ও ডিজেল সাপ্লাই বন্ধ করেনি বটে।তবে ফুয়েল পাইপ লাইন এক্সটেনশন প্রজেক্ট।তার সম্প্রসারণের কাজ থামিয়ে দিয়েছে।দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতি না হলে বিদ্যুৎ ও ডিজেল সাপ্লাই বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা যে একেবারে নেই তা নয়৷ আর বন্ধ করে না দিয়ে যে অবস্থা বাংলাদেশে এখন বন্ধ করে দিলে কি হবে সেটা নিশ্চয়ই বলার দরকার পড়ে না। সম্পর্কের উন্নতি করতে গেলে ইউনূস সাহেব এবং তাঁর উপদেষ্টাগণ।যে ভাষায় কথা বলছেন, ভারতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিষয়ে।সেই উপদেষ্টাগণ এবং ডক্টর ইউনুস তাদের মুখে কিছুদিন লাগাম টানতে হবে কিংবা দু ঠোঁটে সেলোটেপ লাগাতে হবে যাতে বেশি কথা না বলতে পারেন।বিদ্যুৎ এর পর আসি আইনের শাসন পুন, স্থাপিত করার প্রসঙ্গে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্যে ছাত্র বিক্ষোভকারী এবং ইসলামী দলগুলো রাজপথে নৈরাজ্য সৃষ্টি করার পর এখনও বাংলাদেশে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসেনি। পাঁচই আগস্টের পর আজকে সতেরোই সেপ্টেম্বর।এই অবস্থাতেও আসেনি। খুন জখম কিলিং, রিভেঞ্জ কিলিং পলিটিক্যাল কিলিং যে যার নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়ার ঘটনা এ সব চলছে তো চলছেই। উদাহরণ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কারণ আপনারা সবাই জানেন খবরের কাগজও পড়ছেন নিজেরা দেখছেন তবু সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনার কথা বলি। গত সোমবার নয় সেপ্টেম্বর রাতে বেহুলা বগুড়ার সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতা।ও গোকুল ইউনিয়ন যুবদল নেতার সমর্থককে তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা খুন করেছে। 37 বছর বয়সী মিজানুর রহমান মিজানকে ধারালো অস্ত্র নিয়ে 810 জন সাইকেল বাড়ি দুর্বৃত্ত মিলে খুন করে। এরপর মিজানের সমর্থকরা আবার পাল্টা হামলা চালিয়ে 35 বছরের লেদু নামে একজনকে হত্যা করে।আর তার একদিন আগে আটই সেপ্টেম্বর।বাংলাদেশের আশুলিয়া শহরের জামগড়া শিমুলতলা এলাকায় একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং সন্ত্রাসবিরোধী।শাখা যে রেপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন র্যাব আছে, তাঁদের উপরে হামলা চালায়। শ্রমিকরা বকেয়া মজুরি নিয়ে বিক্ষোভ করছিল এবং রাস্তা অবরোধ করেছিল। নিরাপত্তা বাহিনী হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করলে পোশাক কারখানার শ্রমিকরা তাদের লক্ষ্য করে পাথর ও ইট ছুড়তে থাকে।তাঁর অ্যাবের কয়েকটি গাড়িও পুড়িয়ে দেয়। নিহতের সংখ্যা জানা যায়নি। তবে বেশ কিছু আহত হয়েছেন জামগড়া, নরসিংপুর এবং ইউনিটকেও কারখানার শ্রমিকদের একই রকম বিক্ষোভ দেখা গেছে।নতুন সরকার ক্ষমতায় এসে বলেছিল।যে যারা।ওই আন্দোলনের সময় যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের অনেকের চোখের অবস্থা ভীষণ খারাপ। যারা অন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম তাঁদের জন্যে নানা রকম আর্থিক সহায়তা দেবে, তাদেরকে নিয়ে বিদেশে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করাবার ব্যবস্থা করবে। বিকাশ মানে কোথায় ভারত নয়, বিদেশে তাদের কাছে সিঙ্গাপুর কিংবা ব্যাঙ্কক এইসব জায়গায় নিয়ে গিয়ে তাঁদের চিকিৎসা করানোর কথা হয়েছে। আজ অবধি খবর পাওয়া যায়নি যে একজনকে ওখানে পাঠানো হয়েছে কিনা গেছে।বরং তাকে যাচ্ছে যে শুধু তারা যারা আমাদের এখনো উপদেষ্টা হচ্ছেন সোজা ছাত্র উপদেষ্টা।তাঁরা প্রথম দিকে খুব কথা বলছিলেন। তাঁদেরকে তো এক জায়গায়। এখন গত 23 দিন ধরে তাঁরা বিভিন্ন জায়গায় মিটিং করতে গেছে। সেখানে গিয়ে দেখা যাচ্ছে, ছাত্রদের মধ্যে যে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন তাঁদের মধ্যে 23 ভাগ হয়ে গেছে।এবং তারা সেখানে যে যারা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে এখন যাঁরা নেতৃত্বে এখন যারা ক্ষমতার ফল যার সুফল তারা ভোগ করছেন তাদের সাথে তাদের সাথে প্রশ্ন পর্যন্ত করেছে। কয়েক জায়গায় ধাক্কাধাক্কিও পর্যন্ত হয়েছে।কী হচ্ছে তাহলে সব।এর পরেও আছে।আস্তে আস্তে 1:00 করে সেই বিষয়গুলোতে যাব। নতুন সরকার ক্ষমতায় এসে বেশ কিছু দাগি অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের জেল থেকে ছেড়ে দিয়েছে।ছাড়া পাওয়া এই সব অপরাধীরা জেলের বাইরে এসে তাঁদের কাজকর্ম শুরু করে দিয়েছে।দেশের অস্থির পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে এইসব করত অপরাধীরা বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে আরও বিপজ্জনক অবস্থায় পৌঁছে দিয়েছে।মুক্তিপ্রাপ্ত যারা তাদের মধ্যে রয়েছে কিলার আব্বাস, শেখ মোহাম্মদ আসলাম বা সুইডেন আসলাম।ইমামুল হাসান হেলাল, সানজিদুল ইসলাম, নাঈম আহমেদ এবং খোরশেদ আলম রাসু। এই রকম সব ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসীরা প্রায় 10 থেকে 15 বছর কারাগারের ভিতরে ছিল। এদের মুক্তি পেতে দেখে অন্য অপরাধীরাও এখন কারাগার থেকে বেরিয়ে আসার জন্যে কঠোর তদবির করছে বলে জানা গেছে। তারা চাপ দিচ্ছে তাদের মাথায় আবার যেসমস্ত রাজনৈতিক নেতারা আছে তাঁদের কাছে।সেই নেতারা এখন তদবিরে নেমেছে। তাদেরকে ছাড় দেওয়া ছেড়ে দেওয়ার জন্য।মুক্তি প্রাপ্ত অপরাধীদের ওপর সামান্যতম নজরদারি নেই। আরে কোনও নজরদারি না থাকায় অপরাধ বেড়েই চলছে। এতদিন সন্ত্রাসীরা কারাগারে থেকে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করত।এখন বাইরে এসে সবাই তাদের পুরনো নেটওয়ার্কগুলোকে পুরোদমে সক্রিয় করে নেমে পড়েছে কাজে৷।বাংলাদেশের বিদেশি মুদ্রার কথা বলি।বাংলাদেশের বিদেশি মুদ্রা আমদানির সবচেয়ে বড় অবদান হচ্ছে বস্ত্রশিল্প এবং তার অনেকটা নীচে থাকলেও ওষুধ শিল্পে অবদান আছে। 2:00 ক্ষেত্রে কাঁচামালের জন্য ভারতের মুখাপেক্ষী থাকতে হয় অনেকটাই। কিন্তু কাঁচামালের জোগান এখন বন্ধ হওয়ার উপক্রম। এর উপর চাঁদাবাজি জুলুম শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকরা কারখানা চালাতে পারছেন না।উপদেষ্টাদের মধ্যে ব্যবসায়ীদের কোনও প্রতিনিধি নেই বলেই জানি।তাই তাঁদের হয়ে বলার কেউ নেই। সম্প্রতি ব্যবসায়ীরা দাবি তুলেছেন যে তাদের প্রতিনিধিদেরকে উপদেষ্টামন্ডলীতে ঠাঁই দিতে হবে এবং ব্যবস্থা করতে হবে।বিখ্যাত বস্ত্র শিল্প কোম্পানি।রোম্যান্স ভারতের কোম্পানি আপনারা জানেন।সে রেমন্ডস তাঁদের যে কারখানা সেটাও বন্ধ করে দিয়েছে।এ রকম বহু শিল্প প্রতিষ্ঠান যাদের অরিজিন যাদের মূল ভারতে আছে তারাও গুছিয়ে নিচ্ছে তাদের শিল্প। আর বাংলাদেশের শিল্প সংস্থাগুলো পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে মুহাম্মদ ইউনূসের। কিন্তু এ দিকে কোনও নজর নেই।তিনি চাইছেন শুধু কতদিন থাকতে পারবেন ক্ষমতায় সেটা দেখতে 84 বছর বয়স হয়েছে। এখনও শক্ত সমর্থ আছেন। মনে হয় তিনি ক্ষমতায় থেকেই শতায়ু হতে চান।এখন সেখানে আপত্তি নেই। কিন্তু কি তিনি করছেন?
তিনি শতায়ু হওয়ার জন্যে কিংবা ক্ষমতার বেশি দিন বসে থাকবার জন্যে।মোহাম্মদ ইউনুস দেশের উগ্র মুসলিম দলগুলো কে খুশি করতে তাঁদের তোয়াজ করতে ব্যস্ত। বাঙালি হিন্দুর উৎসব দুর্গা পুজোর আগে ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত থেকে এটি স্পষ্ট হয়।এর আগে উল্লেখ করা যায় যে, এর আগে সদিচ্ছা হিসেবে শেখ হাসিনার প্রতি বছর আগস্ট থেকে অক্টোবরের মধ্যেই ইলিশের চালান পাঠাতেন। বাংলাদেশ থেকে ভারতে মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর দেশের চাহিদা উল্লেখ করে এই সিদ্ধান্ত বাতিল করেছেন। অর্থাৎ ভারতে ইলিশ আসবে না।বাংলাদেশের মৎস্য উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার।তিনি বলেছেন, দেশের পরী গরিবরা।যাতে খেতে পায় ইলিশ খেতে পায় তার জন্য নাকি এবছর দুর্গাপুজোর জন্য ভারতে কোনও ইলিশ রপ্তানি করা হবে না।এই সিদ্ধান্ত ইন্ডিয়া আউট প্রচারণার কিন্তু একটি অংশ।এর নেতৃত্ব দিয়ে মোহাম্মদ ইউনুস ইসলামপন্থী দলগুলোর মন জয় করতে চেয়েছে। তবে দেশের মধ্যে ইলিশের দাম কমেনি বলেই কিন্তু শুনতে পাচ্ছি যে তার দেশে ভারতে ইলিশ আসছে না। তাহলে তার দেশ সেখানে ইলিশের দাম কমছে না। এই প্রশ্ন অনেকেই করেছেন।এটাও দেখতে পাচ্ছি। সীমান্ত দিয়ে চোরাপথে।ইলিশ কিছু ইলিশ কিন্তু ভারতে ঢুকছে।ধরা পড়ে বাজেয়াপ্ত হচ্ছে বেশ ভালো পরিমাণে।কলকাতার বাজারে এখন।বাংলাদেশের ইলিশ।প্রায় সওয়া কিলো সাইজের ইলিশ।আঠারোশো থেকে 2000 টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।আজ এই মুহূর্তে।আমি আমি মুম্বাইতে আছে।বর্তমানের এক বাঙালি এখানে অনেক বছর ধরে মাছের ব্যবসা করেন।সকালে তিনি মাছ দিয়ে গেলেন।বাংলাদেশের ইলিশ এক কিলো তিনশ 50 গ্রাম।₹2050 কিলো।চমত্ কার স্বাদ।এবার গোলা কোলাঘাট ডায়মন্ডহারবার দিঘা তেও ভারতের।প্রচুর ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে।সুতরাং ভারতের মানুষের ইলিশ পেতে খুব 1:00 অসুবিধা হচ্ছে না। হ্যাঁ, বাংলাদেশের ইলিশের।সাত।বর্তমানে আগেকার সময় নয়, আগে গঙ্গার ইলিশ আর পদ্মার ইলিশ তার মধ্যে লোকে বলত গঙ্গার ইলিশের স্বাদ বেটার বেশি ভালো এখন।সেটা কিন্তু আর নেই। এখন পদ্মার ইলিশ বাংলাদেশের ইলিশের স্বাদ। যে কোনও কারণেই হোক ভালো। এই কারণগুলো নিয়ে একদিন ইলিশ নিয়ে 1:00 পর্ব আপনাদের সামনে করবো আমি।যাই হোক ভারতের মানুষের এখন ইলিশ পেতে অসুবিধা হচ্ছে না।মাঠে মারা গেল বাংলাদেশের ইলিশ খাইতে দিমু না এই অভিযান।তবে ভারতকে ইলিশ খেতে না দিলেও ভারতের মুরগীর ডিম খেতে ইউনূস সাহেবের আপত্তি নেই।গত সোমবার।নয়ই সেপ্টেম্বর ভারত থেকে 11,000 দুইশ 72 মার্কিন ডলার মূল্যের।দুলাখ।31,000 মুরগির ডিম বাংলাদেশকে পাঠানো হয়েছে ভারত থেকে।যশোরের বেনাপোল বর্ডার দিয়ে এই ডিম তার প্রথম চালানটি যায়। এর পরে আরও চালান যাচ্ছে।ভারত যদিও বলেনি, তোমরা আমাকে ইলিশ খেতে দিলে না। আমি তোমাদের দিন খাইতে দেবো না। ভারত কিন্তু কথাটা বলেনি।ক্ষমতায় বসার আগে কথা হয়েছিল।তিন মাসের মধ্যে ভোটের ব্যবস্থা করে নির্বাচিত সরকারের হাতে শাসন তুলে দেওয়া হবে। সে কথা মনে হয় সব ভুলে গেছেন।ভোটের নাম নিচ্ছেন না বরং ক্ষমতা আঁকড়ে পড়ে থাকার জন্য ইসলামী দলগুলোকে তো আজ শুরু করে দিয়েছেন।কট্টরপন্থী ইসলামি সংগঠন জামায়াতে ইসলামী তাঁর উপর নিষেধাজ্ঞা তিনি তুলে দিয়েছেন।এবং শুধু তাই না জামাতের যে সব সন্ত্রাসীরা উগ্রপন্থীরা বন্ধ ছিল জেলে তাদেরকে ছেড়ে দিয়েছে৷ এ ছাড়াও উগ্রপন্থী সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিম এবিটি।তাঁর যে মহম্মদ জসিমউদ্দিন রহমানি কে তিনি মুক্তি দিয়েছেন।হিন্দুদের দূর্গা পুজোর ছুটিতে যাওয়ার দায়ে সাখাওয়াত হোসেন।যিনি আগে স্বরাষ্ট্র দফতরে ছিলেন, সেই তাঁকে স্বরাষ্ট্র দপ্তর থেকে সরিয়েছেন। হিন্দুদের পুজো মণ্ডপ পাহারা দেওয়ার জন্য পুলিশ কিংবা আনসার বাহিনীকে পাঠাবেন না। তাঁদের পাঠাচ্ছেন বলছেন মাদ্রাসার ছাত্ররা পাহারা দিতে যাবে হিন্দুদের মণ্ডপে আসবে৷ হিন্দু মেয়ে বউরা স্কি সেখানে হিন্দু পুরুষ তাঁরা কি নিজেদেরকে মনে করবে যে তারা রক্ষিত থাকবে, সুরক্ষিত থাকবে।ইউনূস সাহেব আপনি কিন্তু অনেক খারাপ কাজ করছেন।হিন্দুদের ওপর হামলা হচ্ছে চারদিকে হয়েছে। আপনি নিজেই এক সময়ে স্বীকার করেছিলেন, এখন আবার সেটা ভুলে যাচ্ছেন। আপনি বলছেন, হামলার ঘটনায় ধর্মীয় কারণে নয়, রাজনৈতিক হামলা আপনি এই খবরটি কোথায় পেয়েছেন?
আপনি কি এই খবর৷ আপনার গোয়েন্দাবাহিনীর থেকে পেয়েছেন না কোনও রকম ভাবে সমীক্ষা চালিয়েছেন ও তদন্ত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান। এর দুটি সিদ্ধান্ত দেশের ইসলামপন্থীদের যারপরনাই খুশি করেছে।মৌলবাদী ইসলামী দলগুলো মুহাম্মদ ইউনূসকে ইতিমধ্যেই দু বাহু বাড়িয়ে বুকে জড়িয়ে ধরতে শুরু করেছে।ভোট আছে বিএনপির মাথা খারাপ করে দিচ্ছে বিএনপি। কিন্তু জামাত ঠাণ্ডা মেরে গেছে দেখেছেন জামাত। কিন্তু ততটা ভোটের কথা বলছে না। ওদিকে আর এক বিপদ ঘনিয়ে এসেছে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে গত 810 দিনের প্রতিবেশী মায়ানমার থেকে 15 হাজারের বেশি রোহিঙ্গা দেশে প্রবেশ করছে বাংলাদেশে।বিষয়টা আরও বাড়াতে তাঁদের মধ্যে অতিরিক্ত 50,000।বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের জন্যে অপেক্ষায় রয়েছে।আর শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান স্বীকার করেছেন যে, অবৈধ অভিবাসনের পরিমাণ সম্পর্কে তাঁর কাছে কোনও তথ্য নেই। কোনও ধারণাও তার নেই।যারা সীমান্ত পেরিয়ে বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে তাদের স্বজনদের সাথে আশ্রয় নিয়েছেন এর কতটা অনুপ্রবেশ আর কতটা কি অন্য কিছু বেড়াতে আসা এই রেকর্ড তাঁর কাছে নেই।2019 সালে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মায়ানমারের রাখাল রাখাইন রাজ্য থেকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অনুপ্রবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। কোনো কথা না বলে তিনি বলেছিলেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তার প্রতি প্রেক্ষিতে আমি বলতে চাই যে মায়ানমারের 11 লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা নাগরিক নিপীড়নের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে এবং তারা শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, এই ভারতের জন্য তারা নিরাপত্তা হুমকি।তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশের নতুন সকাল নতুন সকাল। বলবেন নাকি আর এক অন্ধকার রাত বলবেন সেটা লিখে জানান, আমাদের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট বক্সে আরো লিখে পাঠান। আমাদের চলমান সমীক্ষা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি তে আপনার পছন্দের ক্রম অনুসারে পাঁচটি নাম মনে রাখবেন একটি দুটি, তিনটি বা চারটি নয় পাঁচটি নামী। কিন্তু পাঠাতে হবে, না হলে গ্রহণ করা হবে না। আপনার তালিকা আজ এই পর্যন্ত তাহলে ধন্যবাদ।
