শেখ হাসিনা কি গণহত্যার জন্য দায়ী আইন কি বলে
আসসালামু আলাইকুম। আশা করি ভাল আছেন আজকের এই বিষয়টি।অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়টি আইনের সাথে সম্পৃক্ত।মনুষ্যত্বের সাথে সম্পৃক্ত আমাদের বাংলাদেশে বিস্তৃতি ঘটে যাওয়া আর।কিছু ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির সাথে আছে। তাই আজকের দাম।এই পরিস্থিতি নিয়ে আপনাদের সামনে আলোচনাটা করাটা জরুরি মনে করি।আজকের আলোচনাটা আমি আইনি দিক থেকে বিচার করব। তবে কিছু কথা বলে নেওয়া ভালো। আপনারা যাঁরা স্টুডিয়োতে কথা বলতে চাইবেন।তারা ব্যাকস্টেজ অপেক্ষা করুন আপনাদের কে আমি যুক্ত করব। তবে অপেক্ষা করতে হবে। আমি আগে আমার প্রারম্ভিক আলোচনা শেষ করবো।তার পরে আপনাদের সাথে আমি কথা বলব।কথা৷ কথাগুলো বলা এজন্য প্রয়োজন যে।আমাদের দেশ অসংখ্য হত্যাকাণ্ড দেখেছে। গত প্রায় দু মাস ধরে এবং এই হত্যাকাণ্ড এখনও চলমান।একজন।আইনের।মানুষ বা আইনের পেশা যিনি মানুষ হিসাবে আইনের গবেষক হিসেবে।আমি মনে করি এই বিষয়ে আমার কথা বলা প্রয়োজন।এ বিষয়ে কথা বলার মত আমার একাডেমিক এবং প্রফেশনাল কোয়ালিফিকেশনস আছে।প্রথমেই বলে নেওয়া ভালো আমার এলএলবি অনার্স এলএল এম এবং পি এইচ ডি ডিগ্রি আছে আইনে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।ডাবলিন বিশ্ববিদ্যালয়।শুধু স্কুল অব বিজনেস রিসার্চ সহ।বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমার ডিগ্রী আছে।এবং আমি সাইবার ক্রাইমেও হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি ট্রেন।একজন আইনজীবী হিসাবে আমি কর্মরত ছিলাম।নীল ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েট যেটা অ্যামেরিকার বৃহত্তম।মাইগ্রেশন।লক্ষ্মণ সেখানে আমি কাজ করেছি।এবং।গোয়েন্দা সংস্থার উপরে গোয়েন্দার বিভিন্ন আইনে বা গোয়েন্দাদের বিরুদ্ধে এমআইফাইভ এমআইসিক্স মূলত।এবং নর্থ আইল্যান্ড 20 এগ্রিমেন্ট ইত্যাদি বিষয়ে।আমাকে ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে এবং ট্রেনিং পেয়েছি আমি।জুকের মতে, বিগেস্ট মানবাধিকার ও অফিস ক্যাপ্রিও র থেকে।সাইবার ক্রাইমের উপরে আমার লিখা আছে অনেক। আমি বহু আর্টিকেল লিখেছি বহু জানালে বুঝতে পারে।এবং।আমি।বিশ্ব ভ্রমণ করেছি।স্ত্রী ভিতের উপরে অর্থাৎ ধর্মীয় সৃজন করে।আমার অভিজ্ঞতার সাক্ষী আপনারা।তাই।ধর্মীয় উগ্রতার।এবং ধর্মভিত্তিক রাজনীতি।ধর্মভিত্তিক বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠী।ধর্মের অপব্যবহার ইত্যাদি বিষয়।আমার অভিজ্ঞতা দীর্ঘ।তাই এ বিষয়ে কথা বলার অধিকার অলিম্পিকে সোনার আছে বলে আমি মনে করি।তাই প্রথমেই কথা গুলো পরিষ্কার করা প্রয়োজন। কারণ এই বিষয়ে।একমাত্র যাক ওয়াইফাই তাঁদের কথা বলা উচিত।আমার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা আমি।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানে।সেনাবাহিনী শাসনের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ভবনে একজন ছাত্রনেতা ছিলেন।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ভবন থেকে সব পতনের পরে ছাত্র আছে। বিজয় মিছিল বের করেছিল।আমি তার মূল অর্গানাইজ়ার ছিল।তাই আমি বহু বছর ধরে রাজনীতির উপরেও কথা বলে আসছি। লিখে আসছি।ব্যক্তিগত ভাবে আমি জাতীয়তাবাদ চেতনায় বিশ্বাসী।আমার সবচাইতে প্রাণপ্রিয় নেতারা হচ্ছে।মাওলানা ভাসানী।সোহ্ রাওয়ার্দী।শেরেবাংলা মমতা আলি জিন্না।এবং জিয়াউর রহমান ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।এনাদের।সবাই কম বেশি ত্রুটি আছে সবাই।তাই আমি কাউকেই।আমার নবী বানানোর পর চায় নেব না এবং কাউকেই আমি।বলব না যে তারা ত্রুটিমুক্ত। তাই কোনও রাজনৈতিক দলই আমার কাছে বা মতবাদই আমার কাছে ধর্ম তুলল না।আমি শেখ হাসিনাকে খুব অপছন্দ করি। অনেকগুলো কারণ।সেই কারণগুলো আমার মনে হয় আপনাদের কাছে রিপিট করার প্রয়োজন নেই।শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা অনেকের কাছে এখনও আছে কিন্তু আমার কাছে।তবে।যেহেতু আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ প্রফেশনালি যে।আমি একজন আইনজীবী।আমি আমার ক্লায়েন্টের।যখন মামলা হাতে নেব।তখন আইন যা বলবে।আমি।তাই করব৷ এবং আইন তুলে ধরার ক্ষেত্রে আমি নিউট্রাল থাকব। আমার ব্যক্তিগত রাজনৈতিক যে চিন্তাভাবনা, তারা সেখানে কোনো প্রকার প্রভাব ফেলবে।বর্তমানে।আমি কেন এই বিষয়টিতে আলাপ করতে আমি উদ্ভূত হলাম।মেন কারণ হচ্ছে।শেখ হাসিনা।কিচেনও সাইট করেছে, গণহত্যা করেছেন কী করেননি?
সেটাই আলোচ্য বিষয়। কারণ তাঁর বিরুদ্ধে কয়েকদিনের ভিতরে।ওয়ারেন্ট ইস্যু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ এবং তাকে এক্সপ্রেশন চুক্তি অনুসারে এবং বিভিন্ন পন্থায় বাংলাদেশে ফিরিয়ে নিয়ে আসার।জন্য চেষ্টা করা হবে।তাই বিষয়টি আলোচনা করা প্রয়োজন। আওয়ামি লিগ বাংলাদেশে লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি মানুষ আওয়ামী লীগকে সমর্থন করে আপনার আমি না করতে পারি।তাই আওয়ামি লিগ।কে?
যদি আমরা করাপশন মূলত করাপশন।তার পর অটোক্রেসি অর্থাৎ জন্য ধ্বংস করে দেওয়া।ইত্যাদির ব্যাপারে আমার দোষ দিতে পারি এবং সেগুলি একমত।যা আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যে সকল ইনস্টিটিউশন ধ্বংস করেছে।তাই শেখ হাসিনার শাসনের আমি অপশন চেয়েছি মনে প্রাণে৷।কিন্তু।এখন যা হচ্ছে আমি মনে করি তা হচ্ছে বেআইনি।আইনের প্রতি অন্যায় প্রদর্শন।এবং প্রেমের।তাই ইতিহাস সাক্ষী হয়ে থাকা প্রয়োজন যে আমি মানবতার পক্ষে সারা জীবন সংগ্রাম করেছি এবং মানবতার পক্ষে ছিলাম।আমি যদি সোজাসাপ্টা কথা বলতে চাই তাহলে বর্তমান যে সকল মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।এখানে বলে নেওয়া ভালো৷ আমার ঘনিষ্ঠ কিছু ছোট ভাই রাইনহোল্ড সেখানে যেমন বর্তমানে।আমাদের বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদ আমার খুব স্নেহের ছোট ভাই।আসিফ ভাই অর্থাৎ আসিফ নজরুল উনি আমার ডিপার্টমেন্টের বয়সী হিসেবে শ্রদ্ধার কিন্তু।শেখ হাসিনার পরবর্তীতে আশপাশে কোনও ফর্মেশন পেয়েছি। শেষ করার ক্ষেত্রে ওনার প্রতি আমার সেই শ্রদ্ধাবোধ নষ্ট হয়ে গেছে।বর্তমানে।যা ঘটতে যাচ্ছে, এটা হচ্ছে জুডিশিয়াল।পার্সিকিউশন।প্রসিকিউশন না পার্টিকে সমর্থন আইনকে ব্যবহার করে।বেআইনি কাজ অন্যায় কাজ।কতগুলো বিষয় মনে রাখতে হবে।গণহত্যা থামেনি।গণহত্যা চলমান।যদি জেনোসাইড বলি জেনোসাইড এখনও চলমান জেনোসাইড থামেনি।বাংলাদেশে।আওয়ামি লিগের উপরে গণহত্যা চলছে।বাংলাদেশে।মত জাস্টিস বলতে যেটা হচ্ছে সেটাতে আমি গণহত্যার অংশ।আমি মনে করি যারা যতটুক গণহত্যার জন্য তাই তাদেরকে সেভাবেই শাস্তি দিতে হবে তাই একপেশে।গণহত্যার বিচার করা চলবে না।জাতিসংঘে যারা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন এসেছেন তাঁদেরকে এই কথাগুলো মনে রাখতে হবে, আমি এই ভিডিওগুলো ইংরেজিতে করব।বর্তমানে।যা চলছে।শেখ হাসিনার এবং অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এর বিরুদ্ধে এগুলো হচ্ছে আইনের নামে উপহাস।আমি মনে করি যে শেখ হাসিনাকে যদি বিচার করতে বা তার যাঁরা অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ছিল, মন্ত্রী যা ছিল বা যাঁরা বিভিন্ন মিডিয়াতে ব্যক্তিত্ব বা যাদের ধরা হচ্ছে বিভিন্ন কারণে সবাইকে যে গণহারে।যে।খুনের মামলা দেওয়া হচ্ছে। এগুলোর মূল উদ্দেশ্য প্রমাণিত হয়েছে বিভিন্ন ভাবে।মূল উদ্দেশ্য ছিল যে, হ্যাঁ, অনেকে গণহত্যা জায়গায় হতে পারেন। কিন্তু।কিছু কিছু মানুষকে ধরা হচ্ছে পার্সোনাল লোন টা থেকে।এর ভিতরে আমি শাহরিয়ার কবিরকে মনে করে থাকে।এই ভাবে অন্যায় ভাবে যুক্ত করা হয়েছে।শাহরিয়ার কবির কোনওভাবেই অটোক্রেসি কে সমর্থন করেননি তা নয়।কিন্তু শাহরিয়ার কবিরকে আসাদুজ্জামান নূরকে আসর জমানোর করার সময় এক কথা। আর উনি ডাইরেক্টলি হত্যাকাণ্ডের জন্য হুকুম দেওয়া আমি মনে করি উনি তাড়াতাড়ি হয়।আসাদুজ্জামান নূর এবং এরকম অনেক কিছু আছে তাকে সরাসরি আপনি খুন প্রমাণ করতে পারেন উনি প্রমাণ করতে পারবে না আমাদের কেসগুলো যায় এবং আমি কোন লয়ের সাথে বিষয়।ডিবেট করতে রাজি আছি।দ্বিতীয়ত হচ্ছে।গণহত্যার জন্য 1:00 নির্দিষ্ট দিন বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এটা ঠিক।বাংলাদেশে 1971 সালে যুদ্ধের পরে মানুষ যে অনাহারে করেছে যুদ্ধের কারণে সেটাও গণহত্যার কন্টিনিউয়াস গণহত্যা সম্পর্কে তাদের ন্যূনতম ধারণা আছে। তারা এটা বোঝে। তাই পাঁচই অগাস্ট অবধি গণহত্যার দিয়ে নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। গুঞ্জন।এটা এখনো চলমান।কারণ শুধুমাত্র বিএনপি জামাত সমন্বয়কারী সাধারণ জনতা ওরা তো মরেনি। আওয়ামী লীগ ও মারা যাচ্ছে।এগুলোকে হিসাবে আনতে হবে।এখন আমি এই বিষয়ে একটি নোট লিখেছি। হয়তো বা আমার ফেসবুকে অনেকে পড়ছে। আমি নোটা যাঁরা পড়েননি তাঁদের জন্য আমি একটু পড়ে শোনাচ্ছি। তাতে করে আমরা আলোচনাটা অর্গানাইজ হবে বলে মনে করি। আমি পরি আপনাদের সাথে আমার সাথে থাকুন।পাঁচই অগাস্ট। এরপর গণহত্যা বন্ধ হয়নি।গণহত্যা অব্যাহত রয়েছে সব পক্ষের হত্যাকাণ্ডের বিবেচনায় নিতে হবে।চশমাটা পরে।ইউনুস সরকার হাসিনার পতনের পর থেকে আইন শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে জরুরি অবস্থা জারি না করে এবং সংবিধান স্থগিত না করে।আওয়ামী লীগের অনেক নেতা কর্মীকে গণহত্যা শিকার হতে বাধ্য করেছে।জনতার বিচারক গণহত্যার অংশ।আদালতে দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কোনও অপরাধই অপরাধ নয়।সকল খুনীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।জীবনের অধিকার একটি পরম মানবাধিকার।যা ইউনুস সরকার তাদের ক্ষমার, অযোগ্য অবহেলা ও অদক্ষতার দ্বারা রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে।এমনকি যদি তারা এখনই আইন শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন এবং সংবিধান স্থগিত করেন তবুও বর্তমান সরকারের সদস্যরা ভবিষ্যৎ সরকারের দ্বারা আইনত দায়বদ্ধ থাকবেন।এমনকী যদি একটি সামরিক সরকার ক্ষমতায় আসে।তার পরে সাত। তবে সামরিক সরকারের প্রধানের কাছে এখন পর্যন্ত।তাদের ব্যর্থতার কারণে উপদেষ্টাদের সকল সদস্যদেরকে।দেশদ্রোহিতার জন্য এবং বিফলতার জন্য ফাঁসিতে ঝোলানোর আর রয়ে গেছে।আমি শেখ হাসিনাকে পছন্দ করি না।তা যাচাইয়ের জন্য। কিন্তু একজন সিনিয়র আইনজীবী হিসাবে বহু বছরের বহুজাতিক আইনে অভিজ্ঞতার সাথে আমি যে কোনও আইনজীবীকে চ্যালেঞ্জ করতে পারি যে বিচার ন্যায্য হলে শেখ হাসিনাকে গণহত্যার জন্য দায়ী করা যাবে না।আর যদি প্রমাণিত হয় যে জেনারেল ওয়াকার।তাঁকে অর্থাৎ শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ ত্যাগ করতে বাধ্য করেছিলেন বা বর্তমান সরকার তাকে প্রত্যাবর্তনে বাধা দিচ্ছে৷ তাহলে জেনারেল হকার রাষ্ট্রদ্রোহের দায়ে দায়ী হবে।কারণ উনি দ্রুততম পন্থায় তাঁকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেন। আমি আপনাদেরকে আইনি ব্যাপার বলে বলছি আমার ব্যক্তিগত।ওপিনিয়ন না।সিক্রেট সার্ভিস আইন।শিক্ষার সার্ভিস আইন রাষ্ট্রপ্রধানকে জাতীয় নিরাপত্তা সম্পর্কিত প্রতিটি বিবরণ বা বিষয় জানার অধিকার দেয়। অর্থাৎ সিক্রেট সাথে ন্যাশনাল সিকিউরিটি সবকিছু রাষ্ট্রপ্রধানকে সরকার প্রধানকে বলতে বাধ্য হয়।আমেরিকা য়, ন্যাশনাল।সিকিউরিটি।জাতির প্রধানকে অর্থাৎ প্রেসিডেন্টকেও সব কিছু বলতে বাধ্য হন। যারা সি সার্ভিস এর মধ্যে ন্যূনতম যান, তাঁরা সেটা জানাবেন।এছাড়াও সাধারণ মানুষ বহু বছর ধরে জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত অনেক তথ্য থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। অর্থাৎ যখন ন্যাশনাল সিকিউরিটি অনেক কিছু জানতে অধিকার রাখে না৷ বহু বছর পরে তাই দেখবেন যে সকল গড়ে উঠেছে বহু বছর পরে। সরকার জানায়, আমরা করেছিলাম যেগুলি ন্যাশনাল সিকিউরিটি ইন্টারেস্ট এর জন্য।শিখে রাখা প্রয়োজন, তাই ওগুলি জনসমক্ষে।ন্যাশনাল সিকিউরিটির লোকেরা এমনকী সরকার জানাতে বাধ্য হয়।বুঝেছেন।এই তথ্যের স্বাধীনতা আইনের আওতায় পড়ে না। শেখ হাসিনা কি নীরিহ মানুষ হত্যার জন্য নির্দেশ দিয়েছে শেখ হাসিনাকে বলেছিলেন যে আপনারা নিরীহ মানুষদের গুলি করে মেরে ফেলেন। অনেকে বলেছেন যে মন্ত্রীরা একসময় বলেছিলেন, তাঁদের বাড়ি বন্ধ করে দিই। এগুলো জেনে তাদের ব্যাপার কিন্তু এ কী করেছিলেন সেটা।করেন।কেউ কি নিরাপদ নীরব?
কেউ কি নিরাপত্তা যখন সেই ভিড়ের অংশ যা আংশিকভাবে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দ্বারা অনুপ্রাণিত বা সংগঠিত। সুতরাং যদি একজন নিরপরাধ ব্যক্তি তার নিরস্ত্র উপস্থিতির মাধ্যমে।সন্ত্রাসীদের অগ্রগতি রোধ করতে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা তাদের বাধা দেয়।তবে আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষ।তাকে গুলি করতে পারে।ধরুন।সন্ত্রাসীরা।সরকারের বিরুদ্ধে আসছে বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বিরুদ্ধে আসছে এবং না বুঝে বা বুঝে সেই সন্ত্রাসীদের সঙ্গে ভিড়ে মিশে গিয়ে 1:00 মব জাস্টিস এর মতো তারা সরকারি কর্মকর্তা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উপরে আক্রমণ সেটা কি হবে?
দাম অব বিকাম পার্ট।অফিসের 20 গ্রুপ।তাই এই ক্ষেত্রে।আপনি আপাত নিরস্ত্র মনে হলেও তারা যদি আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে আসে বা সেই গ্রুপে থাকে তাদেরকে নিবৃত করতে বা আইন কারা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা স্ট্রেট মনে করলে তাদেরকে গুলি চালানো যাবে। আমরা জানি যে।আমি আপনাদের সবার আগে৷ মনে হয় আমি বলেছি যে এই আন্দোলনের পেছনে হিযবুত তাহরীরের মতো নিষিদ্ধ সংগঠন জড়িত আমরা বরাবর আগাগোড়া হিযবুত তাহরীরের তিন ফর্ম্যাটের প্রমাণ পেয়েছি।এবং হিজব তাঁর নিজের নেতারা নিজের মুখে স্বীকার করেছেন তাঁর বিবিসির সাক্ষাৎকারে জেটলি।যে এই মুভমেন্টের সাথে।সারা বিশ্বে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসাবে চিহ্নিত।সেই হিযবুত কাহিনী এবং তাদের সমর্থক সমমনা দলগুলো ইনভল্ভড।তাদের সাথে সাধারণ জনগণ যদি বুঝে না বুঝে এ দিন ফল হয় এবং তাদের শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে মুভমেন্টে।তাহলে তাদেরকে নিবৃত করার জন্য শক্তি প্রয়োগ করা।যাচ্ছে।আমার তখন থেকে আমি সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত যে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিজবুত তাহরির সমন্বয়কারীদের সাথে বিদ্রোহীদের সাথে সক্রিয়ভাবে চলছিল।বিবিসি সম্প্রতি একটি এটি নিশ্চিত করেছে যেখানে একজন হিজবুত তাহরির নেতা বিদ্রোহে তাদের জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।অভ্যুত্থানে হিযবুত তাহরীর সম্পৃক্ততার কথা কি সমন্বয়কারী বা অধ্যাপক আসিফ নজরুল এখন পর্যন্ত অস্বীকার করেছেন।না।করেননি।তথাকথিত আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল এর নেতৃত্বে আছেন তাজুল ইসলাম, যিনি একজন সুপরিচিত ইসলামী দেশ।যিনি স্বাধীনতার বিভিন্ন কথা বোঝা গেছে, স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন না এবং জামাতের সঙ্গে কথা বলেন জামাতি নেতাদেরকে উনি আইনত ডিফেন্ড করেছে এবং তাদেরকে ইনোসেন্ট মনে করেন এখনও।এবং স্বাধীনতার প্রশ্নে উনি বিভিন্নভাবে বঙ্গবন্ধুর প্রশ্ন নিয়ে যান।এই বিচার রাজনৈতিক তাহলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।এটা প্রমাণের অপেক্ষা রাখে না এবং যারা তাকে অর্থাত্ তাজুল ইসলামকে জেনেশুনে আজিজুলসহ এবং যারা ইম্ফল তাঁকে জেনেশুনে।এই ক্ষমতায় বসিয়েছে অর্থাৎ ঠিক পথে কিছুটা দায়িত্বে।তারা।প্রমাণ বহন করে নিজেরাই প্রমাণ করে দিচ্ছে যে তারা এক্সট্রিমিস্ট।স্বাধীনতাবিরোধী গ্রুপের অংশ।এবং এই বিচারিক প্রক্রিয়া।পলিটিক্যালি, মোটিভেটেড।আমি আমার সবচেয়ে খারাপ শত্রু হলেও।ন্যায্য বিচারের অধিকারী বিশ্বাস করি হাসিনা ও তার সহযোগীরা ইতিমধ্যেই সুষ্ঠু বিচার প্রক্রিয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।যখন তাঁরা কোর্টে যাচ্ছে, বিচারপতি বাণী যত খারাপই আপনি মনে করেন, আমি তাকে খারাপ করি। কিন্তু তাকে আদালতে পেটানো হয়েছে এই বয়সে।এবং তাকে গুরুতর আঘাত করছে।উনি একজন ব্রিটিশ নাগরিকও বটে।অনেকেই।মারধরের শিকার হয়েছে।তাঁরা এখন আংটির প্রমাণ করে দিল চিন্তা করে আমরা জনসাধারণ তাদেরকে অন্যায় গাড়ি মনে করছি এটা আমাদের অধিকার। যারা মনে করছে সবাই মনে করছেন, কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত আদালত তাদেরকে না বলবে এ ম্যান ইন হোসেন তো যখন সেই মুহূর্তে তাঁকে রেস্ট করেছেন নারাইনের হেফাজতে আসিফ নজরুল যত কথাই বলুন না কেন, উনি যেমন হাত তোলো, কিন্তু উনি মুক্তিযোদ্ধা উনাকে পেটানো হয়েছে।তাহলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মানুষের আসামিদের।হেফাজত নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণ ভাবে অপারগ। এই রকম একটি প্রক্রিয়াতে শেখ হাসিনা উপস্থিত হবেন কেন?
এবং যারা তাদেরকে।আইনি সহায়তা দিতে চান তাঁরা। ঋত্বিক মনে করেন, জীবনের কারণ অন্যান্য আইনজীবীরা ডিম নিয়ে উপস্থিত থাকে।এই আসামিদেরকে ঢিল ছোড়ার জন্য।তাহলে কোন আইনজীবী ধরুন। আমি যদি এখন শেখ হাসিনার পক্ষে তাই আমার রাজনৈতিক মতবাদ আপনাদের বলছি চাষবাস করি। কিন্তু আমি একজন আইনজীবী হিসাবে শেখ হাসিনাকে ফোন করে অধিকার আমার আছে। বাংলাদেশের আদালতগুলোকে পলিটিসাইজড করে ফেলা হয়েছে।বিএনপি গ্রুপ জামাত গ্রুপ, আওয়ামী লীগ গ্রুপ। তাহলে যেহেতু এখন আওয়ামী লীগ গ্রুপ সি এর বাইরে আমি যদি শেখ হাসিনাকে একজন গে প্রাইড মানুষ মারা মুজিব প্রেমী আছে, আমি যাকে ভালোবাসি সব চেয়ে বেশি। আমি যদি ডিফাইন করতে আগ্রহী হই।তাহলে আমাকে কি পেটানো হবে না?
আমি দেখতে পাচ্ছি যে আসিফ মাহমুদ থাকে তো চ্যাংড়া বয়সের মধ্যেই বানিয়ে দিয়েছে বা উপদেষ্টা।নাহিদ এর কথা একই। কিন্তু সারফেস আলমকে?
কী ভাবে মিলিটারি পড়তে হয়?
কোন আইনে তাহলে আমাকে কি মিনিট রিপোর্টও দেবে?
আমি শেখ হাসিনাকে ডিফেন্ড করতে চাচ্ছি। হ্যাঁ আমি একজন সিনিয়র আইনজীবী। আমি বাংলাদেশের অনেক আইনজীবী থেকে অনেকটাই বেশি এই বিষয়ে বোধহয় বড় 1:00 ফিল্ডে একদম প্রমাণিত একাডেমিক প্রফেশনালি আমি সার্টিফিকেটসহ প্রমাণ দিয়ে আমাকে কি?
শেখ হাসিনাকে ডিফেন্ড করার জন্য এবং তার জন্য আমি লীগের নেতা নেত্রী যাঁরা আছে তাঁদেরকে ডিফেন্ড করার জন্য। বাংলাদেশ সরকার কি আমাকে আর্মি প্রোটোকল দেবে দিলে আমি কালকে আসবো।দিলে আমি আওয়ামী লীগকে ডিফেন্ড করতে। আমি আগামীকাল ল্যান্ড করবো।দেবে৷।তাহলে এই সরকার রাইস টিম লিগাল রিপ্রেজেন্টেশন।দেবেনা ফ্যাট বয় দেওয়ার কোনও ইচ্ছা নেই।সকল সকলকে হত্যার দায়ে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে শুধুমাত্র অভিযোগের।কোনও যোগ্যতা যাচাই ছাড়াই অভিজিতের অভিযোগ যত ডিটেলস আছে সেটাকে ঠিকমতো সুস্থ ভাবে বিচার বিচার না করেই।সবার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। মূল কারণটি কী?
সরকারের একজন কৌঁসুলি এমপি আসাদুজ্জামান নূরের জামিনকে চ্যালেঞ্জ করে বলেন।নুর হয়তো আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠিত করতে পারে। কিন্তু আওয়ামী লীগ যখন নিষিদ্ধ সংগঠন নয় তখন জামিন নাকচ করার জন্য এটা কোনও কারণ হতে পারে।একজন নিবেদিতপ্রাণ জামাত বিরোধী কর্মী ও মুক্তিযুদ্ধের গবেষক শাহরিয়ার কবির মতো ব্যক্তিদের গ্রেফতার করেও সরকার স্বাধীনতা বিরোধী মনোভাব পোষণ করেছেন।পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের জন্য গভর্নমেন্ট খুবই সক্রিয়।কিন্তু পাকিস্তানের সরকারপ্রধান সম্প্রতি আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনে তাঁর ভূমিকার জন্য শেখ মুজিবুর রহমানকে অপমান করে কথা বলেছেন পাকিস্তানের সরকার প্রধান।ভারতীয় আগ্রাসন নস্যাৎ করার অজুহাত হিসাবে।এটা যথেষ্ট নয়।ভারত আমাদেরকে নানাভাবে অত্যাচার নিপীড়ন করছে। আপনাকে অনেকভাবে বলেছি ফেলুন এই ব্যাপারে আমি সবচাইতে প্রথম আন্তর্জাতিকভাবে সংগ্রাম করেছি। তার ভিডিও আপনারা দেখেছেন নিউ ইয়র্কে আমার প্রেস কনফারেন্স দেখেছেন। আমি ভারতে হিন্দুত্ববাদের কট্টর সমালোচক।কিন্তু ভারত ঠেকানোর নামে পাকিস্তানের প্রেম। এই পর্যায়ে যেখানে কিনা গোলাম আযমের বাংলাদেশ।এবং জামাত বলে আমরা মাছ চাইব না।এবং বিভিন্ন রকমের স্বাধীনতা বিরোধী মনোভাব ওপেনলি পোষণ করে। এই সরকার কি তাহলে স্বাধীনতা বিরোধীকে বিরোধীদের কে পুনর্বাসিত করার জন্যই ক্ষমতায় টিকে আছেন?
এখন বসে আছি।আদালত চত্বরে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের নিরাপত্তা দিতে সরকার ব্যর্থ হচ্ছেন। যা বললাম, তাহলে যে কোনও আইনজীবী শেখ হাসিনাকে রক্ষা করতে ইচ্ছুক। তিনি কীভাবে তাঁর নিরাপত্তা ও আদালত প্রাঙ্গণে?
তাঁর মতে, নিরাপত্তা বিষয়ে নিশ্চিত হবেন।আমি আওয়ামী লীগ কর্মী যাঁরা গ্রেফতার হয়েছেন, তাঁদের আইনি সহায়তা করতে ইচ্ছুক। কারণ আমি বিশ্বাস করি যে তাঁরা স্বৈরাচারের অংশ হলেও।মানবাধিকার রক্ষাকারী হিসাবে এটি আমার কর্তব্য এবং অধিকার আমার মতো কোনও উচ্চ যোগ্যতাসম্পন্ন আইনজীবী তাঁদের ডিফেন্ড করতে এগিয়ে আসতে রাজি হবে কি?
এ ধরনের মনোভাব আমাদের আইন আইনী। পেশাকে শক্ত পেশাগত প্রতিশ্রুতির বিরুদ্ধে অর্থাৎ ওনাকে কেউ আইনি সহায়তা দিচ্ছে না। এই বিষয় লক্ষ্য করছি যে তার জন্য ওই লোকের জন্য কোনও আইনজীবী দাঁড়াননি। কেন দাঁড়ায়?
ঘৃণা থেকে না মূলত দাঁড়ায় না ভয়।আইনজীবীরা কেন কোর্ট আদালতে ভয় পাবে?
বলে।বলেন।এই ধরনের মনোভাব আমাদের আইনি পেশার জন্য অপমানজনক। ইউসরা কি আমাকে সেনার সুরক্ষা দেবে?
আমি মনে করি বাংলাদেশে কেউ ধর্মীয় উগ্রবাদী সম্পর্কে।আমার যে অভিজ্ঞতা সে বিষয়ে প্রশ্ন করবে না।গ্রেপ্তারকৃত অধিকাংশ নেতাকে আমি ব্যক্তিগত ভাবে চিনি।বর্তমানে যেমন উপদেষ্টাদের অনেককে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি বহু বছর ধরে চিনি।আওয়ামি লিগের অনেক নেতাদেরকে আমি ব্যক্তিগত ভাবে চিনি।তাই আমার অভিজ্ঞতায় আমি তাদেরকে ডিফেন্ড করতে চাই এবং তারা করাচ্ছেন করেছেন তা করছে না সেটাও কিন্তু বর্তমানে।তারা হত্যা অনেকেই হত্যার দায়ে দায়ী হবেন। এটা আমি জানি।কিন্তু বর্তমানে যে প্রক্রিয়ায়।তাঁদের বিরুদ্ধে।জেনোসাইডের মামলা তৈরি করা হচ্ছে।এই আদালতে শেখ হাসিনা বা তার অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কেউ সুবিধা পাবে না।তাজুল ইসলামকে আমি বলছি তাজুল।তুমি আমার সাথে চ্যালেঞ্জ আসো তুমি বলো আপনি ভাইকে মুফতির তাঁকে আর্মি প্রোটোকল দেন।ওনাকে কেউ আক্রমণ করবে না।দেখি উনি শেখ হাসিনার ভাই এবং তাঁর মন্ত্রী বা এমপি যারা আছে তাদেরকে।মামলা থেকে খালাস করতে পারে কি না?
আমি যদি আসি শেখ হাসিনার পক্ষে দাঁড়াই।1:00 2:00 হেরে গিয়ে।যদি সুষ্ঠু বিচার প্রক্রিয়া হয়ে থাকে।তাঁরা সব বেকসুর খালাস পায়।বেকসুর খালাস।এবং এক্সপিডিশন চুক্তিতে যেহেতু আমি অভিবাসন আইনে বহু দীর্ঘ অভিজ্ঞতা আছে।এই সব চুক্তিতেও শেখ হাসিনাকে আপনারা ফিরে আসতে পারবেন না।করাপশন৷ জেনোসাইড মেলাবেন না স্বৈরাচারিতা অটোক্রেসির জেনোসাইড মেলাবেন না।এখন সব শেষে একটি সংক্ষিপ্ত কথা বলে দিচ্ছি। সেটা হচ্ছে।জেনোসাইড কখন হয় যা পরিকল্পিত গণহত্যা সংগঠিত গোষ্ঠী বা দল যখন সুকৌশলে প্রতিপক্ষ কোন ক্ষুদ্র গোষ্ঠী বা জাতিকে গোপনে বা প্রকাশ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ও সমূলে বিনাশ করার ইচ্ছা পোষণ করে।তা সংগঠিত করা, গণহত্যা।1948 সালে প্রতিষ্ঠিত জাতিসংঘের গণহত্যা কনভেনশন গণহত্যাকে সংজ্ঞায়িত করে বলে এই বলে যে গণহত্যা হলো হত্যাকারী সদস্যদের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ একটি জঘন্য কাজ যার মূল লক্ষ হলো সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে জাতিগত বা ধর্মীয় গোষ্ঠী ধ্বংস করা। আরো উল্লেখ করে বলা হয় যে ইচ্ছাকৃতভাবে এমন অবস্থার সৃষ্টি করা যা আংশিকভাবে জনগণের শারীরিক ধ্বংসও ঘটায়। ইতিহাসে গণহত্যার পাতায়।পাবলিকেশন এমন অমানবিক গণহত্যার অনেক উদাহরণ রয়েছে। তাই সরাসরি শব্দটা মনে রাখবেন৷ সরাসরি শেখ হাসিনা গণহত্যা এবং তাঁর মন্ত্রীরা গণহত্যার জন্য দায়ী।আপনারা প্রমাণ করতে পারা অনেককে পারেন কিছু মানুষকে পারেন সবাইকে পারবেন না। 90 পারসেন্ট পারবেন এবং 10% যাদেরকে পারবেন তাঁদের ব্যাপারে না।আদালতে ফাইট করেছেন।ওকে আমার কথাগুলো শূন্য বাদামি এখানে কিছু মানুষকে যুক্ত করব। এখানে কামরুজ্জামানের নামে একজন আছেন আপনার ক্যামেরন রাখতে হবে ক্যামেরা অন রাখলে আপনি যুক্ত হতে পারবেন না৷ যুক্ত হতে পারবেন না এখন সবার কাছ থেকে 12 মিনিটকথা বলব তার পরে দীর্ঘ একটি করব না। সুতরাং যারা যুক্ত হতে চাইবেন ক্যামেরা অন রাখতে হবে আলোচনা করছি শেষ করে দেবো হ্যাঁ আসবো।এখানে যুক্ত হয়েছেন। আপনার নাম স্বাদ জ্ঞান বোধ হয় আপনার নাম হ্যাঁ বলুন।ভাইয়া ভাল লাগল আপনার কথা শুনে আপনি এই মুহূর্তে বাংলাদেশে মানে নির্বাচন হওয়ার কোনও সম্ভাবনা দেখছে না। নির্বাচন পড়ুন।আগামী 34 বছরে চলে আসেন।আচ্ছা আগামী 34 বছরে যদি নির্বাচন না হয় তাহলে ধরুন যে রাজনৈতিক দলগুলো আছে, তাঁরা কীভাবে নিজেদেরকে সংযুক্ত করবে?
ধরুন বিএনপির কথা যদি মনে করে তারা কীভাবে নিজেদের ঘর গোছাতে বা তারা জনসম্মুখে যাবে বা জনসম্পৃক্ততা কী ভাবে বুঝিয়ে রেখে কাজ করবে যাতে যখন নির্বাচন হবে তাঁরা যাতে জয়ী হয় এই ফিল্ম বলগুলো তারা কীভাবে করবেন না। এত যদি বলা যাচ্ছে না দেশের অবস্থার উপর নির্ভর করবে পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।আমরা একটু সময় দিতে হবে৷ দেখি পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, তার পর আমরা এই বিষয়ে কথা বললে ভাল হবে।বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনও মতেই আচ্ছা থাকে। তারপর যাচ্ছে কামরুজ্জামান টুকু হ্যাঁ বলুন।জী সালাম আপনার প্রতি আপনি 1:00 কথাগুলো প্রত্যেকটাই মন দিয়ে শুনছিলাম এবং বাংলাদেশের কনস্টিটিউটেড থেকে শুরু করে জাতিসংঘের যে কথাগুলি বলেছেন ইহা চরম সত্য। এর বিপক্ষে বলার কোনও সুযোগ নেই। কিন্তু আপনার কাছে আমার ছোট্ট 1:00 জিজ্ঞাসা 12 বছরের বৃহত্তর ইতিহাস যে ইতিহাস প্রতিটা জায়গায় মানুষ সব কিছুকে একেবারে সাধারণ মানুষের যে মানবাধিকার এই অধিকারকে লঙ্ঘন করতে করতে আজকে আমরা 52 বছর পার করে ফেলেছি।এর পূর্বেও যখন আমরা প্রত্যেকেই আমরা যারা নীরিহ মানে আপনি আমি এখানে আমার এক ভাই আছে। আমরা যারা নীরিহ আছি যারা কোন ট্যাগ লাইনই তথাকথিত বিএনপি তথাকথিত আওয়ামী লীগ অথবা তথাকথিত জামায়াতে ইসলাম বলেন ট্যাগলাইনই আমরা নিরপেক্ষ কথা বলছে না কেন মনে করেন আপনি আমি আমরা এখন যদি আওয়ামী লিগের কথা বলি সেটা হয়ে যাবে সব ঠিক কিন্তু আমরা বাংলাদেশ গড়ার জন্য কনস্টিটিউশন সাজানোর জন্য 1:00 জেফের কথা বলা দরকার। এগুলো যদি আমরা না বলি তাহলে।আমরা কি সেই মান বছরের পূর্ববর্তী কাজগুলো করছি না?
আমরা যেমন প্রথমত জেলের ভিতরে এখনও আছি। আর দ্বিতীয়ত হচ্ছে আছে, এর মূল দায় হচ্ছে আমাদের সরকার সরকার আমরা যেটা করবে না আমি বলছি, এ ছাড়া কোনও উপায় নেই, সেটা হচ্ছে উনারা বিপ্লবী সরকার আনবেন ওনারা ওঁরা সংবিধানকে স্থগিত এবং আল্টিমেটলি বাতিল করে দেন এবং ওনারা যে ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দিয়েছেন আর্মিকে এটা সাথে সাথে দেওয়া উচিত ছিল।যেটা আমি দেননি ওনারা আমাদের মন্ত্রণালয় নিয়ে ফাজলামো করছেন না৷ একজন 2:00 উপদেষ্টাকে দিয়েছেন যাঁরা একেবারেই চান না পোলাপান করেছে এবং তারা অভিজ্ঞতা নয়, জ্যৈষ্ঠ পরিচালনার এমন লোকদেরকে এনজিও দের দিয়ে ভরে ফেলেছে। সুতরাং এই পরিবেশ আপনি আসবে কী ভাবে?
কারণ বাংলাদেশের মানুষ এখনও আসলে সাহস পাচ্ছে না কোনও কিছু বলার আপনি আমি সাহস পাচ্ছি হয়তো বা কিন্তু আজকে অনেকে সাহস পাচ্ছে না কারণ সাহস করতে গেলে হয়তবা।আপনি মজা শিকার হবেন।এগজ্যাক্টলি বাংলাদেশের এই একটাই হচ্ছে জুজুর ভয়েই জুজুর ভয় কাটাতে পারলেই যাতে হয়তো ঘুরে দাঁড়াবে স্যার আমার যেটা বিশ্বাস আর আমরা যারা নিরপেক্ষ তাঁদের সবাই জুজুর ভয় দূর করা যায় কিভাবে?
এই ব্যাপারে যদি 1:00 পরিকল্পনা করে আমরা কীভাবে কাজ করি তখন তো চায় না। সরকার যদি হয় ব্যাপারে উনি উন্নয়নের জন্য চাই ওনারা চাইছেন যে আমি আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যান আওয়ামী লীগের গ্রাউন্ডে চলে গেলে ওদের জন্য ভালো হয় কারন যোজনার অর্ডার সাথে সাথে নিয়ে আসতেন।তাহলে মত জাস্টিস হতো না এবং আওয়ামী লীগের যারা কিনা
