TODAY OFFER

ধীরে ধীরে একা হয়ে যাচ্ছে জামাত ! পড়তে যাচ্ছে ঐতিহাসিক বিপদের মধ্যে !

       




আসসালামু আলাইকুম রহমাতুল্লাহ আবর্তন সম্মানিত দর্শক।বর্তমান জমাতে জামায়াতের যে ভূমিকা।এবং তাঁদের চলাফেরা।তাঁদের যে জৌলুস তাঁদের যে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড।সব মিলিয়ে বাংলাদেশে  ঐতিহাসিক অবস্থা তৈরি করেছে।জামাতের যাঁরা নেতা কর্মী।তাঁরা ধরে নিয়েছেন যে, তাঁরা সম্ভবত ক্ষমতায় আসছেন।হয়তো একটু প্রলম্বিত হতে পারে এবং তারা সেই জিনিসটা চাচ্ছে। ড। মুহাম্মদ ইউনূস অন্তত দুই থেকে তিন বছর সময়।তিনি অতিবাহিত করুন। তার নেতৃত্বে সরকার পরিচালিত হোক।আর এই সুবাদে জামাত নিজেদেরকে তাঁরা গুছিয়ে নিক।উজ্জীবিত হোক এবং।আমার জন্য তাদের সমমনা ইসলামী দলগুলো রয়েছে।তাঁদের উপর তাঁদের 1:00 প্রভাব প্রতিষ্ঠিত হোক অথবা বন্ধুত্ব হোক।এবং এটা জামাতের অন্যায্য কিন্তু চাওয়ানো হয় এবং সেই চাওয়ার ফলে।আমরা ইতিমধ্যে তারা যে সকল সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড শুরু করেছে।তো সে সকল সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ব্যাপক বলে যাকে বলা হয় শোডাউন সব যেটি জামাত ইতিপূর্বে কখনও করেনি।যেমন দেখা গেল যে।জামায়াতের আমির অতি সম্প্রতি ঢাকার বাইরে একটি অনুষ্ঠান সম্ভবত ঝিনাইদহ বা সাতক্ষীরা অঞ্চল।সেখানে তিনি গিয়েছেন এবং সেখানে যে রক্ষণ সম্মেলন হয়েছে।বিশাল উপস্থিতি এবং যে ভাবে পত্রপত্রিকায় ঠিক ভাবে আসেনি। কিন্তু সামাজিক মাধ্যমে যে বিশাল প্যান্ডেলের ছবি এসেছে এবং জামাতে যাঁরা সমর্থক তাঁরা বলার চেষ্টা করছে এটা কোনও জনসভা নয়। এটি কর্মিসভা অর্থাৎ কর্মিসভার যে ব্যাপ্তি এটি জনসভার ব্যাপ্তি ছাড়িয়ে গিয়েছে এত মানুষ সেখানে উপস্থিত হয়েছেন।একইভাবে তিনি সেখানে গিয়েছেন এবং রাজকীয় সংবর্ধনা পেয়েছেন। তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে তাঁর গাড়িতে যেভাবে ফুল ছিটানো হয়েছে, অন্য কোনো আমি জামাত। ইতিপূর্বে এরকম কোন অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত হননি৷।ঢাকাতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যখন সম্মেলন হয়েছে।তারপর জামাতের একটি প্রতিনিধি। ইতিমধ্যে তুরস্ক ঘুরে এসেছেন। তুরস্ক ভ্রমণে আছেন।তো সেই ছবিগুলো যেভাবে এসেছে অর্থাৎ জামাত তাদের নিজেদের অফিসে যেগুলো ইন্টারনাল মিটিং৷ করছেন বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে বা অন্য মেহমানদের সঙ্গে আবার যখন বাইরে এখন রকম সম্মেলন করছেন সেখানে।পুরো হল ঘর।সেখানে যে ধরনের 1:00 রাজসিকতা।চলে এসেছে রাজকীয় 1:00 ভাব এবং 1:00 গাম্ভীর্য চলে এসেছে। এতে স্পষ্টতই জামাতের যারা নেতাকর্মী তারা ধরে নিতে পারেন বা বিশ্বাস করতে পারেন যে তারা 1:00 ঐতিহাসিক সময় পার করছেন এবং।জামাত ক্ষমতায় চলে আসছে তো যাই হোক এই হল জামাতের অভ্যন্তরীণ অবস্থা। কিন্তু বাইরে।যে সমস্যাটা সমস্যাটা হল।জামাতকে যদি রাষ্ট্রক্ষমতা আসতে হয়।তাহলে তাঁকে নির্বাচনের মাধ্যমে আসতে হবে।এবং সেই নির্বাচনে এখন আওয়ামী লীগ ধরুন আসলো না।এবং জামাত চাচ্ছে মনেপ্রাণে চাচ্ছে এবং জামাতের সাথে যারা সংশ্লিষ্ট তাঁরাও চাচ্ছে। আওয়ামী লীগ এই নির্বাচনে না আসুক কোনও ভাবেই আসুক।আর ইন্দু সরকার যারা ঘনিষ্ঠজন তারা উপড়ে কী বলছেন? 

ভিতরে কী বলছেন সেটা এখনও বোঝা যাচ্ছে না। তবে বদিউল আলম মজুমদার যিনি নির্বাচনী সংস্কার কমিটির প্রধান তার বক্তব্যে স্পষ্টতই তিনি বলছেন যে না কোনো কারণে যদি এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে না আসে আওয়ামী লীগ তাহলে নির্বাচন অশুদ্ধ হবে না।তাঁর এই কথায় স্পষ্ট যে, বাবারে তোমরা এই দফায় এসো না, দ্বিতীয়ত, জামাত কেন্দ্রিক যেসকল বুদ্ধিজীবী আছেন, তারপর বিএনপির মধ্যে জামাতপন্থী যে সকল লোকজন রয়েছেন।তার পর আরও যারা জামাতের ঘনিষ্ঠ সবারই 1:00 বক্তব্য সেই বক্তব্য ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা হোক। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হোক। এই কথাগুলো তাঁরা বলছেন। আর অন্যদিকে জামাত জি বলার চেষ্টা করছে। দলীয়ভাবে তারা সেখানে নিজেদেরকে উদার তারা ক্ষমা করে দিয়েছেন। প্রতিশোধ তারা নিতে চান না ইত্যাদি ইত্যাদি আরও অনেক কিছু বলে৷ পুরো রাজনীতির ময়দান থেকে।তাঁদের জন্য সেভাবে বল করার চেষ্টা করছেন তো এগুলো আপাতদৃষ্টিতে এক মাস দুই মাস হয়তো এরকম 1:00 সুন্দর পরিবেশ যাবে।কিন্তু এর মধ্যে যে ঘটনাগুলো ঘটছে সেটা হল।ইসলামপন্থী যে দলগুলো সেই দলগুলোর সঙ্গে তাঁদের ঐক্য, সেই ঐক্যটা আসলে হবে না।কোনও অবস্থাতেই হবে না। এর কারণ হল যে, তারা যদি স্বপ্না করতেন।তাঁরা যদি বরং অন্যান্য ইসলামী দলগুলোকে সব করাতেন, হেফাজতে সব করাতেন, চরমোনাই কেশব করাতেন জাকের পার্টি এ সব করাতেন এবং সেই তুলনায় নিজেদের যে ক্ষমতা শক্তিমত্তা এটিকে গোপন রাখতেন, তাহলে তাদের জন্য ইসলামপন্থী দলগুলোর রয়েছে। তাঁদের মনে ঈর্ষার তৈরি হতো না। বা জামাতের মতো 1:00 ভীতি তৈরি হত না। কিন্তু এখন যেটি হল সেটি হল যে তারা মনে করছে যে জামাতে এতটা শক্তিশালী হয়ে পড়েছে এবং তাদের।লোকজন এত বেশি টাকাপয়সা এত বেশি হলেও ওখানে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের যে নিজস্ব স্বকীয়তা রয়েছে, পরিচয় রয়েছে বৈশিষ্ট্য তা রয়েছে এটা আর থাকবে না। ফলে ইসলামি দলগুলো তারা ভিন্ন ভাবে তারা ঐক্যবদ্ধ হবে। কিন্তু জামায়াতের সঙ্গে তারা হবে না যে এক মাস আগেও কিন্তু কল্পনা করা যেত না। এক মাস আগে তাঁরা একত্র হওয়ার জন্য চেষ্টা করছে। শেখ হাসিনা থাকাকালীন সময়ে তারা মোটামুটি স্বপ্ন দেখেছে যে, আমাদের সঙ্গে কী করে?

ঐক্যবদ্ধ হয় যে এই মুহুর্তে সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে।দ্বিতীয়ত।সরকারের মধ্যে হিযবুত তাহরীর।সদস্যরা৷ আছে বা সমর্থন আছে এরকম গুজব ভীষণ ভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এবং জামাতের সঙ্গে আসলে হিযবুত তাহরীর নীতিগত ভাবে কোনও সম্পর্ক কিন্তু নেই। এটা আপনাদের বুঝতে হবে। জামাত যে আদর্শে বিশ্বাস করে যে নীতিতে বিশ্বাস করে তার সঙ্গে হিযবুত তাহরীর বা হিযবুত তাহরীর যারা শত্রু রয়েছে হিযবুত তাওহীদের।এদেরও কোনও সম্পর্ক নেই। একেবারে দাগ পড়ার সম্পর্ক এবং জামাতকে। কিন্তু এখন এই দায়িত্বটা নিতে হচ্ছে জামাত হিযবুত তাহরীর হিযবুত তাহরীর জামাতের যৌথ সরকার এরকম 1:00।যাকে বলা হয় বদনামই তাদেরকে নিতে হচ্ছে। যে বদনামের দায়ভার তারা বহন করতে পারবে না কেন পারবে না সেটা হল হিযবুত তাহরীর একটি নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশে তার সঙ্গে সঙ্গে এটি ভারতের জাতশত্রু। এটি আমেরিকার জাতশত্রু।এমনকি সৌদি আরব থেকে শুরু করে মেডেলিস্টের যে কান্ট্রি গুলো রয়েছে যাদের সঙ্গে জামাতের খুবই ভালো সম্পর্ক। এমনকী তুরস্কের সঙ্গে জামাতের খুব ভালো সম্পর্ক সেই তুরস্কের সঙ্গেও। কিন্তু হিযবুত তাহরীর সম্পর্ক সেই সম্পর্ক কিন্তু ভাল না। কিন্তু এখন যে কোনো কারণেই হোক না কেন এটা গুজব হোক। সত্য হোক যা কিছু হোক না কেন এরকম একটি বদনামের মধ্যে জামায়াত কিন্তু পড়ে গিয়েছে। এখন তারা সরাসরি হিযবুত তাহরীর বিরুদ্ধেও বলছে না বা বলতে পারছে না।আবার তারা উত্তরের অংশ। সেটাও তাঁরা বলতে পারছে না। অথচ এটি ফিসফাস হচ্ছে বাংলাদেশে।আর দেশের বাইরে এগুলো নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। ইন্ডিয়াতে আলোচনা হচ্ছে আমেরিকাতে আলোচনা হচ্ছে এমনকী হোয়াইট হাউস পর্যন্ত এটি রীতিমতো বিস্ফোরণ তৈরি করেছে এবং সম্প্রতি আপনি দেখুন যে হোয়াইট হাউসের যিনি মুখপাত্র ম্যাচে মিলার, তিনি যেভাবে ডক্টর সরকারের যাকে বলা হয় সমালোচনা করেছেন এবং যে ভাবে থানা আক্রমণ করা চারশ টি থানায় আগুন লাগানো পুলিশ হত্যা নিয়ে তিনি।যে ইঙ্গিতপূর্ণ হুমকি দিয়েছেন, এটি স্পষ্টতই জন্য এবং জামাতের জন্য একটি ঐতিহাসিক বিপদ দেখে নিয়ে আসবে, যেটি তাদের হিসাবের মধ্যে ছিল না এবং এটা ঐতিহাসিক বলি। এই কারণে যে জামায়াত বিএনপি যখন যৌথ সরকার পরিচালনা করেছিল সেই 1900।সে না 2001 থেকে 2000 ছয় সাল পর্যন্ত।ওই সময়টাতে শায়খ আব্দুর রহমান এবং বাংলা ভাই।জিম।তাঁদের প্রচণ্ড উৎপাত বেড়ে গিয়েছিল।এবং বাস্তবতা হল যে জেএমবির সঙ্গে জামাতের কোনও সম্পর্ক ছিল নাই।বরং এদের সঙ্গে 1:00 দাগ তোমার সম্পর্ক।কিন্তু সমস্যা হল যে দাড়ি টুপি থাকলে যেমন জামাত মনে করা হয়।বা জামাতকে অন্য মানে দাড়ি টুপি যারা আছে তারা সেটা জঙ্গী হোক আল কায়দা হোক আর যা কিছু হোক না কেন তাঁদের সঙ্গে আমার 1:00 মিলিয়ে দেওয়ার প্রবণতা রয়েছে। সমাজের যারা অন্যান্য যারা সেকুলারিজম তাঁর রাজনীতি করেন, তাঁদের তো কাজেই এখানে যেটা হল যে শায়খ আব্দুর রহমান বাংলাভাই তাদের সঙ্গে আমাদের কোনও সম্পর্ক নেই। কিন্তু মতিউর রহমান নিজামী সাহেব হঠাৎ করে এই বাংলাভাই মিডিয়ার সৃষ্টি 1:00 কথা বলে।তিনি যা বোঝাতে চেয়েছেন সেটা না বুঝে বরং উল্টো হয়ে গেল যে জামাতের সঙ্গে যে 1:00 সম্পর্ক রয়েছে এবং জামাত জঙ্গি ঘটনার সাথে জড়িত। ওই যে কোর্টকাছারিতেই যে একই সঙ্গে সারা বাংলাদেশে বিএনপি জামাতের যে আক্রমণ হয়েছিল, বোমা হামলা হয়েছিল দেশে বোমা হামলা হয়েছিল সেগুলো বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠী করেছিল। কিন্তু তার সঙ্গে জামায়াতের সম্পর্ক স্থাপন করে দেওয়া হয়েছিল। এবং এই যে ঐতিহাসিক 1:00, দুর্ভোগ এবং দুর্দশা।যেটি এখনও পর্যন্ত জামাত কাটিয়ে উঠতে পারেনি যেটা বিরুদ্ধে এখনও জামায়াত কোনও কথা বলতে পারেনি এবং তাদের যুক্তি দিয়ে তারা এখনও সেই যে তাঁদের যে অতীতে অভিযোগ জেএমবির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক বাংলার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক। তার পর শেখ আবদুর রহমানের সাথে সম্পর্ক উদ্দেশে বোমা হামলার সঙ্গে জামায়াতের সম্পর্ক। এই জিনিসগুলো যেভাবে প্রচার হয়েছে অতীতে৷ সেই দায় থেকে বেরতে পারেনি এবং তার মধ্যেই আবার দেখা গেল নতুন করে।হিযবুত তাহরীর সঙ্গে জামাইয়ের সম্পর্কটা চলে আসছে। আর ইতিমধ্যে যেটা হল সেটা হয় হল যে জামাত যেহেতু রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার চিন্তাভাবনা করছে এবং তারা যে কোনও কারণে তাঁদের মধ্যে 1:00 আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়ে গেছে, তারাই হয়তো ক্ষমতার অংশীদার ক্ষমতা এখন ছড়ি ঘোরাচ্ছে। আগামীতে তারা ক্ষমতার ছড়ি ঘোরাবে এবং বিএনপি এখানে সেখানে পার্টি আসবে। আর আমি তো আসবে না। এটা আমাদের নেতাকর্মীদের মধ্যে এই বিশ্বাসটা চলে আসছে তো।চলে আসার কারণে তাদের মধ্যে 1:00 রাষ্ট্রনায়কোচিত মনোভাবে চলে আসছে।যারা হিন্দুদের কে আপন করার চেষ্টা করছে বন্ধুদেরকে আপন করার চেষ্টা করছে সারা বাংলাদেশ নিয়ে তারা কথা বলছে তারা উদারনৈতিক 1:00 আলোচনা করার চেষ্টা করছে। নারী অধিকার নিয়ে তাঁরা কথাবার্তা বলার চেষ্টা করছে। খুবই আধুনিক 1:00 রাষ্ট্র ব্যবস্থা যাতে কায়েম হয় ঠিক রাষ্ট্রনায়কোচিত ভাব নিয়ে আমাদের আমি এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ আছেন, তাঁরা ঠিক সেভাবে কথাবার্তা বলার চেষ্টা করছেন যা কিনা।অন্যান্য যারা ইসলামপন্থী লোকজন রয়েছেন ওয়াজির রয়েছেন। ভক্ত রয়েছেন ইতিমধ্যে তারা কিন্তু নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। যেমন দেখা গেল সেই পূজা মণ্ডপে গিয়ে গান গাওয়া।তারপর পূজামণ্ডপে গিয়ে গীতা পাঠ করা।কিংবা পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করা এই বিষয়গুলো জামাত যেটা করেছে তা রাষ্ট্রের ক্ষমতা যদি থাকে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ খ্রিষ্টান সমস্ত অনুষ্ঠানই তাদেরকে যেতে হবে। রাষ্ট্রপ্রধান হিসাবে একজন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে সেভাবে তাঁরা গিয়েছে। আর অন্যদিকে যারা প্রতিপক্ষ তারা যে অকথ্য অশ্লীল ভাষায় গালাগাল এবং ইসলামের যে বিধানগুলো রয়েছে এই বিধানগুলো তে অন্য ধর্মের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ না করা প্রোমোট না করা এই সকল বিষয়ে সকল কুরআনের আয়াত রয়েছে। হাদিসে রয়েছে সেগুলো তাঁরা।ইতিমধ্যে মসজিদের মিম্বর এ গিয়ে ওয়াজে গিয়ে আলাপ আলোচনা করে জামাতের জীবন রীতিমত তছনছ করে দিয়েছে। আর এরই মধ্যে দেখা গেল যে ইসলামি অঙ্গনে সেটা মাদ্রাসা হোক তাদের কমিটি অন্য জায়গাতে যেখানে চাঁদাবাজি হোক যেখানে প্রভাব বিস্তার করা হোক মানে সমস্ত বিষয়গুলিতে যেখানে যেখানে জামাতের সঙ্গে কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট সেটা আওয়ামী লীগের হোক। বিএনপি হোক আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের হোক কিংবা হেফাজতে ইসলামের হোক।কিংবা অন্য যেখানে হোক না কেন তাঁরা সে কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্টের। কিন্তু ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত হয়ে।ইতিমধ্যে তারা সেই বিবাদ শুরু করে দিয়েছে এবং এই বিবাদ করতে গিয়ে জামাতকে ঠেকানোর জন্য যেখানে যার যতটুকু সাহায্য দরকার৷ তারা ঠিক সেই সহযোগিতাটুকু তারা নিচ্ছে তার প্রতিপক্ষ। এমনকী আওয়ামী লীগের লোকদের কাছ থেকে কিন্তু জামাত ঠেকানোর জন্য সুযোগ তারা মানে নিচ্ছে এবং এর ফলে পর্দার অন্তরালে।বিভিন্ন জনপদে এমন সব দুর্বিষহ ঘটনাগুলো ঘটছে এমন সব ঘটনাগুলো ঘটছে যেগুলো নিয়ন্ত্রণের জন্য আসলে রাষ্ট্র ক্ষমতার একটি যাকে বলা খবরদারি দরকার মানে প্রত্যক্ষ খবরদারি দরকার সেনাবাহিনীর সাহায্য দরকার পুলিশের সাহায্য দরকার৷ তার পরে সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সাহায্য দরকার যে এই মুহূর্তে নেই বাংলাদেশে। ফলে কী হচ্ছে পুরো দায়িত্বটা? 

কিন্তু জামাতের পর চলে এসেছে যেটা সামাল দেওয়ার মতো অবস্থা কিন্তু।জামাতের নেই। ফলে জামাত সেই অতীতের মতো আবার হয়তো কোনও ঐতিহাসিক যুক্তি ঝামেলার মধ্যে পড়তে যাচ্ছে। আল্লা ভালো জানেন, আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন এবং হেফাজত করেন। আসসালামু আলাইকুম রহমাতুল্লাহ হয়।

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
Ok, Go it!
// For Firebase JS SDK v7.20.0 and later, measurementId is optional const firebaseConfig = { apiKey: "AIzaSyCcg2i2qTpw3rl2VtoWAInpWy5v-1tnUIo", authDomain: "bartagharbd-16d6f.firebaseapp.com", databaseURL: "https://bartagharbd-16d6f-default-rtdb.firebaseio.com", projectId: "bartagharbd-16d6f", storageBucket: "bartagharbd-16d6f.appspot.com", messagingSenderId: "171326215023", appId: "1:171326215023:web:fc18a6e1a0df41e3d64e9a", measurementId: "G-JHDPRX7ZMC" };