বিচারের মুখোমুখি গুগল কি ভেঙে দেয়া হবে?
বিচারের মুখোমুখি গুগল কি ভেঙে দেয়া হবে?
গুগল সারা বিশ্বে প্রতিদিন পাঁচ বিলিয়ন মানুষ কোনও না কোনও কাজে গুগলের একাধিক সার্ভিস ব্যবহার করে থাকে।অর্থাত্ বিশ্বের সকল ইন্টারনেট ইউজারের মধ্যে 90 শতাংশের বেশি মানুষ গুগলের ওপর কোনো না কোনোভাবে নির্ভরশীল।যা দুই ট্রিলিয়ন ডলার ফেলেন গুগলকে এনে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট৷ পাওয়ার
গুগল সারা বিশ্বে প্রতিদিন পাঁচ বিলিয়ন মানুষ কোনও না কোনও কাজে গুগলের একাধিক সার্ভিস ব্যবহার করে থাকে।অর্থাত্ বিশ্বের সকল ইন্টারনেট ইউজারের মধ্যে 90 শতাংশের বেশি মানুষ গুগলের ওপর কোনো না কোনোভাবে নির্ভরশীল।যা দুই ট্রিলিয়ন ডলার ফেলেন গুগলকে এনে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট৷ পাওয়ার যে কারণে গুগল যদি তাদের সার্চ রেজাল্টের কোয়ালিটি কমিয়ে ফেলে৷ তারপর ইউজারদের কাছে সুইচ করার মতো ব্যাপার কোনও অল্টারনেটিভ না থাকাতে বাধ্য হয়ে গুগল ব্যবহার করে যাবে এমনটাই পাওয়া গেছে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ জাস্টিসের 2020 সালেগুগলের বিরুদ্ধে করা একটি মামলার কোর্ট প্রশাসন থেকে সার্চ ইঞ্জিনে গুগলের মনোপলি বিরুদ্ধে করা এই মামলায় সম্প্রতি কোম্পানির আনএথিকাল বিজনেস দুই এবং অ্যাক্টিভিটির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।এছাড়াও সার্চ ভিত্তিক এক বিশ্ব কোম্পানির মোনোপলি ক্রিকেট করেছে এই মর্মে আরও একটি মামলা চলমান আছে। কোম্পানির বিরুদ্ধে যে সব মামলায় হেরে গেলে গুগলের মনোপলি ভাঙার জন্য ভেঙে ফেলা হতে পারে কোম্পানিটিও।আদৌ কি এমনটা হওয়ার কোনও সম্ভাবনা আছে?
জানাব আমাদের আজকের ভিডিও তে।সারা বিশ্বে প্রতিদিন পাঁচ বিলিয়ন মানুষ কোনও না কোনও কাজে গুগল ব্যবহার করে সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও ইমেল ইন্টারনেট ব্রাউসার অ্যান্ড্রয়েড ক্লাউড স্টোরেজ থেকে শুরু করে অসংখ্য সার্ভিসের মাধ্যমে আমাদের জীবনে গুগল এর প্রভাব অকল্পনীয়। কিন্তু গুগলের এই প্রভাবের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই কোম্পানির বিরুদ্ধে মনোবলের অভিযোগ আছে।যার প্রেক্ষিতে 2020 সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ বা ডিপার্টমেন্ট অফ জাস্টিস গুগলের বিরুদ্ধে প্রথমবারের মতো অ্যান্টিট্রাস্ট ল এর অধীনে মামলা দায়ের করে। এই মামলাতেই গুগলের বিরুদ্ধে সার্চ ইঞ্জিনে একচেটিয়া আধিপত্য এবং কম্পিটিশন পার করার অভিযোগ দায়ের করা হয়৷ 2024 সালে রোলিং অনুসারে মনোপলি মেনটেন করার জন্য প্র্যাক্টিসে দায়ে অভিযুক্ত হয় গুগল। যদিও এই মামলার বিরুদ্ধে আপিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছে কোম্পানিটি। তবে এই মামলার রায় হওয়ার আগে 2023 সালে গুগলের বিরুদ্ধে।ডিজেল ফাইল করা সেকেন্ড লটে অভিযোগ করা হয় গুগল এক সিস্টেমের বিভিন্ন অংশ যেমন অ্যাপ, প্ল্যাটফর্ম আর এক্সচেঞ্জ এবং এ দিন তৈরিতে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে আনফেয়ার অ্যাডভান্টেজ পেয়েছে।এ ছাড়াও মন্ত্রীর মাধ্যমে বাজারে প্রতিযোগিতার ব্যবসা বন্ধ করতে দিচ্ছে না। এই মামলাটি এখনো চলমান রয়েছে ও 2020 সালের মামলায় গোলে হেরে যাওয়াটা এই মামলায় বড় একটি ইমপেক্স হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।ইনফ্যাক্ট এই মামলাতেও হেরে গেলেও ইউএস অথরিটি গুগলের বিজনেস ক্লাবে বিভিন্ন ভাগে ভেঙে ফেলতে পারে। এই ধরনের কথাও শোনা যাচ্ছে যাবে মার্কিন ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম অ্যান্টিট্রাস্ট পদক্ষেপ। গুগলের ভবিষ্যতে যদি এমন কিছু থাকে তাহলে তা সাধারণ মানুষের জীবনে কিংবা ছোট থেকে বড় সব ধরনের বিজনেস উপর কিন্তু এক খেলবে তা অচিন্ত্য নেই বলা যায়। তবে শেষ পর্যন্ত গুগলের ভাগ্যে কী হবে তা নির্ভর করবে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের উপর।কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায় গুগল কি আসলে ভেঙে যাবে?
যার জন্য আগে জানা উচিত গুগল এর বিরুদ্ধে করা অ্যান্টিট্রাস্ট ল স্যুট আসলে কী?
অ্যান্টিট্রাস্ট আইন মূলত মার্কেটে কম্পিটিটিভনেস এবং ফেয়ার প্লে নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহার করা হয়।ইউএসএ তে অ্যান্টিট্রাস্ট ল মূলত আঠারোশো 90 সালে প্রণীত সামনে আট 1914 সালে প্রণীত ক্লেটন একশ। 1914 সালে প্রণীত ফেডারেল ট্রেড কমিশন এক এই তিনটি আইনের ওপর বেস করে প্রতিষ্ঠিত এই তিনটি আইন মার্কেটে বিকাশ প্লেয়াররা একজোট হয়ে প্রায় ফিক্সিং এমন দুই বা ততোধিক ব্যবসার মধ্যে মার্জার বা অ্যাকসেশন যা মার্কেটের অন্য ব্যবসায়ীদের বিজনেস এর জন্য হুমকিস্বরূপ এবং মনোপলি ক্রিয়েট করে থামাতে প্রমাণ করা হয়েছিল। গুগল এর ক্ষেত্রে এই আইন প্রয়োগের মূল উদ্দেশ্য হল সার্চ ইঞ্জিনের একচ্ছত্র আধিপত্যের মাধ্যমে কোম্পানিটির ডিজিটাল অ্যাড্রেস মুম্বই ক্রিকেট করেছে।তা ব্রেক করা এবং প্রতিযোগিতার সুযোগ বাড়ানো এবং স্ট্যান্ডার্ড অয়েলের মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলো এ ধরনের অ্যান্টিট্রাস্ট মামলার মুখোমুখি হতে হয়েছিল এবং ফলশ্রুতিতে ওই দুই কোম্পানিকে ভেঙে দেওয়া হয়েছিল।এর মধ্যে সত্তরের দশকের মাঝামাঝি থেকে আশির দশকের মধ্যে এটি একটি লিগ্যাল প্রসেস কমপ্লিট হয় এবং সাতটি ইন্ডিপেন্ডেন্ট রিজিওনাল কোম্পানি তৈরি হয়। আর স্ট্যান্ডে রয়েছে লিগ্যাল প্রসেস 19 থেকে 19 ও 20 এর দশক পর্যন্ত চলে এবং 30 টিরও বেশি ইন্ডিপেন্ডেন্ট কোম্পানি তৈরি হয়। এমনকি 90 দশকে মাইক্রোসফট এই আইনের মুখোমুখি হয়েছিল বলে নিজেদের রিপ্রেশন রক্ষার জন্য 1997 সালে প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাপলের দেড়শ মিলিয়ন ডলার ইনভেস্ট করে। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হয়নি কোম্পানিকে ভেঙে ফেলার না হলেও ব্রাউজারের জন্য মাইক্রোসফট মনোপলি ক্রিয়েট করতে না পারে সে জন্য বেশ কিছু রেস্ট্রিকশন দেওয়া হয়েছিল কোম্পানিকে।যার প্রেক্ষিতে ব্র্যাকেটে ক্রমশ যপের মতো ব্রাউজারগুলো আসতে পেরেছিল। যদিও এক সময় ক্রমের আধিপত্যের কাছে বাকিরা পিছিয়ে পায়। আর দুই যুগ পর ক্রমে ডেভেলপার গুগল এখন একই কাজ করায়।বর্তমানে প্রায় তিন বিলিয়ন ডিভাইসে চলছে। গুগলের মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ওয়েলস প্রায় 3.5 মিলিয়ন মানুষ। বর্তমানে তাদের বিভিন্ন ডিভাইসে ব্যবহার করছে। ক্রোম ব্রাউজারের।যে অ্যাকাউন্টের সূত্রে সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটে গুগল এখন প্রেসিডেন্টের 90 শতাংশের বেশি মার্কেট শেয়ার নিয়ে জেনারেল সার্চ মার্কেট নিয়ন্ত্রণ করে৷ এ সকল সার্ভিস এর মাধ্যমে গুগল এর ডমিন্যান্স ডিজিটাল দুনিয়ায় এক নজীরবিহীন পর্যায়ে পৌঁছে নিজেদের সার্চ ইঞ্জিনের ডমিন্যান্স বা মনোপলি ক্রিয়েট করতে বজায় রাখতে গুগল যেসব বিজনেস প্র্যাকটিস কনট্যাক্ট করেছে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ জাস্টিস মূলত এই বিজনেস গুলো নিয়ে কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ।ফরচুন ম্যাগাজিন সূত্রে গুগল 2021 সালে বিভিন্ন কোম্পানিকে 26.3 বিলিয়ন ডলার পে করে তাদের প্ল্যাটফর্মে গুগলকে ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে সেট করার জন্য 2022 সালে অ্যাপল এর সাথে চুক্তির আওতায় শুধুমাত্র এই কোম্পানিকে 20 বিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছিল, যাতে তারা সাফারি ব্রাউজারের ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে গুগলকে রাখে।অ্যাপল ম্যাক ডিভাইসের সাফারি ব্রাউজারে ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে গুগলকে রাখা দিলে 2002 সালে ফ্রিতে করা হলেও সময়ের পরিক্রমায় এই ডিল থেকে অ্যাপল গুগল কে চার্জ শুরু করে। কেননা স্টিভ জবস এর সময় থেকে আপেল সার্চ ইঞ্জিন ডেভেলপ করার জন্য কাজ করে আসছিল। কোম্পানিটি তাদের এই ডেভেলপমেন্ট চালিয়ে গেলেও গুগলের স্ট্রং কমপ্লিট হয়ে উঠতে পারে এই ধারণা থেকে। আর অ্যাপলের ডিভাইসের ডিফল্ট হওয়ার মাধ্যমে আরও বেশি কাস্টমারকে রিচ করতে পারবে এই আইডিয়া থেকে গুগল আপনাকে পে করা শুরু করে 2007 সালে আইফোন এবং 2010 সালে আইপি অ্যাড্রেসের মধ্যে দিয়ে আপনি যত নতুন ডিভাইস লাইনস করেছেততই গুগলের সাথে অ্যাপেলের সেলস আইস বলা হয়েছে। 2014 সালে অ্যাপল গুগলের কাছ থেকে এক বিলিয়ন ডলার পেয়েছিল অ্যাপল ডিভাইসে গুগলকে ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন রাখার বিনিময়ে যা মাত্র এক দশকের ব্যবধানে বেড়েছে 20 গুণ। শুধু অ্যাপলই নয়, গুগল মহিলাকে ফায়ারফক্স ব্রাউজারে এবং স্যামসাংকে তাদের নিজস্ব ডিভাইসে থাকা ব্রাউজারে ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে রাখার জন্য পে করেছিল। কাগজে কলমে ফায়ারফক্স ক্রমে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে পরিচিত হলেও বাস্তবে ফায়ারফক্স গুগল ফাইন্যান্স অপরের উপর নির্ভরশীল।
কারণ ফায়ারফক্স এর সার্চ 12 এ কিছু সার্চ করা হলে সেটা গুগলের সার্চে রিডিরেক্ট হয়2021 22 অর্থবছরে মহিলা ফাইন্যান্স স্টেটমেন্ট অনুসারে এই গ্রামের কারণে মোজিলা গুগল থেকে পাঁচশ 10 মিলিয়ন ডলার রোজগার করেছে যা কিনা তাদের টোটাল ঋণের প্রায় 86%।এই চুক্তির মাধ্যমে গুগল ব্রাউজারের মার্কেট ওনলি এড়ানোর জন্য কৌশলগত ভাবে মহিলাকেও টিকিয়ে রেখেছে যাতে তারা প্রতিযোগিতা আছে দাবি করতে পারে।ইনফ্যাক্ট আরও অনেক ডিভাইস মেকার এবং প্ল্যাটফর্মের সাথে কোম্পানীটির সিমির ডিলস আছে। এভাবে কোম্পানিটি সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটে নিজেদের মতো করে ক্রিয়েট করেছে এবং ডমিন্যান্স বজায় রাখছে। গুগল এর বিরুদ্ধে করা মামলার কোড ডকুমেন্টে গুগল এর একটি ইন্টারনাল রিসার্চ এর রেজাল্ট ফাঁস হয়। সেই ইন্টারনাল রিসার্চ অনুযায়ী কোম্পানীটি সার্চ ইঞ্জিনের কোয়ালিটির সিগনিফিক্যান্ট ভাবে কমিয়ে আনলেও ইউজারদের কাছে আর কোনও উল্লেখযোগ্য অল্টারনেটিভ না থাকায় ইউজাররা গুগল সার্চে ব্যবহার করা চালিয়ে যাবে।আর এতে করে সার্চ থেকে জেনেরেট হওয়া এক ভিডিওতে কোনও প্রভাব পড়বে না।অর্থাৎ প্রাক্কালে টি কমিয়েও ব্যবহারকারীদের হারানোর ভয় না থাকাটাই সিন্ডিকেট করে সারছেন। মার্কেটে গুগলের মনোপলি বিষয়টি আর জেনারেল সার্চ মার্কেটে গুগল এই ধরনের মন্তব্যের কারণে কোম্পানিটি সার্চ অ্যাডভার্টাইজিংয়ে মনোপলি ক্রিয়েট করতে পেরেছে। সালেগুগল শুধুমাত্র অ্যাড্রিনো থেকে প্রায় দুইশ 38 বিলিয়ন ডলার আয় করেছে যা কিনা ইউক্রেন কুয়েত মরক্কো ওমান এর মতো দেশগুলির জিডিপি র চেয়েও বেশি।অন্যদিকে ফেসবুকের প্যারেন্ট কম্পানি ম্যাটার টোটাল জুনিয়র 98.4% আসে অ্যাড্রিনো থেকে এক। 2023 সালে টোটাল ঐ ড্রেনেই ছিল একশ 31 বিলিয়ন ডলার। অর্থাত্ গুগলের চেয়ে একশ বিলিয়ন ডলার কম।2023 সালে মাইক্রোসফটের ছিল মাত্র 12.2 বিলিয়ন ডলার। সার্চ মার্কেটে নিজেদের বাড়াতে গুগল তাদের সার্ভিস এর প্রাইস গ্র্যাজুয়েট অল্প অল্প করে 12 সাধারণ অ্যাডভাইজাররা এই গ্র্যাজুয়েটকে কম্পিটিশনে 1:00 অংশ ভেবে সে ভাবে নোটিস পারে না। এভাবে কোম্পানিগুলো এই স্পেন্ডিং বাড়তে থাকে আর কোম্পানিগুলো এই স্পেন্ডিং সাপোর্ট করতে আল্টিমেটলি প্রোডাক্টের প্রাইস বাড়িয়ে থাকে তো আল্টিমেটলি গুগলের এই ধরনের বিশেষ প্র্যাকটিসের কারণে কনস্যুমার রাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আর এটা সম্ভব হয়েছে কেবলমাত্র সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটে গুগলের মনোপলি।রেশনের মাধ্যমে যদিও কিছু এক্সপার্টদের মতে গুগলের বিরুদ্ধে হওয়া মামলা মনোবল ভাঙার জন্য নয়, বরং একটি সফল বিশ্বাসকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্যই করা হয়েছে। তবে গুগলের আধিপত্যকে অস্বীকার করাও কঠিন। গুগলের সার্চ ইঞ্জিন এক প্ল্যাটফর্মে ব্রাউজারের ইন্টিগ্রেশন এমন একটি ইকোসিস্টেম তৈরি করেছে, যা প্রতিযোগিতার প্রবেশ করা কঠিন করে তুলেছে। ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ জাস্টিস এখন গুগলের মনোপলি ভাঙার জন্য প্রতিকার নিয়ে ভাবছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হতে পারে কোম্পানিকে ভেঙে ফেলা।এর অংশ হিসেবে গুগলের ক্রোম ব্রাউজার বা অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের মতো গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো বিক্রি করা হতে পারে। আবার গুগল নিজেই তাঁর ব্যবসার কিছু অংশ বিচ্ছিন্ন করতে পারে, যেমনটা এটিই করেছিল। এতে পুরো প্রক্রিয়ার উপর গুগল কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারবেন। কিছু বিশ্লেষক মনে করেন, গুগলকে ভেঙে ফেলা শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লাভজনক হতে পারে। কারণ এতে করে নতুন কোম্পানিগুলো ইন্ডিপেন্ডেন্ট এবং আরও কিছু শিল্পী কাজ করতে পারবে এবং আরও ফাস্ট হবে। তবে গুগল ভেঙে গেল প্রশ্ন থাকে। এদিকে কোম্পানির মোনোপলি ভাঙতে যথেষ্ট।গুগলকে ভেঙে বিভিন্ন সার্ভিস নিয়ে আলাদা আলাদা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলে মার্কেট কম্পিটিশন 12:01 সম্ভাবনা আছে এবং ছোট কোম্পানিগুলোর জন্য সুযোগ তৈরি হবে। অন্যদিকে গুগল ভেঙে গেলে ইনফেকশনের গতিও কমে যেতে পারে। কারণ এই কওন কম্পিউটিংয়ের মতো নতুন প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের জন্য গুগল একটি পাওয়ার হাউস গুগলে ভবিষ্যৎ যে অনিশ্চিত তা স্পষ্ট। তবে মাইক্রোসফট কিংবা অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে বোঝা যায়, রেস্ট্রিকশন কিংবা ভাঙন মানেই কোম্পানিটির মার্কেট ড্যান্সের শেষ নয়, বরং এটি গুগলের জন্য নতুন প্রতিযোগিতার মুখে একটি নতুন অধ্যায়ও হতে পারে।
