ছাত্র-জনতার জনস্রোতে স্বৈরাচার হাসিনা ভেসে গেছে: মঈন খান |
বাংলাদেশের মুক্তিকামী ছাত্র জনতা।আজকে যে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে সেটা শুধু বাংলাদেশের ইতিহাস নয় সেটা সারা বিশ্বের ইতিহাসে লিপিবদ্ধ হবে।কিন্তু শুধু এই কথা বললে আমার বক্তব্য সম্পূর্ণ থাকবে। আমাকে যেটা উল্লেখ করতে হবে বাংলাদেশের বিএনপির নেতৃত্বে বাংলাদেশের সকল গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক দল তাঁদের দীর্ঘ সংগ্রামের ফসল হিসাবে তারা বাংলাদেশের স্বৈরাচারী খনি হাসিনা সরকারকে বিতাড়িত করার জন্য।নিজেদের জীবন বাজি করে রক্তের মূল্যে যে বিস্ফোরণ মুক্তি পরিবেশ রাজনৈতিক পরিবেশ বাংলাদেশের সৃষ্টি করেছিল সেই পরিবেশে ছাত্র জনতা দেশলাইয়ের কাশিতে যেমন শুঙ্গ সৃষ্টি করা হয়, তারা সেরকম স্ফুলিঙ্গ সৃষ্টি করে দিয়েছিল।এবং যার ফলশ্রুতিতে আগ্নেয়গিরির লাভার মতো সমর্থক বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম তথা কৃষক শ্রমিক শ্রেণি সকল মানুষ।
তারা রাশ করতে নেমে এসেছিল এবং সেই লাভার স্রোতে বাংলাদেশের সমস্ত অন্যায় অনাচার খুনি হাসিনা তথা আওয়ামি লিগ ভেসে গিয়েছে।এটাই হচ্ছে ইতিহাসের সত্য এবং এই সত্যই ইতিহাসে লিপিবদ্ধ হবে।আজকে আমাদের বুঝতে হবে যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এখানে এসেছে।জনগণ ছোট্ট জনতা তাদের যে মূল যে ম্যান্ডেজ সেটা স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করতে হবে, তাঁদের মূল মেন্ডেট হচ্ছে বাংলাদেশকে স্বৈরতন্ত্র থেকে গণতন্ত্রে উত্তরণ ঘটানো।হ্যাঁ, এটা আমরা বুঝতে পারি সেই গুরুদায়িত্ব পালনের জন্যে তাদেরকে কিছু অত্যাবশ্যকীয় সংস্কার করতে হবে এবং সেই অত্যাবশ্যকীয় সংস্থাগুলো তাঁরা করবেন। এটা আমি বিশ্বাস করি। কিন্তু এখানে স্পষ্ট করে বলা প্রয়োজন যে, পৃথিবীর সব সংস্কার কোনও সরকার করতে পারে না।কাজেই আজকে সেই মনোবৃত্তি নিয়ে এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশের প্রতিটি গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক দল তাদেরকে পূর্ণ সমর্থন দিয়েছে এবং দেবে৷ কিন্তু এটা মনে রাখতে হবে সেই অতি প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে তাদের যে প্রাথমিক ম্যান্ডেট একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন তাদের দিতে হবে।হ্যাঁ।এবং এটাও ভুলে গেলে চলবে না যে অন্যায় অত্যাচার জুলুম। বিগত 16 বছর আওয়ামী লীগ করে গিয়েছে তার প্রতিটি অন্যায়ের বিচার করতে হবে।আমি বক্তব্য দীর্ঘ করব না। আমি বিশ্বাস করি আমাদের বিএনপি টর্চার সকল রাজনৈতিক দলের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত না বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরে আসে যে গণতন্ত্রের জন্য বাংলাদেশের সৃষ্টি হয়েছিল।

