অপরাজেয় রুশ বাহিনী, পুতিনের দলে আরও ২ লাখ সেনা
পুতিন যা বলেন তাই করেন। অতীতে বহুবার সেই প্রমাণ দিয়েছেন রাশিয়ার শক্তিশালী নেতা ভ্লাদিমির পুতিন স্পষ্ট করে বলে দিয়েছিলেন, শুধু ইউক্রেন নয়, বাড়াবাড়ি করলে গোটা পশ্চিমা বাহিনীর সঙ্গে লড়তে প্রস্তুত তাঁর বাহিনী। যেই কথা সেই গাছ এ কথা বলার কয়েকদিনের মধ্যেই রুশ বাহিনীতে যোগ দিতে যাচ্ছে। আরও প্রায় 2,00,000 নতুন সেনা।অর্থাৎ এত রক্তপাত এত ক্ষয়ক্ষতির পরও রুশ বাহিনী যে পিছু হটবে না, এটি তার প্রমাণ৷ ঊষা রক্ত দেবে তবুও পিছু হটবে না ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, সত্যি সত্যি ন্যাটোর সহায়তায় ইউক্রেন রুশ ভূখণ্ডে হামলা করে। তাহলে তার জবাব হবে অকল্পনীয়। রাশিয়ার সরাসরি যুদ্ধে পশ্চিমা অস্ত্রে হামলার জবাব দেওয়া হতে পারে। পারমাণবিক আক্রমণেও।পশ্চিমারা ভালো করেই জানে কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী পুতিন যার সবচেয়ে বড় প্রমাণ রুশ বাহিনীতে অন্তত 1,80,000 সদস্য বাড়ানোর আদেশ এসেছে। পুতিনের কাছ থেকে সোমবার দেওয়া সেই আদেশের মাধ্যমে চীনের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম সেনাবাহিনী গড়ে তোলার পরিকল্পনার দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন পুতিন ক্রেমলিনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পুতিনের আদেশে দেখা যায়, সশস্ত্র বাহিনীতে সদস্যসংখ্যা 23,00,080 ে হাজারউন্নীতের নির্দেশ।পেয়েছেন তিনি। এর মধ্যে সক্রিয় সদস্য 15,00,000।
930 থানীয় সামরিক কৌশল গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ আইআইএসএস জানিয়েছে, মোতায়েন যজ্ঞ সক্রিয় সেনা সংখ্যায় যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে। রাশিয়া বর্তমানে চীনের সক্রিয় সেনাসদস্য 20 লাখের কিছু বেশি৷ 2022 সালে ইউক্রেনে অভিযান শুরুর পর থেকে তৃতীয়বারের মতো সেনাবাহিনী বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিলেন পুতিন শুরু।জানেন কি ও ইউক্রেনের চেয়ে প্রায় তিন গুণ বেশি জনসংখ্যার দেশ রাশিয়া লোভনীয় চুক্তির মাধ্যমে সফলভাবে স্বেচ্ছাসেবকদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগ দিয়ে আসছিল। মস্কো রুশ কর্তৃপক্ষ বলছে এই সিদ্ধান্ত৷ পুরো বাহিনীকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনার অংশ চলমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও সাবেক বৈদেশিক অংশীদারদের আচরণের প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপ নিলো মস্কো। পাশাপাশি নেটো তে যুক্ত হয়েছে ফিনল্যান্ড সে কারণেই অঞ্চলে।নিরাপত্তা জোরদার করা রাশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।অন্যদিকে রাশিয়ার দক্ষিণ কোস্ট অঞ্চল থেকে ইউক্রেন সৈন্যদের হটিয়ে দিচ্ছে রুশ বাহিনী। জোরদার করা হয়েছে পাল্টা আক্রমণ। গত সপ্তাহে কোষ থেকে ইউক্রেনীয় সৈন্যদের বিতরণে সবরকম শক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে রাশিয়া। এবার আর কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুতিন নন।নতুনের এমন রণং দেহি হুঙ্কার। এরপর নড়েচড়ে বসেছে পশ্চিমারা। বিশ্লেষকরা বলছেন, রুশ প্রেসিডেন্টের হুঁশিয়ারি কে এবার হাল্কা ভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। গেল জুনেই বিদেশি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, রাশিয়া আক্রমণের জন্য ইউক্রেনকে দূরপাল্লার অস্ত্র দেওয়া হলে ন্যাটো দেশগুলোর শত্রুদের অস্ত্র সরবরাহ করবে। মস্কো এসব অস্ত্র দিয়ে পশ্চিমা বিরোধীরা যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের।বিদেশে থাকার সামরিক ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালাতে পারবে।ন মস্কোকে না খেয়ে কী ভাবে রাশিয়াকে পরাজিত করা যায় তার উপায় খুঁজে পাচ্ছে না। পশ্চিমারা আবার সরাসরি মস্কোর ওপর আঘাতে পুতিনের জবাব সম্পর্কেও নিশ্চিত হতে না পেরে উভয় সঙ্কটে পড়েছে বাইডেন প্রশাসন।

