সবচেয়ে ধনী তেলুগুর এই ফিল্মি পরিবার!
একজন দুজন 91 পরিবারই নয়, সুপারস্টার আল্লু আর্জুন রাম চরণ, চিরঞ্জীবী সহ তেলুগু ইন্ডাস্ট্রির নামী দামি অনেক তারকাই এই পরিবারের সদস্য যাঁদের কাছে হার মানবে বলিউডের যে কোনও পরিবারও খান বচ্চন কিংবা কাপুর৷ নয়, ভারতের সবচেয়ে ধনী পরিবার টালিউডের এই আলু কনিদেলা পরিবার যাদেরকে মেগা ফ্যামিলিও বলা হয় তেলেঙ্গানা রাজ্যে এই পরিবারের সবাই যেন বক্স অফিসের রাজা গোটা এক ইন্ডাস্ট্রি হারযেন তারাই ধরে রেখেছে শুধু এক এইপরিবারে অবদানে।বক্স অফিসে 1000 কোটি টাকার ব্যবসা হয়। প্রতি বছর চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন নয় সুপারস্টার আছেন৷ এই এক পরিবারে কী ভাবে একই পরিবার থেকে বেরিয়ে এল এত তারকা টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁদের প্রভাবই বা কতটা সিনেমার দারুণ ব্যবসা ভারতে ভারতীয় সিনেমার কদর আছে৷ গোটা বিশ্বে তাই ভারতের নানা ইন্ডাস্ট্রিতে প্রভাবশালী অনেক তারকা তৈরি হয়েছে। এমনকি বেশ কিছু পরিবার হয়ে উঠেছে তারকাবহুল ও প্রভাবশালী অনেক পরিবার আছে যারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম সিনেমার কাজের সঙ্গে যুক্ত এক প্রজন্ম রাজ করার পর সেই পরিবারই আরেক প্রজন্ম এসে কাজ করছে এই পরিবারগুলো।ভারতীয় সিনেমাকে অনেক সুপারস্টার দিয়েছে। কিন্তু জানেন কি ভারতের সবচেয়ে ধনী চলচ্চিত্র পরিবার কোনটি?
অনেকে হয়তো বচ্চন পরিবারের কথা ভাববেন। অনেকের মাথাতে কাপুর বা খান পরিবারের কথাও আসতে পারে। তবে সব ছাপিয়ে ভারতের সবচেয়ে ধনী চলচ্চিত্র পরিবার হচ্ছে আলু কনিদেলা পরিবার, তেলুগু ইন্ডাস্ট্রিতে যাঁদের একচ্ছত্র আধিপত্য একাধিক প্রজন্ম যে আধিপত্ব বিরাজ করে রেখেছে৷ আর এটা কে বানিয়েছে সবচেয়ে ধনী সিনেমা পরিবার টলিউডের এই পরিবারকে তেলাঙ্গানা রাজ্যের লোকেরা মেগা ফ্যামিলি হিসাবে আখ্যায়িত করেন অনেকের পছন্দের অভিনেতা আল্লু আর্জুন রাম চরণ একই পরিবারের সদস্য সম্পর্কে তারা মামাত ফুপাত।ভাই এই পরিবারের প্রথম ব্যক্তি যিনি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে প্রবেশ করেন, তিনি ছিলেন তেলুগু সিনেমার সবচেয়ে জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা ও নির্মাতা আলু রামালিঙ্গা। টলিউডে তিনি কিংবদন্তী সমতূল্য আলু রামালিঙ্গা 1950 সালে পুলু চলচ্চিত্র দিয়ে তার চলচ্চিত্র ক্যারিয়ার শুরু করেন। এরপর 1000 এরওবেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। ভারতীয় চলচ্চিত্র অবদানের জন্য তিনি 1990 সালে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত হন। এই আলু কনিদেলা পরিবারের অন্তত তিন প্রজন্ম চলচ্চিত্র সক্রিয় আলু রামায়ণের চার সন্তানের মধ্যে আলু ও রবিনকে একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা হয়ে ওঠে। আর আল্লু অরবিন্দের ছেলে আল্লু অর্জুন তাঁর অভিন।দক্ষিণ ভারতের পাশাপাশি উত্তর ভারতের মানুষের মন জয় করে ভারতের প্রতিটা রাজ্যে। এমনকী বাংলাদেশসহ বিশ্বের নানা দেশে তাঁর অজস্র ফ্যান পুষ্পা খ্যাত আর লোকজনের ঝুলিতে আছে অনেকগুলো হিট সিনেমা। এদিকে আলুর মালিঙ্গার মেয়ে সুরেখা বিয়ে করেন অভিনেতা চিরঞ্জিৎকে যিনি তেলুগু ইন্ডাস্ট্রির সর্বকালের অন্যতম সেরা তারকা মেগাস্টার শুধুমাত্র দক্ষিণ নয়৷ এক সময় ভারতীয় সিনেমার সবচেয়ে বড় সুপারস্টার হয়েছিলেন তিনি চিরঞ্জীবীর ছেলে রাম চরণ ও তাঁর বাবার মতোই দক্ষিণ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে সাফল্য অর্জন করে এবং সুপারস্টার হয়ে ওঠেন মাগাধীরা ট্রিপল আর সহ নানা ধরনের হিট সিনেমার মালিক রাম চরণ যাঁর ফ্যান সংখ্যাও অগুনতিতো রামচরণের চাচা ও চিরঞ্জীবীর ছোট ভাই পবন কল্যাণও ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম বড় তারকা। এমনকি ছিলেন যদিও পবনের ভাই নাগেন্দ্র বেশ নামী অভিনেতা। এখানেই শেষ নয়, নাগেন্দ্র বাবুর ছেলে বরুণ তেজ ও এখন জনপ্রিয় একজন অভিনেতা। আবার চিরঞ্জীবীর বোন বিজয়ের দুর্গার ছেলে শাহিদ ধরতে জো সিনেমা অভিনয় করছেন নিয়মিত৷ এর বাইরেও আরও অনেক নাম লিখিয়েছেন সিনেমায় আল্লু অর্জুনের ভাই আলু সিরিজ, ভারতের বোন নীহারিকা সহ এই পরিবারের আরও কয়েকজন তেলেগু ইন্ডাস্ট্রিতে পরিচিত মুখ শুধু একটি পরিবারের নিজস্ব পাঁচটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা সংস্থা রয়েছে। জানা যায়, মেগা পরিবারের সদস্যদের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ছয়2000 কোটি রুপির বেশি যা হার মানাবে ভারতের অন্য যে কোনও চলচ্চিত্র পরিবারকে এই পরিবারের চিরঞ্জিত ও রাম চরণ সবচেয়ে ধনী। তাছাড়া আলোর জন্য অনেক এগিয়ে থাকা রঙকে মেগা পরিবারের প্রতিটি সদস্য রয়েছে নিজস্ব ফ্যান বেস আছে নানা রেকর্ড।
