অবশেষে মায়ের ভুলের কথা স্বীকার করলেন সজীব ওয়াজেদ জয়
ছাত্র আন্দোলন চলাকালে কিছু ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। মার্কিন সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটা জানিয়েছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। সেসময় নিহতদের অর্ধেকই বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার দেয়া অস্ত্রের সন্ত্রাসীদের গুলিতে মারা গেছেন। এমনটা দাবি করেন জয়। ভবিষ্যতে নির্বাচনের জন্য শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরবেন কি না সেই বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানান তিনি। টাকা পাচারের বিষয়ে তিনি বলেন, অভিযোগ তোলাই যায়।
তবে তার কোনও সত্যতা নাই।ন টি বড় ও গণ আন্দোলনের মুখে গত পাঁচই আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর বেশ কয়েকবারই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সম্মুখীন হয়েছেন শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। এবারই প্রথম কোনও মার্কিন গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিলেন তিনি। সাক্ষাৎকারে জয় বলেন, শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সজীব ওয়াজেদ বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর মা খুবই হতাশ।
কারণ গেল 15 বছরে আওয়ামী লীগের সব পরিশ্রম বিফলে যাচ্ছে। এসময় ব্যাঙ্ক জব্দের প্রসঙ্গ টেনে দুর্নীতির সব অভিযোগ অস্বীকার করেন জয়। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর আস্থা রাখছেন তিনি। তাদের মেয়াদ এক কিংবা দেড় বছরে যথাযথ হতে পারে বলে মনে করেন জয়৷।গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবি হাস্যকর বলেও টাইম ম্যাগাজিনকে বলেন, শেখ হাসিনা পুত্র জয়। তাঁর দাবি, বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও বৃহত্তম রাজনৈতিক দলকে খুব সহজে নিষিদ্ধ করা যাবে না।
আইনি ভাবে তা সম্ভবও নয় নয়।সাক্ষাৎকারে জয়ে নিজের রাজনৈতিক অবস্থানও পরিষ্কার করেন, দাবি করেন, কোনও ধরনের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্খা তাঁর ছিল না। তাই এখনই মায়ের বিকল্প হিসেবে রাজনীতির মাঠে নামবেন কি না তা ভেবে দেখেননি।সানজিদা ইসলাম
ইসরাইলের পরবর্তী টার্গেট বনাম ইরানের প্রতিরোধ সক্ষমতা! | দৃশ্যপট |
নুরানের সবচেয়ে সামনের পর এর প্রতিশোধ হিসেবে দেশটিকে শাস্তি দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্র দুশোর মতো ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানকে এর জন্য চড়া মূল্য দিতে হবে। মার্কিন স্যাটেলাইট এর পাশাপাশি ইজরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ সহ ইরানে থাকা গুপ্তচরদের তথ্যের ভিত্তিতে। Read More
