TODAY OFFER

শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের লড়াই শুরু রাজনৈতিক প্রচারণার সূচি চূড়ান্ত

 

শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের লড়াই শুরু  রাজনৈতিক প্রচারণার সূচি চূড়ান্ত




খবরের অন্তরালে খবর নিয়ে এখনকার প্রতিবেদন বাংলাদেশ কি ক্রমশ অরাজকতায়?

 রাজত্বে পরিণত হচ্ছে সাদা বাংলায় যাকে বলে মগের মুল্লুক সেটাই হয়ে উঠল কী?

দেশ সম্পর্কে এমন কথা ভালো শোনায় না ঠিকই। কিন্তু কেউ যদি বলে এমন কথা।অস্বীকার করা যাবে কী ভাবে?

দেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী।শেখ হাসিনাকে সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক পথে এক রকম গায়ের জোরে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হল।এই কুনাট্য রঙ্গে দেশের সেনাবাহিনী অন্যতম অভিনেতা।তারা তিনশ বা চারশ ছাত্রের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে। হাতের রাইফেল নামিয়ে রাখলেন।কিন্তু 3000  পুলিশনিহত হলেও বা কয়েকহাজার আওয়ামী লীগ এবং সাধারণ মানুষ।তাঁর আমৃত্যু তাঁরা মারা গেলে।সেটা দেখেও রাইফেল।আর তুলে ধরতে ভুলে গেল সেনাবাহিনী।এরপরেও যদি কেউ সেনাবাহিনীকে এই নাটকের অভিনেতা মানতে না চান।তবে বলার কিছু নেই। হাসিনা সরকার চলে গেল যাওয়ার পর যে শান্ত হল দেশ তা কিন্তু নয়। নতুন সরকার গঠিত হল তিন দিনের মাথায়।ওর যোগ্যতা থামার বদলে বেড়ে গেল।তার তিন দিনের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সহ অন্যান্য বিচারপতিদের।পদত্যাগে বাধ্য করা হল।কে করল?

করল ছাত্র নেতারা এবং তাঁদের যে পৃষ্ঠপোষক।আর বুদ্ধি দাতা হিসেবে যে সব মাস্টারমশাইরা আছেন।তাঁরা তাঁদের সৌজন্যে এ সব হল।শুনুন সেই সেই যাওয়ার কাহিনি কীভাবে বিচারপতিদের চলে যেতে হল সেই যাওয়ার কাহিনি শুনুন।দেশের প্রধান বিচারপতি জাস্টিস ওবায়দুল হাসান।তিনি সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের বিচারপতিদের নিয়ে একটি মিটিং করছিলেন। যখন তখন এক বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক যিনি আবার উপদেষ্টা বলেন, তাঁর ডাকে ছাত্ররা জমায়েত হল কোর্ট চত্বরে।এবং আক্ষরিক করতে আদায় করে নিল বিচারপতিদের পদত্যাগপত্র সেটা না লিখে দিলে তাদের বেঁচে ফিরে যেত না পারতেন৷ বাড়িতে।ঢাকা শহরের বুকে এতবড় ঘটনা ঘটল। কিন্তু হেলদোল নেই সেনাবাহিনীর।এর পর যদি ছাত্রদের সাহস বেড়ে যায়।তবে তাঁদের দোষ দেওয়া যায় কি?

গোপন সূত্রে পাওয়া খবরে জানা যাচ্ছে, সেনাপ্রধান হকার উজ জামানকে ও তাদের এখন খুব 1:00 পছন্দ হচ্ছে না।সুতরাং প্রধান উপদেষ্টা মারফত।মানে ডক্টর।মুহাম্মদ ইউনূসকে দিয়ে তাঁরা রাষ্ট্রপতি জনাব সাহাবুদ্দিন চুপ্পু তার কাছে দরবার করল।কী দরবার না সেনা প্রধানকে সরিয়ে দিতে হবে?

কারণ রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন দেশের।হ্যাঁ, সেনাবাহিনীর তিনি হচ্ছেন প্রধান।বিভিন্ন সূত্রে যা জানা যাচ্ছে সেটা একটু বলি। আপনাদের আপনারা শুনেছেন যে সেনাপ্রধান ওই গিয়েছিলেন যে মহম্মদ ইউনুসের বাড়িতে যমুনায়।সেখানে গিয়ে তাকে ভয় দেখিয়েছেন নানা রকম কাণ্ড ঘটেছে বলে আপনার সব শুনেছেন তো সেই ঘটনাটার শুরুটা।একটু শোনাই কী ভাবে?

বিভিন্ন সূত্রে যা জানা যাচ্ছে, গত মাসের 28 তারিখে অর্থাৎ 28 শে সেপ্টেম্বর সেনা প্রধানকে সরিয়ে দেওয়ার কাগজে স্বাক্ষর করতে বলা হয় রাষ্ট্রপতিকে।রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন।জানা সব উদ্দিন চুপ্পু।তিনি।অস্বীকার করলেন, করলেন না করতে পারব না। এতেই ছাত্র নেতারা এতটাই ক্ষিপ্ত হয়ে যায় যে তারা রাষ্ট্রপতি জনাব চুকে।অপসারণের ডাক দিয়ে দিলাম।এ সব গুলো আপনারা শুনছেন একটু দেখেছেন ও বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে সমন্বয়ক সার্জন ও হাসনাত আবদুল্লাহ এই দুজনের দেওয়া এই ডাকের কথা ঢাকায় যে ভীত সন্ত্রস্ত মেডিয়া তারা তারা পর্যন্ত চেপে রাখতে পারেননি। পুরোপুরি সেখানেও ফাঁস হয়েছে।বিষয়টি সেনাপ্রধানের গোচরে আসে। তার পরে যে এঁরা গিয়ে রাষ্ট্রপতিকে ভয় দেখিয়েছে, রাষ্ট্রপতিকে চেষ্টা করেছে। তাকে দিয়ে সেনাপ্রধানকে হটিয়ে দেয়। এই নির্দেশে স্বাক্ষর করতে তিনি সেনা রাষ্ট্রপতি রাজি হননি। এটা শুনেছেন।এবং এটা যখন সেনাপ্রধানের গোচরে এলো।জানার পর খুব স্বাভাবিক যে তিনি আর সামলাতে পারেননি।সহকর্মীদের নিয়ে এবং ছোটখাটো একটি বাহিনী নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনুস তার যে বর্তমান বাসস্থান যমুনায়।সেখানে এসে হাজির হলেন সেনাপ্রধান এবং তাঁর দলবল কার্যত যমুনা ঘেরাও করে ফেললো সেদিন সেনাবাহিনী।ডক্টর ইউনুস দিশাহারা হয়ে।আইএস প্রধানকে।ফোন করেন।তিনি ফোন বন্ধ থাকায় যোগাযোগ হয়নি। উপায় না দেখে ফোন করেন ঢাকাস্থিত অ্যামেরিকান অ্যাম্বাসাডরকে।তিনি এ বিষয়ে কিছু করতে পারবেন না বলে জানান।নিরুপায় ইউনুস তার মধ্যে ফোন লাগান পিতৃসম।মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সেই জো বাইডেনের সচিবকে।তিনি জানেন যে উনি খুব 1:00 কল্কে পাচ্ছেন না এখন আমেরিকার কাছে।হাসিনার সঙ্গে 1:00 হটলাইন যোগাযোগ হচ্ছে আমেরিকার।সুতরাং ইউনুসকে কাটিয়ে দেওয়ার জন্যে।বাইডেনের জয় সচিব। তিনি তখন বললেন, প্রেসিডেন্ট এখন তো কথা বলতে পারবেন না। তিনি নির্বাচনী মিটিংয়ে ব্যস্ত।এদিকে যমুনার গেস্ট হাউসে বসে রয়েছেন, অপেক্ষা করছে সেনাকর্তারা।কখন আসবেন সেনাপ্রধান তার সাথে কথা হবে এই কখন আসবেন উনি সাহেব তার সাথে কথা হবে আর ইউনূস সাহেব তখন আমার বাড়িতে একা থাকেন না। সবসময়ই ছাত্রসংসদ যাদেরকে তিনি এখন গুরু বলে মেনেছেন।মানে যাদেরকে মস্তিষ্ক বলছেন তিনি তরুণ প্রজন্ম দেশটাকে যারা নিয়ে যাবে তাদের সাথে তিনি এখন মোটামুটি 24 ঘণ্টা কাটান। তাদের সাথে তাঁরাও রয়েছেন সেখানে। এদিকে যমুনার গেস্ট রূপে অপেক্ষা করছেন সেনাপ্রধান এবং তার বাহিনীর লোকজন বনকর্তারা।তাঁরা বারবার তোলা পাঠাচ্ছেন ভেতরে এত দেরি কেন প্রধান উপদেষ্টা থাকা আসতে বলো?

কোনও কূল কিনারা না পেয়ে শেষ পর্যন্ত গেস্ট রুমে বসে থাকা সেনা কর্মকর্তাদের সামনে তিনি এলে সেনাপতি কর্তাদের প্রায় 23 মিনিট বসিয়ে রাখার পর।এরপর।সেনা শুরু করে দিয়েছিল তাদের গোলাগুলি।মানে তাদের প্রশ্নবাণ আক্ষরিক অর্থ গোলাগুলি হয়, যদিও তাঁর 1:00 ভয় ছিল তাঁকেও।বাকবিতন্ডা হল অনেকক্ষণ।পরিস্থিতি খারাপ বুঝতে পেরে ডক্টর ইউনুস ক্ষমা চাইলেন বলেন, এই সব যা ঘটে গেছে সব ভুলে যান। এসব মনে রাখবেন, আমরা সবাই এক।এ সময় উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।তিনি আবার খুব এখন আবার খুব তাড়াতাড়ি কথা বলেন। খুব তাড়াতাড়ি সব ব্যাপারে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি তারমধ্যে বলে ফেলেন, আপনারা ভুল করছেন। এসব কথা ভিত্তিহীন এর কোনও ভিত্তি নেই।এক সেনাকর্মকর্তা তাই শুনে তাঁকে ধমক দিয়ে চুপ করলেন। তুমি থামো চোপড়া।আমাদের কথা বলতে দাও।কোনও একজন কর্মকর্তা বলেন, পুলিশ সদর দপ্তরে রিপোর্ট এসেছে 3000 একশ আট জন পুলিশকে হত্যা করা হয়েছে। গত সংখ্যাটা 3000। একশ আট জন পুলিশকে হত্যা করা হয়েছে এই পুলিশদের। তাঁরা তাঁদের কাজেও আসেননি, যোগ দেয়নি। তাঁদের কোনও খোঁজখবর পাওয়া যাচ্ছে না।তা এই যে 3000 একশ আট জন পুলিশকে হত্যা করা হয়েছে এটা তো করেছ তোমরা।তোমরা সব সমন্বয়ক মিলে এইসব কান্ড ঘটিয়েছিল। এই হত্যার দায়ে তোমাকে এবং তোমার সমন্বয়কদের তাঁদের ফাঁসিকাঠে ঝুলতে হবে।চুপ হয়ে যায় নাই।নির্বিচারে যে হত্যা বন্ধ, বাজার নিয়ন্ত্রণ হিন্দুদের উপর অত্যাচার, পুলিশ হত্যার বিচার থানা ভাঙচুর, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ যারা করেছে তাদের ধরতে এবং যত মিল কলকারখানা লুটপাট করেছে বিএনপি নেতারা এবং তাদের সাথে। তবে তাদের ধরে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে আগামী 10 দিনের মধ্যে এরকম 1:00 কথাও বলা হয় সেখানে।সেনার সেনার তরফ থেকে।সেই সাথে সেনার তরফ থেকে একেবারে এটাও বলা হয় যে, আগামী ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।এবং যদি না করা হয় তাহলে তার ফল কিন্তু খারাপই হয়।ইউনুসকে বলা হয় যে জনগণ আওয়ামী লীগকে মুছে দেওয়ার জন্যে আপনাকে আনেনি।আপনাকে জনগণ এনেছে নিরাপত্তার জনগণ তাঁদের নিরাপত্তা যাতে থাকে ভালোভাবে খেয়ে পরে শান্তিতে যাতে বেঁচে থাকতে পারে। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা যাতে কায়েম করা যায় দেশে তাঁর জন্য নিয়ে এসছে আপনাকে আপনাকে রাজনীতি করার জন্য আনা হয়নি। কারণ সে না মাথায়। কিন্তু তত দিনে সেনার কাছে খবর গেছে যে, মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার ছাত্ররা তরুণ প্রজন্ম।তারা মিলে 1:00 দল করবার চেষ্টা করছে। নাগরিক সংহতি এই ধরনের কিছু 1:00 নাম৷ সেই মানে সেই রাজনৈতিক দল করছে দল করে সেই রাজনৈতিক দলকে চারদিকে ছড়িয়ে দেওয়া হবে৷ ছড়িয়ে ছড়িয়ে দেওয়ার পর কমিটি কমিটি তৈরি করবার পর এই সব কাজকর্ম মিটে গেলে তারপর ভোটের ব্যবস্থা করতে হবে যাতে ইউনুসের গদি পাকা হয় এবং ছাত্র সংসদের যদিও যাতে ফাঁকা।একজন সেনা কর্তা। তিনি বলেন, শেয়ারবাজারে 31,000 কোটি টাকা লুট হয়েছে কয়েক দিনে।এই লোকটা কেন হল?

এসময় ডক্টর ইউনুস অন্য উপদেষ্টারা চুপ ছিলেন।আলোচনা যখন ভীষণই উত্তপ্ত তখন একজন মহিলা উপদেষ্টা ডিনারের ব্যবস্থা আছে বলে।সবাইকে ডিনারে আসার কথা বলেন।তার জবাবে দৃশ্যত ভীষণভাবে রাগান্বিত ও কণ্ঠে সেনা প্রধান বলেন, আমরা এখানে খেতে আসিনি।এবং তারপর।সবাই চলে আসেন এই ঘটনাকে। অনেকে সরকারের বিরোধীদের মনগড়া।একটু গল্প বলে প্রচার করছেন নিজেদের পিঠ বাঁচানোর জন্য।বিশেষত সরকারের সমর্থক যাঁরা তাঁরা তো বটেই।কিন্তু তাই যদি হবে তবে বলুন। রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীন চুপ্পু কে তার পদ থেকে হটিয়ে দিতে।এই সরকার এই সরকারের মধ্যে কারা আবার ওই যে সমন্বয় করা তাই তো হচ্ছে না কোন স্টেশন তো তাঁদের হাতে।তারা এত ব্যস্ত হয়ে উঠলেন কেন? 

হঠাৎ হ্যাঁ এত ব্যস্ত কেন সাহাবুদ্দিনকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় ধামাধরা কাউকে বসিয়ে দিলে তাঁকে দিয়ে সেনা প্রধানকে বরখাস্ত করা যাবে এই পরিকল্পনা।সেই জন্য রাষ্ট্রপতি বদলে ব্লু প্রিন্টও তৈরি হয়েছে।ইউনূস সাহেব তৈরি করেছেন তাঁর ওই বুদ্ধিদাতা মাহফুজ আলম অ্যান্ড কোম্পানি এবং তাদের আমার গুরুদেব আছেন। তাঁদের গুরুদেব আসিফ নজরুল।এটা রয়েছেন তাঁদেরকে দিয়ে এই গ্রুপ প্রিন্ট তৈরি হয়েছে। যে ভাবে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং অন্য বিচারপতিদের প্রায় ঘাড় ধাক্কা দিয়ে সরানো হয়েছে, সেভাবে রাষ্ট্রপতিকেও সরানো হবে ক্লান্ত। এটাই বিশ্বাস করছেন না। তাই তো বিশ্বাস হচ্ছে না। দর্শক আপনার কি মনে হচ্ছে যে আমি ভুল বলছি তাহলে দেখুন।এই ভিডিওটি পুরোটা দেখাব না কিছুটা দেখাব। একটু শুনুন রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিনকে তাঁর পদ থেকে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সার্ভিস আলম। এছাড়া এ সময় তারা নতুন সংবিধান প্রণয়নের ও দাবি জানান। 3 অক্টোবর বৃহস্পতিবার সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সার্জেস আলম তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে দাবি জানালে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় ওয়ান।পোস্টে তারা লিখেছে, আওয়ামী লীগের বিচার সংবিধান পুনর্লিখন। আমি দুর্নীতিবাজ আমলাদের পরিবর্তন শেখ হাসিনার শাসনামলে করা অবৈধ সব চুক্তি বাতিল এবং চুপকে অনতিবিলম্বে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারণ করতে হবে। ক।প্রতিবেদন তৈরি হওয়া পর্যন্ত তাদের এই পোস্টে দেড় লক্ষাধিক প্রতিক্রিয়া দেখতে পাওয়া যায়। কেন্দ্রীয় দুই সমন্বয়কের সাথে একমত পোষণ করে একই দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক সমন্বয়ক খান তালাত মাহমুদ গ্রাফিক মা।এর আগে আর একটি পোস্টে সংবিধান বিষয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ লেখেন, পতনের সময় সংবিধান ও নিয়ম ভাঙতে পারলে গঠনের সময় কেন নয়? 

প্রায় একই কথা লিখেছেন খান তালাত মাহমুদ রাফি ও। তিনি লিখেছেন, পতনের সময় নিয়ম ভেঙে পতন করা হয়েছে। গঠনের সময় নিয়ম ভাঙতে সমস্যা কোথায় মা।স্যারজি সো হাসনাতের পোস্ট দুটির মন্তব্যের ঘরে বিভিন্ন বয়স ও শ্রেণি পেশার মানুষের মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই তাদের দাবির সাথে একাত্মতা পোষণ করেন। আবার অনেকে সমালোচনা করতে দেখা যায়। জয়।বিশ্বাস হলো।একদিকে বৃত্ত নোস্ত্রার তরুণী ভার্যা স্যরি স্যরি স্যরি তরুণী ভার্যা নয়, তরুণ বন্ধুদের নিয়ে দেশ লন্ডভন্ড করে দিয়ে লুটেপুটে খাওয়ার আনন্দে মশগুল তিনি রাজা থাকছেন। আর একদিকে জনতা জ্বলে পুড়ে যাচ্ছে জীবন যন্ত্রণায়।নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রে হাত দিতে গেলে ছেঁকা লাগছে হাতে।আইনশৃঙ্খলার চূড়ান্ত অবনতি।শুনুন সেই সাধারণ মানুষদের কথা আছে না সবাই ভালো আছে এখন।এই এত কষ্ট করি নাই কাম নাই কাজ নাই কিছু নাই আমরা আমাকে এখন আবার ফিরে এলাম তখন সবাই খুশি হন হাসিনা থাকা মাত্র শূন্য 1000 আটশ নয় 16 হয়েছি 20 দিন বাদ দিয়ে কামাই করেছি আর এখন এখন তো ঘরের জন্য।থাকি তাই আনতে পারে। আমার জানা মতে, দেশে এখন বিষয়টা ভাল চলছে না। আর ও ডাউনের দিকে যাচ্ছে যেটা ছিল সেটা ভালই ছিল বেশ যেভাবে ছিল এটা স্বাভাবিক৷ সবার সাথে ঐ জাস্ট হয়েছিল কিন্তু এখন ঐ যাস তো দূরের কথা, আমাদের দেশটা আরও অবনতি হচ্ছে ছাড়ার সময় ভাল ছিলাম অনেক ভালো ছিলাম আমরা তাই চাই সে আসলে গরিবের পেটে বা চাইবো রিস্কের কাজ এবং খেলাকে রেলের কাজে কোনও কাজ নেই। দেশে আমরা খুব ভালো নাই আগের সরকার যেসব কাজ করে গেছে।এই দেশ আর এই কাজ করার মতো কোনও লোক নাই। অর্থনীতি যা ছিল তা তো সবই শেষ হয়ে গেছে। একমাসে দেশের কোন অর্থনীতি নাই কিছু নাই হাসিনা সরকার যেই দেশে যেই কাজ করে গেছে গণ্ডগোলের পরেই কাজ কোনও দেশের কোনও মানুষ করতে পারে নাই। এই দেশের অনেক উন্নতি শেখ হাসিনা তাতে যাঁরা ভাল মানুষের আন্দোলন করেন আর যারা নিজস্ব খারাপ মানুষের আন্দোলন করছে আমি আরও খারাপ হয়েছে৷ আগের সরকার মনে করেন মানুষের সুখ দুঃখ বসছে, কষ্টটা বসেছে মনে করেন মানুষের সবচেয়ে সহজ হয়েছে।এখন হয় না আর কষ্ট বাড়ছে জন্য।কোন কোন নয়।এমন নয় যে 50 পারসেন্ট আবার আগের যদি চায় আমিও দেখছি আগের জন ভালো ছিল। খাবারের দাম বাড়ছে, দাম বাড়ছে এখন ছোট বল করছে সে 1016 সিন্ডিকেট ধর্ষণ ও তার এপিএস তাঁর কাজের বুয়ার এ 12 তাদের র্যাবের বেলজিয়ামকে সব মিলিয়ে প্যাকেট করছিল। সে ধীরে ধীরে দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল। এর আগে সটকে গেছে এটা তো ভাই মানে পাঁচজন পুলিশ যদি মহিলা যায় যান বাচ্চা এসে মারবে না।পুলিশ তো আগে সরকারি। তাহলে আমাদের কাছে ভালো ছিল। আমাদের কোনো অবস্থান পরিবর্তন হল না। আপনার ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে আমেরিকায় চলে যান আপনি বিদেশে চলে যান, আমরা মুসলমান৷ আমরা ভাই ভাই আমরা থাকতে চাই আজকে আমাদের যে সেন্টমার্টিনে যেতে গেলে রেজিস্ট্রেশন করতে হয় আমরা বাঙালি আমরা বিদেশি প্রভুদের আমরা দেখতে চাই না আমরা 30,00,000 শহীদের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন হয়েছে, আমরা আমরা বাংলাদেশেই থাকতে চাই, আমরা ঐ আমেরিকার পাসপোর্ট আমাদের নেই৷ সুতরাং আপনি দেশ ছেড়ে চলে যান, আমরা সাধারণ মানুষ চাইছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলছিল।খুব ভালো ছিল। এই যে যাঁরা বলছেন আমরা ছাত্র আন্দোলন করে দেশ স্বাধীন করেছি জন্য স্বাধীন যারা মুক্তিযোদ্ধারা একাত্তরের সময় যুদ্ধ করছে তারা কোথায় ছিল? 

কী করছিল তারা কী দেশে কী ভিক্ষা করেছিল বঙ্গবন্ধুর ভাষণ।এবং বিজয়ের এটা কি তাহলে বাংলাদেশে যতজন সব আমেরিকা দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশে যত অর্জন বঙ্গবন্ধুর ধরা হয়েছে এই বাংলাদেশে যতজন শেখ হাসিনার মাধ্যম হয়েছে।বিয়ের মাধ্যমে শুধু সন্ত্রাস হয়েছে নাম না করে ভাল করে মানুষ হয়ত আসন।আমি এখন।শুনলেন এসব কথা যে মানুষ।গোপন রাখছে চুপি চুপি বলছে নিজেদের মধ্যে তা কিন্তু নয়।মানুষ কিন্তু এগুলো রাস্তায় নেমে এসে প্রকাশ্যে।সমস্ত কথাগুলো বলছি।যেভাবে আজ থেকে 23 মাস আগে মানুষ রাস্তায় নেমেছিল।







Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
Ok, Go it!
// For Firebase JS SDK v7.20.0 and later, measurementId is optional const firebaseConfig = { apiKey: "AIzaSyCcg2i2qTpw3rl2VtoWAInpWy5v-1tnUIo", authDomain: "bartagharbd-16d6f.firebaseapp.com", databaseURL: "https://bartagharbd-16d6f-default-rtdb.firebaseio.com", projectId: "bartagharbd-16d6f", storageBucket: "bartagharbd-16d6f.appspot.com", messagingSenderId: "171326215023", appId: "1:171326215023:web:fc18a6e1a0df41e3d64e9a", measurementId: "G-JHDPRX7ZMC" };