ডঃ ইউনুসের ৩ বিপদ ! ৪ আপদ ! ১০০ মুসিবত !
আমার সামনের দর্শক আজকের যে শিরোনামটি ব্যবহার করেছি।আধ্যাত্মিক টাইপের আলোচনা ডক্টর মহম্মদ ইউনুসের বিপদ।চার আপত্ এবং একশ মুসিবত।একশ মুসিবত যে শব্দটি সেটি মূলত 1:00 আনসার্টেইন অর্থাৎ অনির্ধারিত একটি সংখ্যা বোঝানোর জন্য বলা হয়েছে।আর আর বিপদ।এবং আপদ।তিন বিপদ চার আপদ।এটাও 1:00 রূপক অর্থে আপনারা জানেন যে বিপদ মুসিবত এবং আপদ বলতে কী বোঝায়?
অর্থাৎ আপনি যখন একটি কর্মকাণ্ড করেন।দেখুন 1:00 কর্মকাণ্ড করেন।এবং সেটি ভুল হয়।ভ্রান্তি হয়। ভুল হয়।এবং ভুলের মধ্যে কতগুলো ভুল হয় ইচ্ছাকৃত।কতগুলো ভুল হয়। অভিজ্ঞতা প্রসূত।কতগুলো ভুল হয় যাকে বলা হয়।ইচ্ছাকৃত নয়।মানে আপনি এই ভুলটা করবেন 1:00 ডিটারমাইন্ড যে আপনি কখনও সুযোগ পেলেই এই ভুলগুলি করবেন না। এই কাজগুলো আপনি করবেন এবং সেই করবেন ফলে।আপনার জীবনে অপ্রত্যাশিত।ভয়ঙ্কর 1:00 পরিবেশ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সেটা হল বিপদ।আর আপদ হল সেই জিনিস যেটা হল যে আপনি।অনেকগুলো বিষয় বস্তু।আপনার সঙ্গে ধারণ করেন।বহন করেন মাথায় নিয়ে ঘোরেন চারপাশে বসে বসিয়ে রাখেন যেগুলো আপনার জন্য মোটেই উপকারী নয়।অধিকাংশ এগুলো বিরক্তিকর।এগুলো আপনার জন্য বোঝা।এবং আপনার কাজের গতি কমিয়ে দেবে।এবং আপনাকে লোকজনের সামনে ছোট করে তুলবে।এগুলো আমরা সাধারণত আপদ বলি।তিন নম্বর হলে মুসিবত।বসে পড়তে হল।প্রকৃতি প্রদত্ত।অসহযোগিতা।আপনি যখন ভালো কাজ করবেন তখন প্রকৃতি আপনার জন্য অবারিত।তাঁর যে দান তার যে ভালোবাসা ও সহযোগিতা এটা অবহিত করে দেওয়া হয় প্রকৃতির পক্ষ থেকে।প্রচণ্ড গ্রীষ্মকালে আপনি একটি গাছের নীচে দাঁড়ালেন।কোথাও বাতাস নেই। আপনি ভালো মানুষ।আল্লাহর প্রিয় বান্দা দেখবেন।আপনার গাছের ডালটা দুলছে।আপনি বাতাস পাচ্ছেন?
প্রচণ্ড রুদ্র। সবাই ঘামছে।আপনিও ঘামছেন সবার তৃষ্ণা পেয়েছে কিন্তু আপনার তৃষ্ণা পাবে না।আপনি 1:00 গাছের নীচে বসে আছেন৷ কথা নেই বার্তা নেই 1:00 সাপ চলে আসো।চারপাশটা পাখি এসে আপনার গায়ে পাখা করে দিল।এগুলো সব মুসিবত কিন্তু আপনি গাছের নিচে বসে আছেন চমৎকার 2:03 পাখি আসলো 4:05 প্রজাপতি আসলো।10:12 ফড়িং আসলো।এসে আপনার সামনে এমন নৃত্য শুরু করল এমন গান শুরু করল আপনার কর্ণকুহরে ঠিক যে রিদম তৈরি হল আপনার চোখ জুড়িয়ে গেল আপনার অন্তর ঠান্ডা হয়ে গেল এটি প্রকৃতির পক্ষ থেকে আপনাদের আশীর্বাদ।আর উল্টোটা হলে সেখানে মুসিবত।তাঁর মতে, এই সময়টিতে এসেছেন। আসার ফলে তার অনেকগুলো বিপদ অনেকগুলো আপদ অনেকগুলো মুসিবত।চলে এসেছে, আমি পৌঁছে তাঁর বিপদের কথা বলি।এখানে তিনটার কথা বলছি তিনটার কথা না বলে আমি আমার মতো করে বলে যায় 3:00 4:00 হতে পারে 5:00 হতে পারে।তাঁর এক নম্বর বিপদ হল যে, আমরা তাকে বিশ্বমানব হিসেবে সম্মান করেছি। মর্যাদা দিয়েছি।এবং তিনিও ভাবেই নিজেকে উপস্থাপন করেছেন।সারা দুনিয়া চষে বেড়িয়েছেন।বিখ্যাত বিখ্যাত মানুষের সঙ্গে ছবি তুলছেন। আবার সেগুলো 10 হাতে প্রচার করেছেন।বললেন, আমাদের কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যে।অনেক বড় জায়গায় যাওয়ার সুযোগ হয়েছে।আমি কী বলব আমার নিজের কথাই বলি।পাঁচ বছর সংসদ সদস্য হিসাবে।ইউরোপ আমেরিকার ক্ষমতা সর্বোচ্চ জায়গাগুলো।যাওয়ার সুযোগ হয়েছে বসার সুযোগ হয়েছে এক সাথে বৈঠক করার সুযোগ হয়েছে।এবং কোলাকুলি করার সুযোগ হয়েছে। কিন্তু 1:00 ছবি তোলার মতো।যাকে বলা হয় প্রবৃত্তি হয়।কোনও জায়গাতে না কোথাও 1:00 ছবি তুলি।জাপানে রাজপ্রাসাদে গিয়ে ছবি তুলে নিই হোয়াইট হাউসে গিয়ে ছবি তুলে।কোনও কংগ্রেসম্যানের সাথে না আমেরিকার প্রেসিডেন্টের সাথেও না।শেখ হাসিনার সাথে আমার কোনো ছবি নেই।কারও সাথে।কোনও লোকের সাথে আমি কখনও ছবি তুলিনি। প্রয়োজন মনে করিনি প্রচারও করিনি লিখেও নাই এটা হচ্ছে কিন্তু অনেক মানুষ দেখা গেল যে একজন সেলেব্রিটির সঙ্গে ছবি তুলে সেটা আবার টাঙিয়ে রাখবে পুরো অফিস ঘরে তো ডক্টর মুহম্মদ দিয়েছেন যে অভ্যাস সেটা হল ওনার সাথে জারি এরকম বিখ্যাত লোকের সাথে দেখা হচ্ছে সাক্ষাৎ হয়েছে।এটাকে তিনি বিশাল করে প্রচার করেছেন।তার পর বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সাক্ষাৎকার দিয়ে।তার পর সে বিশাল যেমন ধরুন আমার কথাই বলি আমি 2000 নয়, সাল থেকে পত্রপত্রিকায় লিখে যাব। তা হল 60,00,000 শব্দ লেখা হয়েছে।পত্রপত্রিকা এবং সবই বহুল পঠিত। নয়া দিগন্ত বাংলাদেশ প্রতিদিন যুগান্তর।এই সকল পত্রিকা লিখেছে এবং এই পত্রিকাগুলো থেকে আবার যা লিখেছে সেগুলো বই আকারে ছাপা হয়েছে এবং প্রত্যেকটা বই 1,00,000 কফির উপরে মোট 20:00 বই 1,00,000 কফির উপরে 1:00 বই ছাপা হয়েছে 1:00 বইয়ের উদ্বোধন অনুষ্ঠান করিনি।1:00 বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান করেন 1,00,000 কফিগিয়ে দেখেন অন্য প্রকাশনা থেকে আমার বই প্রকাশিত হয়েছে 20 টির মত বই এবং সবগুলোই আবার এই পত্রিকায় লেখা গুলো কম্পাইল করা বই আলাদা কোন মৌলিক বই নয় তো পত্রিকা যখন 1:00 লেখা ছাপা হয় 50,00,000 1,00,00,000 থেকেলোক পড়েছে আবার সেই বই যখন বই আকারে ছাপা হয় সেখানে 1,00,000 দেড়লাখ 2,00,000 আমার মুঘল হারেম ওটা না হলে 10,00,000 কপি বিক্রি হয়েছে।কিন্তু 1:00 বইয়ের কোনও প্রকাশনা উৎসব করিনি। একদিন বইমেলায় যায়নি। কোথাও কাউকে অটোগ্রাফ দেয়নি।কিন্তু মানুষের দেখা গেল ছোট্ট 1:00 কবিতা লিখে ওরে বাবা গাল বাঁকা করে ঘাড় বাঁকা করে সে কবি কবি ভাব নিয়ে চলবে। এটা আমার ভিতর হয়নি কখনও। কিন্তু জন্য এর মধ্যেই যে বিশ্বমানব হয় নিজেকে বড় দেখার অনেক কিছু করার তাঁর বিরুদ্ধে যে প্রত্যেকটি সেগুলো করে তিনি যখন আমাদের রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসছেন।আসার পর আমরা দেখলাম যে না সে গ্রামীণ ব্যাঙ্কের বাইরে যেতে পারেননি।তাঁর মনমানসিকতা, চিন্তা চেতনা গ্রামীণ ব্যাঙ্ক কেন্দ্রিক৷।তিনি গ্রামের মেয়ে৷ ভালোবাসেন। ফলে ফ্রান্স থেকে বাংলাদেশে এসে ক্ষমতা গ্রহণের আগেই তাঁর লাভজন লোকজন গ্রামীণ ব্যাংক দখল করে ফেলেছে। গ্রামীণ ব্যাংকের।সেই যারা।কর্তাব্যক্তি তাঁরাই এখন তার সঙ্গে সাথে।তার পর একই সাথে যাদের ব্যবসা বাণিজ্য সম্পর্ক তাঁরা এখন সরকারের।গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং এটাই তার সবচেয়ে বড় বিপদ এবং।বাড়ছে বিপত্তি।তাঁর দ্বিতীয় যে বিপদ সেটি হল তিনি তার আঞ্চলিকতার বাইরে যেতে পারেননি। চট্টগ্রামের বাইরে যেতে পারেননি এবং চট্টগ্রাম থেকে তারা যার সহপাঠী তার গ্রামের লোক। তাঁর এলাকার লোক সবাইকে তিনি এই সময়টিতে কাছাকাছি নিয়ে এসেছেন।আর তার তিন নম্বর বিপদ হল।তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে শুরু করে পশ্চিমাদের সাথে তার সম্পর্ক।এই সম্পর্কটিকে এখনও তিনি মেট্রো লাইট করতে চান।এখানে তিনি এখনও বুঝতে পারছেন না যে তিনি 18,00,00,000 মানুষের।বিশ্বাস ভালোবাসা প্রতিভূরূপে রাষ্ট্র ক্ষমতায় বসেছেন।কাজেই তার কোন কিছু দরকার নেই। সারাদিনে এত কাল তিনি যাদের পিছনে ছুটছেন।এবং যাদের সাথে এক কাপ চা খাওয়ার জন্য 1:00 সংবর্ধনা নেওয়ার জন্য।1:00 তাদের সাত।বন্ধুত্ব রক্ষা করার জন্য অনেক অর্থ ব্যয় করেছেন। এগুলো কিছুই এখন তাঁর দরকার নেই। সারা দুনিয়ার পিছে ঘুরে। কিন্তু তিনি সেটা না করে তিনি তাঁর সেই সাবেক যে মন মানসিকতা সেই মনমানসিকতা তাই তিনি।এখনও পরিচালিত হচ্ছে এবং এই জিনিসগুলো একে একে তার জন্য মারাত্মক বিপদ দেখে নিয়ে আসবে।এর ফলে তাঁর চারটি আপনাদের কথা।তারপর শুরু হল তাঁর নতুন পলিটিক্স রাজনীতি সম্পর্কে।তাঁর যে অভিজ্ঞতা।এটি এক নম্বর।আপদ।ভিন্ন মনে হলো যে তিনি এই আপদ কাটানোর জন্য।যোগ্য এবং অভিজ্ঞ লোকদের কে ডাকতে পারতেন। বন্ধু বানাতে পারতেন, পাশে রাখতে পারতেন তিনি৷ সেই জিনিসটা করছেন না তিনি। বরং ভয় পাচ্ছেন রাজনীতিবিদদেরকে এবং তাদেরকে দূরে সরিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন এবং তাদের সাথে বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে তিনি সম্পর্ক স্থাপন করার চেষ্টা করেন। বৈঠক করেন কিন্তু খুবই অ বন্ধুসুলভ বা মনোভাব নিয়ে এটি তাঁর দ্বিতীয়।আপদ।এর ফলে তিনি যে ছাত্রদের কে তিনি প্রশংসা করছেন।এবং ছাত্রদের 1:00 অংশকে কাছে রাখার চেষ্টা করছেন।এবং শাক্ত দেখে খুশি করার জন্য তিনি বিভিন্ন রকম বক্তব্য তিনি পেশ করেছেন। এটা তাঁর আপত্তি।তিন নম্বর আপদ।চার নম্বর এর এযাবত্ সেই আপদ সেটা হল তিনি কোনও অবস্থাতেই।কোনও অবস্থাতেই বাস্তবতা তিনি বুঝতে পারছেন না।বাংলাদেশে যা আসলে কী ঘটেছে তার জীবনে কী ঘটেছে?
এটা যেমন তিনি মূল্যায়ন করতে পারছেন না। আর এই মুহূর্তে সারা বাংলাদেশে ঘটে চলেছে।তিনি শুনছেন বটে, কিন্তু প্র্যাকটিক্যাল লি তিনি বুঝতে পারছেন না।ফলে কী হল তাঁর রাষ্ট্র পরিচালনা, সে রাষ্ট্রপরিচালনা অনেকটা হযবরল হয়ে পড়েছে। তিনি পূজা মণ্ডপে গিয়ে কথা বলছেন।সেই কথার সঙ্গে তার।বিশ্বাস আর আস্থা ভালোবাসা লেখাপড়া এর কোনো কিছুর।ধারাবাহিকতা।তার পর তিনি যখন রাজনীতিবিদদের সঙ্গে কথা বলছিলেন, তিনি যখন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন।তিনি যখন মালয়েশিয়ায় প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলছেন, মানে সবকিছুতেই আমরা কোনো ধারাবাহিকতা লক্ষ্য করতে পারছি না।আর যদি আপনি হয় মুসিবতে কথা বলেন প্রকৃতি প্রদত্ত নুসরতের কথা বলেন।সেক্ষেত্রে মনে হচ্ছে যে প্রকৃতি তার সকল উপকরণগুলো ডক্টর মহম্মদ ইউনুসের বিরুদ্ধে লাগিয়ে দিয়েছেন ঝড়।অতিবৃষ্টি।বন্যা।ইত্যাদি তো লেগেই আছে একটার পর 1:00।এর পর মানুষের অশান্ত মনকে যে প্রত্যেকটা মানুষের মনে এখনও অশান্ত।কোনও মানুষ স্থির ভাবে কোনও কিছু চিন্তা করতে পারছে না। স্থির ভাবে কোনও কিছু ভাবতেও পারছে না।এবং স্থির ভাবে কোনও কিছুর প্রতি নিবিষ্ট থাকতে পারছে না।মাত্র দু মাস হল ডক্টর মমতার সরকার যে ভাবে তার প্রতি বিশ্বস্ত থাকা দরকার, যে ভাবে তার প্রতি ধৈর্য ধারণ করে তাকে সহযোগিতা করা দরকার।সেটা কেউ পারছেন না বরং ক্রমশ তিনি বন্ধুহীন হয়ে পড়ছেন।তাঁর একান্ত কাছের যারা লোকজন ছিল দীর্ঘদিন ধরে সেই শেখ হাসিনার সেই 2000 নয় থেকে 2024 সালের সেই।আগস্ট মাসের পাঁচ তারিখ পর্যন্ত যাঁরা তাঁর জন্য অন্ত প্রাণ ছিলেন।তার জন্য বলতে গেলে জীবন দিতে রাজি ছিলেন 1000 1000 লাখ লাখ মানুষ।তিনি তাঁদের কারও খোঁজ খবর নিতে পারেননি নেননি এবং তাদের 1:00 বিরাট অংশ ইতিমধ্যে একেবারে প্রকৃতির কারণে।মুসিবত হিসাবে দেখা দিয়েছে বড় সাংবাদিক, বড় সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী।থেকে শুরু করে আরও অনেকেই যাঁরা এখন কন্ডিশনের জন্য সাপোর্ট করতেন।এই সব লোকগুলো এখন তার যেন ঘুমের হয়ে পড়েছে হাতে গোনা 21 জন এখন পর্যন্ত আছেন। কিন্তু তাঁদের কথাবার্তা এখন ইচ্ছা করলে তারা ড। ইউনূসের পক্ষে কথা বলতে পারছে না। এর কারণ হল প্রকৃতি ইউনূসের বিরুদ্ধে চলে গেছে।এর পর ধরুন মানুষের মনের পরে বিশ্ব।দুনিয়াতে যারা।বাংলাদেশের সাথে উন্নয়ন সহযোগী তাদের যে নিরঙ্কুশ সহযোগিতা দরকার।ঠিক সেই সহযোগিতা তিনি পাচ্ছেন না। প্রচার করা হচ্ছে বিশ্বব্যাংক এটা করবে আমেরিকা ওটা করবে ইউরোপ ওটা করবে সংযুক্ত আরব আমিরাত টেলিফোন পেয়ে ওটা করে দিয়েছে আনোয়ার ইব্রাহিম। বাংলাদেশে শেষে 17,000 লোক নিয়ে গিয়েছে তো এই বিষয়গুলো নতুন কিছু নয়৷ নতুন কিছু নয় এবং ইউনূসের জন্য মৌলিক কিছু ঘটেনি।যাঁরা রাজনীতি বোঝেন, কূটনীতি বোঝেন, তাঁরা যদি আসল ঘটনা জানতে চান৷ বুঝতে চান তাহলে এইযে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আছেন শহিদ।তাঁর বক্তব্য শুনেই বুঝতে পারবেন যে, ডক্টর মহম্মদ ইউনুসের যে পররাষ্ট্রনীতি এবং তাঁর কূটনীতি এই মুহূর্তে কতটা নড়বড়ে অবস্থায় আছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিভিন্ন নিয়োগ বদলি থেকে শুরু করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সচিবালয় যা কিছু হচ্ছে সব কিছুই আমার কাছে মনে হচ্ছে। ডক্টর মহম্মদ ইউনুসের জন্য মুসিবত হিসাবে দেখা দিয়েছে।এর পর আমাদের জাতীয় উৎপাদন।জাতীয় উৎপাদন।সে উৎপাদনের 1:00 বিরাট অংশ কৃষি থেকে আসে বেশ কয়েকটি বন্যার কারণে।কৃষিতে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।এবং আগামী বছর আমাদের খাদ্যশস্য যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা ছিল।এটি কোন পর্যায় থাকবে, কতটা খাদ্যশস্য আমদানি করতে হবে। আমরা এখনও পর্যন্ত জানি না।এরপর একটার পর 1:00 ঘটনা ঘটছে।বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের 2:02 জাহাজ পুড়িয়ে দেওয়া হল বা পুড়ে গেল।আগুন ধরে গেল এগুলো কিছু ভোট আছে নাকি এগুলো আওয়ামী লীগ করেছে?
নাকি কেন এমনি এমনি ঘটেছে না প্রকৃতি এই ঘটনাগুলো ঘটিয়ে ডক্টর মতে রোজ 1:00 সিগন্যাল দিতে চাচ্ছেন। এই জিনিসগুলো আমরা বুঝতে পারছি না।ডক্টর মুহম্মদ ইউনুসকে হঠাৎ করে বিশ্বের একশোজন না পাঁচশ জন প্রভাবশালী মুসলমান হিসেবে আমেরিকার একটি বাসনা প্রতিষ্ঠান না সংগঠন তারা ঘোষণা করেছে।এখন ড। মোহাম্মদ ইউনুস।ভাল মানুষ শিক্ষিত মানুষ বিখ্যাত মানুষ কিন্তু উনি একজন প্রভাবশালী মুসলমান।এটা অ্যামেরিকান ওই প্রতিষ্ঠানকে কে বলল?
তিনি কয়েকবার আমরা করেছেন।কয়েক 12 হজ করেছেন কতবার কোরআন শিখতে লাভ করেছেন কুরআনের কয়েকটি আয়াত কুরআন মুখস্থ আছে।ধর্ম কর্ম সম্পর্কে ওনার ব্যক্তিগত জীবনে ইনসানিয়ৎ মানবতা বলতে যেটা বোঝায় বা ধর্ম বলতে বোঝায়। রিলিজিয়াস না বলছিস বুঝায়। আর ইসলামী যে সব বলতে যা বোঝায় এটি কয়েকটি নমুনা আমরা দেখতে পেয়েছি।তিনি কয়েকটি দাতব্য সংস্থা চালান।তাঁর কথায়, এতিমখানা আছে। কয়টি মাদ্রাসা আছে কয়েকটি মসজিদ। তিনি করেছেন বছরে কত টাকা যা খাবেন গরিব মানুষের কত সহযোগিতা করেন তো এই বিষয়গুলো আমরা না জানা সত্ত্বেও আমরা জানি না। কিন্তু আমেরিকা লোকজন ঠিক জেনে গেছে এবং তাকে এক সোনা পাঁচশ জন প্রভাবশালী মুসলমানদের মধ্যে একজন করে দিয়েছে। এখন সেই মুসলমান তিনি হয়েছেন হওয়ার পর তিনি এখন আবার হিন্দু পূজা মণ্ডপে গিয়ে দেবীর প্রশংসা করছেন। তখন লোকজন ট্রোল করছেন, ঠাট্টা করছে তার জন্য 1:00।মুসিবত ছাড়া আর কিছু নয়। এখানে অসংখ্য মুসিবত অসংখ্য মুসিবত প্রতিদিনই নিত্যনতুন রূপ নিয়ে তাঁর দরবারে হাজির হচ্ছে। তার বাসার চারিদিকে ঘেরাও করছে এবং মেঘ হয়ে তার চারিদিকে সেই গুড়গুড় করে আওয়াজ করছে। আর সেই আওয়াজ এর ফলে।অসংখ্য গুজব একেবারেই গুজব। আজ যমুনাতেই হয়েছে কাল যমুনা থেকে এটা হয়েছে পরশুদিন সেনাপ্রধানের সাথে এটা হয়েছে। তার আগের দিন সারা দেশের সাথে হয়েছে৷ তার পরের দিন সমন্বয়ের সাথে হয়েছে৷ এই যে যেসকল গুজব ছড়িয়ে পড়ছে এগুলো কোনও অবস্থাতেই ডক্টর মানুষের জন্য শুভফল বয়ে নিয়ে।আসবে না।আমি একজন সাধারণ মানুষ।আমি শুধুমাত্র উভয়ের বিরুদ্ধে মানুষটির জন্য ধোঁয়া করতে পারি।তার সভাপতি হিসাবে তার মঙ্গল কামনা করতে পারি এবং তাঁর জন্য প্রার্থনা করতে পারি। আল্লাহ তাকে যেন হেদায়েত দান করেন। সালামু আলাইকুম। রহমাতুল্লাহ।
