শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের লড়াই শুরু | রাজনৈতিক প্রচারণার সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে
এখনকার প্রতিবেদন দুদিন আগে আপনাদের জানিয়েছিলাম কোনওরকম আধিকারিক ঘোষণা ছাড়াই বাংলাদেশের পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়াজেদকে ভারত সরকার ব্যবহারই করতে।ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে।এবং তার পরবর্তী ধাপ হিসেবে তাঁকে ট্র্যাভেল ডকুমেন্ট ও ইস্যু করেছে। ভারত সরকার। তখনই বলেছিলাম, এই ট্র্যাভেল ডকুমেন্টের জোরে তিনি এবার আন্তর্জাতিক দুনিয়ায় যে অগণতান্ত্রিক ও অবৈধ ভাবে তাঁকে পদচ্যুত করে দেশ তাঁকে বাধ্য করা হয়েছে। সেই বিষয়ে বিশ্ব জনমত তৈরি করবেন এবং পৃথিবীর দেশে দেশে।আওয়ামি লিগ দলের যে বিপুল সদস্য সমর্থক আছেন, তাঁদের সংগঠিত করে প্রত্যাবর্তনের লড়াই কে বাস্তবের মাটিতে রূপায়িত করার লক্ষ্যে ঝাঁপিয়ে পড়বেন।এটাও বলেছিলাম, তিনি বিলম্ব করবেন না। কোনও রকম নস সময় নষ্ট না করেই তিনি নেমে পড়বেন। তাঁর এই নিশানই যাত্রায় আমাদের সেই ভাবনা যে সঠিক ছিল তার কিছু বাস্তব প্রয়োগ সম্পর্কে তথ্য আমাদের কাছে পৌঁছেছে বলে নেওয়া ভালো৷ ভারত সরকার, আধিকারিক বা সরকারি ভাবে এ বিষয়ে কিছু জানায়নি। এর কারণ বুঝতে অসুবিধে হয় না।ভারতের সরকার শেখ হাসিনার জন্য সবকিছুই করছে। কিন্তু দৃশ্য তো 1:00 দূরত্ব মেনেই চলছে।এটাকে কূটনৈতিক শিষ্টাচার বলে মেনে নেওয়া ভালো৷ কারণ বাংলাদেশের বর্তমান সরকারকে ভারত সরকার যেমন মান্যতা দিয়েছে, প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহম্মদ ইউনুসকে তাঁর শপথগ্রহণের দিনেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী শুভেচ্ছাও জানিয়েছিলেন।সুতরাং সরকারিভাবে সেই জন্য সরকারের বিরোধী অবস্থানে ভারতের যাওয়াটা দৃষ্টিকটু এবং শিষ্টাচারবিরোধী। সে জন্যই ভারত যা করেছে সেটা নীরবে করছে। সুতরাং সুরক্ষা প্রদানের পাশাপাশি যত রকমের ক্ল্যারিকাল এবং অফিসিয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রয়োজন, শেখ হাসিনার দরকার রয়েছে সবগুলোই সব কিছু দেওয়া সত্ত্বেও।ভারত সরকার কিন্তু প্রকাশ্যে কিছু বলছে না। অতএব শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিক যে রাজনৈতিক পর্যটন হিসেবে যেসব খবর আপনাদের দেবো এখন সেসব খবর। ভারত সরকারের কোনও আধিকারিক সূত্র থেকে পাইনি। আমি সেটা পাওয়া এই মুহূর্তে সম্ভব নয়।তবে যে সূত্র থেকে পেয়েছি সেটা যে গুরুত্বহীন তা কিন্তু নয় এবং অবশ্যই বিশ্বাসযোগ্যতাও আছে তাঁর।আপনারা হয়তো জানেন।যে শেখ হাসিনার বোন।শেখ রেহানার কন্যা টিউলিপ সিদ্দিক।তিনি ইংল্যান্ডের বর্তমান শাসক দল লেবার পার্টির একজন এমপি এবং এম পি। শুধু নন, তিনি ব্রিটিশ সরকারের একজন প্রভাবশালী মন্ত্রীও।সেই টিউলিপ সিদ্দিক তাঁর ফেসবুক ওয়ালে এই খবরটি দিয়েছেন। সেখানে স্পষ্ট করে তিনি বলেছেন।ভারত সরকারের সূত্র উদ্ধৃত করেই তিনি এই সংবাদ দিচ্ছেন।কী সংবাদ দিয়েছেন তিনি এ 12 আসি। সেই প্রসঙ্গটিতে একদম তাঁর পোস্টটিকে সেই পোস্ট থেকে কোনও কিছু বাদ না দিয়ে পুরোপুরি একদম কমা পূর্ণচ্ছেদ প্রায় মিলিয়ে আমি উদ্ধৃত করছি।আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর কাছে শুকরিয়া।ভারতের বিদেশ মন্ত্রক এবং জাতীয় নিরাপত্তা দপ্তরের সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ব্র্যাকেটে ভারত আশ্রিত।শেখ হাসিনা এবার জনসমক্ষে আসবেন। তিনি এখনও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।ভারতের সর্ব দলীয় সিদ্ধান্ত অনুসারে ভারত সরকার শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই মান্যতা দিচ্ছে এবং বিশেষ কুটনৈতিক ট্রাভেল পাস দিয়েছে।শেখ হাসিনা ভারতের রাজনৈতিক আশ্রিত হিসেবে এখন আছেন। তিনি যেকোনও দেশের ভিসা নিয়ে ভ্রমণ করতে পারবেন। কোনও দেশই তাঁকে।কোন মামলায় বাবা অভিযোগে গ্রেফতার বা আটক করতে পারবেন না৷ যেটা বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে তিনি গেলে করা যেত এবং এটা আপনাদেরকে বলছি দুদিন আগে।আমার গতকালকেই আমি পোস্টে বলেছে এটা।কাউকে আবার ফিরে আসছে আবার৷ আর টিউলিপ সিদ্দিকের সেই পোস্টে তিনি বলছেন, কোনও দেশে তাঁকে কোনও মামলায় বাবা অভিযোগে গ্রেফতার বা আটক করতে পারবে না এবং তাঁর নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে পারবে না।শেখ হাসিনার কাছে তাঁর পদ পদবী কর্মকাণ্ড বিষয়ে প্রয়োজনীয় যাবতীয় নথিপত্র রয়েছে। তিনি তাঁর দাবি, প্রাথমিকভাবে প্রমাণ করতে পারবেন বলেই জানা গেছে। কী দাবি, এটা একটু বলেনি, দাবিটা আর কিছুই না যে, তিনি যে বাংলাদেশের এখনও বৈধ প্রধানমন্ত্রী তাঁকে জবরদস্তি জোর করে সরানো হয়েছে তার পর থেকে।সেটাই তিনি। সেটা তিনি প্রমাণ করতে পারবেন। পরে আসি আবার পোস্টের মধ্যে টিউলিপ সিদ্দিকের পোস্টে তো এই দশের মধ্যেই মানে 23 শে অক্টোবরের মধ্যেই ভারত সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠক করবেন। কথাটা খেয়াল করুন।ভারতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারত সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।আবার ফিরে ভারতের তরফে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী, বিদেশমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং নিরাপত্তা উপদেষ্টা।জানি না এই খবরটা কোন সূত্র থেকে পেয়েছেন এটা সত্যতা সম্পর্কে আমার নিজেরও সন্দেহ আছে। যাই হোক আবার আসি। এরপর শেখ হাসিনা বিদেশ সফর করবেন। তাঁর এই সফরে ভারত সরকার প্রধানমন্ত্রীর স্তরের যাবতীয় বন্দোবস্ত এবং সর্বোচ্চ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা করেছে। ভারতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনুসারেই তিনি চলবেন।টিউলিপ সিদ্দিক লিখছেন কিন্তু।এই সফরে শেখ হাসিনা যাবেন 24 অক্টোবর সুইজারল্যান্ডে 26 অক্টোবর ফিনল্যান্ডে, 28 অক্টোবর সংযুক্ত আরব আমিরাতে 30, শে অক্টোবর তুরস্কের এবং তারপর তিনি ভারতে ফিরবেন।এই সব দেশে তিনি আলি মানে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেবেন এবং কূটনৈতিকস্তরের যোগাযোগ করে নিজের অবস্থান বোঝাবেন। ওই সব দেশের সরকারগুলোকে। এছাড়াও আন্তর্জাতিক আদালতে মামলার বিষয়ে নথিপত্র দেবেন এবং পরামর্শ করবেন।সম্ভবত এর পরে তিনি রাশিয়া চিন সহ আসিয়ান জোটের দেশগুলো এবং ইউরোপ, ইউরোপিয়ান, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন পার্লামেন্টে যোগাযোগ করবেন। রাষ্ট্রসংঘের সঙ্গে এর কাছে তাদের নিজেদের।অবস্থানও তিনি জানাবেন।অতএব।ইউনুস যাত্রা পার্টির দিন শেষ হতে চলেছে। তাঁদের গ্রেফতার হতেই হবে। ইতিমধ্যে তারা সেনাবাহিনীর নজরবন্দি। ঢাকা এখন সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে।শেখ হাসিনা বৈধপথে জানান দিয়ে বাংলাদেশে ফিরবেন এবং সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবেন। তারিখ দেওয়া তেরই অক্টোবর 2024।নীচে একদম নীচে লেখা। সূত্র, ভারতের পররাষ্ট্র দফতর ওয়েব।স্টেপ ডাউন ইউনূস এই পোস্ট থেকে যে বিষয়গুলি আমরা জানলাম।সেগুলো এ 1211 করে।একটু করে আলোচনা করব।প্রথমত।খবরের উৎস হিসেবে স্বাভাবিকভাবেই বলা হয়েছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক৷ এই দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী হলেন এস জয়শঙ্কর এবং খুব দায়িত্ব নিয়ে বলা যায় এই সফরের পুরো পরিকল্পনা শেখ হাসিনা যে তৈরি করেছেন এটা ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে।এবং এই যাত্রার নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব নিয়েছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল।কোন সাধারণ যাত্রীবাহী বিমানে তিনি যাবেন না। চাটার্ড বিমানে সমস্ত রকমের সুরক্ষা নিশ্চিত করে অজিত দোভাল এই শেখ হাসিনাকে বিদেশ সফরে পাঠাবেন বাংলাদেশে বৈধ প্রধানমন্ত্রী। তিনি এইভাবে পাঠাবেন, সঙ্গে পাঠাবেন বিশেষ ভাবে নির্বাচিত ভারতীয় কম্যান্ডোদের।মনে রাখবেন নয় ই অগাস্ট ভারতের মাটিতে শেখ হাসিনা এলে ইন্ডিয়ান এয়ারপোর্টে তাঁকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। এই অজিত ডোভালই।এরপর আলোচনা করতে হয়৷ যে দেশগুলোতে তিনি যাচ্ছেন সেই দেশগুলি।নির্বাচন তিনি কী ভাবে করলেন?
কেন করলেন এই বিষয়টি নিয়ে?
প্রথম যাচ্ছেন তিনি সুইজারল্যান্ডে এই দেশে কেন?
তার কারণ বিশ্ব কূটনীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সুইজারল্যান্ড গুরুত্বপূর্ণ দেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যার মধ্যে রয়েছে নিরপেক্ষতা।এবং মানুষকে সুরক্ষা সিকিউরিটি দেওয়ার জন্য যে শক্তি সেই শক্তির ভূমিকা। এ ছাড়া আরও অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থা রয়েছে এই সুইজারল্যান্ডে।নিরপেক্ষতা কী রকম সুইজারল্যান্ডের নিরপেক্ষতার অর্থ হল এটি সশস্ত্র সংঘাতে অংশ নেন। আনিতে পারে না। তবে বিবদমান পক্ষের মধ্যে খেয়াল করবেন। কথাটা বিবদমান দুই পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করতে পারে।সুইজারল্যান্ড দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কিউবান বিপ্লবের পরে এবং কিপ্পুর যুদ্ধের সময়।এবং আরো অনেক সময় অনেক দেশের জন্যে 1:00 সিকিউরিটি 1:00 সুরক্ষা শক্তি হিসাবে কাজ করেছে।আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো যেমন ডব্লিউটিও ডাব্লুএইচও।ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন।ফিফা ইত্যাদি এবং ইউনাইটেড নেশনসের অনেক বড় বড় দপ্তর৷ সেগুলো রয়েছে কিন্তু সুইজারল্যান্ডে।রেড ক্রসের জন্ম এই সুইজারল্যান্ডে।জেনেভায় কথা আছে। আপনারা জানেন সুইজারল্যান্ড টেকসই উন্নয়ন মানে সাস্টেনেবল ডেভেলপমেন্ট তাঁর সহায়তার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং মানবিক বিপর্যয়ের সময় জরুরি ত্রাণ সারা পৃথিবীব্যাপী সুইজারল্যান্ড প্রদান করেন। সুইজারল্যান্ড বিশ্বের সমস্ত দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রেখে চলেন সুইজারল্যান্ড তার পররাষ্ট্রনীতিতে।1:00 প্রো অ্যাক্টিভ 1:00 দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করে প্রতিবেশী দেশ এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সাথে তার সম্পর্ক জোরদার করার জন্য কাজ করে।সুইজারল্যান্ড।বুঝলেন এ জন্যেই শেখ হাসিনা প্রথমে যাচ্ছেন সুইজারল্যান্ড।দ্বিতীয় দেশ তাঁর কাছে আছে ফিল নাইট পাঁচই অগাস্ট দেশ ছেড়ে চলে আসার সময়।যে তিন চারটি দেশে আশ্রয় নেওয়ার কথা তিনি ভেবেছিলেন তাঁর অন্যতম। কিন্তু এই ফেললেন।ফিনল্যান্ড আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং বিশ্ব কূটনীতিতে৷ গুরুত্বপূর্ণ কাজ মানে 1:00 জায়গা নিয়ে আছে।পেন লাইট, জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা মানে যেটাকে বলা হয় ন্যাটো।তার অন্যতম সদস্য।ফিনল্যান্ডের বৈদেশিক নীতি হচ্ছে সমস্ত বহুপাক্ষিক যে আলোচনা সংস্থা সেখানে অংশগ্রহণ করা এবং লিঙ্গ সমতার অর্থাত্ জেন্ডার ইকোয়ালিটির উপরে সব থেকে বেশি জোর দেয়। এই ফিনল্যান্ড, ফিনিশ কূটনৈতিক মিশনগুলো অনেক উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এবং ফিনল্যান্ডের যারা মানে সেখানকার নীতি নির্ধারণ করে যে সমস্ত যারা।যে মন্ত্রিত্ব বলুন, যে সব সংস্থা বলুন, তাঁদের কাছে এই ফিটনেস ফিনল্যান্ডের যে কূটনৈতিক মিশন, তারা কিন্তু এসব সংবাদ নিয়ে সেখানে দেয় যাতে ফিনিশ সরকার।সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারে। বৈদেশিক নীতি ঠিক করতে পারে ফিনিশ বৈদেশিক নীতি আন্তর্জাতিকতা।তার পর শান্তি ডিজার মোমেন্ট মানে নিরস্ত্রীকরণ।তার পরে সবার মধ্যে সহযোগিতা মানবাধিকার।এই সমস্ত মুল্যবোধের সঙ্গে হয়ে খুব কাজ করে।পূর্ব পশ্চিম, পূর্বের এবং পশ্চিমের দেশগুলোর সাথে যোগাযোগ রক্ষাকারী দেশ হিসাবে ফিনল্যান্ড, কিন্তু সেই ভূমিকা তা যথেষ্ট আছে।অর্থাৎ পূর্বের দেশ কিন্তু আমাদের বাংলাদেশও পূর্বের দেশ ভারত ও পূর্বের দেশ পশ্চিমের দেশ হচ্ছে ইউরোপিয়ান কান্ট্রির। তাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষার দায় দায়িত্ব ও ফিনল্যান্ড পালন করে। শেখ হাসিনার সফর সূচিতে তৃতীয় দেশ হিসেবে আছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী বা ইউনাইটেড আরব এমিরেটস। এই দেশটির সঙ্গে ভারতের সুসম্পর্কের কথা।সারা পৃথিবী জানে।মুসলিম বিশ্বে এই দেশটির অপরিসীম প্রভাবের কথাও নতুন করে বলার কিছু নেই। বিরাট সংখ্যক বাংলাদেশি কাজ করে এইদেশে ইউনাইটেড আরব এমিরেটসে। সেই হিসেবে শেখ হাসিনার সফর সূচিতে এই দেশটির গুরুত্ব অপরিসীম।একই কথা বলা যায়। মুসলিম বিশ্বে শুধু নয়, সারা দুনিয়াতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান বিখ্যাত হয়ে আছেন। তার রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ভূমিকার জন্য। তুরস্ক একদিকে যেমন ন্যাটোর সদস্য, অন্যদিকে আবার চিন এবং রাশিয়ার সঙ্গেও কিন্তু তাঁর সুসম্পর্ক আছে।সুতরাং নির্দ্বিধায় বলা যায়, ভাবনাচিন্তা করেই শেখ হাসিনা তার এই সফর সূচি তৈরি করেছেন।এখন দেখা যাক ফলাফল কী হয় খারাপ যে কিছু হবে না হতে পারে না সেটা বলেই দেওয়া যায়।তবে সব সময় মনে রাখতে হবে দেখা যাক কী আছে বিধাতার মনে।আজকের আলোচনার সমাপ্তি এখানেই টানছি। তবে শেষ করার আগে একটি কথা গত চৌঠা সেপ্টেম্বর আপনারা জানেন তখন থেকে চৌঠা সেপ্টেম্বর থেকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি নামের একটি সমীক্ষা আমরা শুরু করেছি। এ পর্যন্ত প্রায় 30,000 মানুষ তাতে সাড়া দিয়েছেন। নভেম্বর মাস পর্যন্ত চলবে সমীক্ষা। পয়লা জানুয়ারি 2025 এ সমীক্ষার ফল ঘোষিত হবে। আপনি যদি এখনও আপনার তালিকা না পাঠিয়ে থাকেন তবে এখনই পাঠিয়ে দিন।সহজ নিয়ম আপনার পছন্দের ক্রম অনুসারে।পাঁচজন শ্রেষ্ঠ বাঙালির নাম লিখবেন এবং আমাদের কমেন্ট সেকশন এবং পাঠিয়ে দেবেন। মনে রাখবেন পাঁচটি আমি কিন্তু পাঠাতে হবে একটি দুটি, তিনটি কিংবা চারটি হয়। এছাড়া আমাদের ই মেল আই ডি, কলকাতা, ডায়ালগস মনোজ আর তাদের জিমেল.
কম এ ঠিকানা তো আপনারা পাঠাতে পারেন। আপনাদের পছন্দের তালিকা আর 1:00 ছোট্ট অনুরোধ এই প্রতিবেদন ভালো লাগলে সাবস্ক্রাইব করে আমাদের আমার পাশে ক্যালকাটা ডায়ালগস এর পাশে দাঁড়ান।আমার চ্যানেল কে লাইক দিন মতামত জানান এবং পরিচয়েই পরিচিত জনদের মধ্যে। শেয়ার করুন আমার এই চ্যানেলের লিঙ্ক।কলকাতা ডায়ালগস আসল খবর খবরের ভিতরের খবর সত্য খবর দেওয়ার জন্যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এই চ্যানেলের পাশে আপনারা দাঁড়ান এই বলে শেষ করছি। আজকের আমাদের প্রতিবেদন ভাল থাকবেন। ধন্যবাদ।
