৪টি পরমাণু অস্ত্র তৈরির ঘোষণা দিবেন আয়াতুল্লাহ খামেনি!
৪টি পরমাণু অস্ত্র তৈরির ঘোষণা দিবেন আয়াতুল্লাহ খামেনি!
আবারও সত্য প্রমাণ করতে যাচ্ছে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশটির পরমাণু অস্ত্র তৈরির কার্যক্রমে বারবার বাধা তৈরি করছে ইসরায়েল ও তার পশ্চিমা মিত্র যুক্তরাষ্ট্র হত্যা করা হয়েছে প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীদের
আবারও সত্য প্রমাণ করতে যাচ্ছে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশটির পরমাণু অস্ত্র তৈরির কার্যক্রমে বারবার বাধা তৈরি করছে ইসরায়েল ও তার পশ্চিমা মিত্র যুক্তরাষ্ট্র হত্যা করা হয়েছে প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীদের চালানো হয়েছে স্টার্চ নেট ও ফ্লেম ম্যালওয়্যার ভাইরাস দিয়ে সাইবার হামলা তবুও দমিয়ে রাখা যায়নি। অকুতোভয় ইরানিদের।ন সম্প্রতি সেমনান অঞ্চলে চার দশমিক ছয় মাত্রার ভূমিকম্পের পর আবারও আলোচনায় দেশটির পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা। যদিও নিউক্লিয়ার টেস্টের বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছে খামেনি প্রশাসন।
এ 12 ভূমিকম্পকে প্রাকৃতিক কারণ বলছেন দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারা। তবে বিশ্ববাসীর ধারণার চেয়েও আগে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করে ফেলবে ইরান। এমনটাই দাবি বিশ্লেষকদের। কেন? ইরানের প্রথম নিউক্লিয়ার অস্ত্র হতে যাচ্ছে মিসাইলে উৎক্ষেপণযোগ্য কারণেই ডিজাইন নিয়ে 20 বছর ধরে কাজ করে আসছে দেশটি। দুই বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস বলছে, আগামী আট মাসের মধ্যে চারটি পরমাণু অস্ত্র তৈরি করে ফেলতে যাচ্ছে তেহরান। কী ভাবে এত জলদি অস্ত্র তৈরি সম্ভব৷ তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তারা কোনও দেশ চাপে থাকলে লক্ষ্যপূরণে 1000 গুণ বেশি গতিতে কাজ করে জনগণ বর্তমানে ইসরায়েল এর পাল্টা হামলার হুমকির মধ্যে রয়েছে ইরান৷ শুধু পরমাণু অস্ত্রই পারে যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে তেহরানকে।
চালকের আসনে বসাতে এই স্পৃহা কাজ করছে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সকল ইরানিদের মনে ইতিহাস ঘেঁটে দেখলে ও মিলবে এমন নিদর্শন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে 1940 সালে নিজেদের সর্বপ্রথম পরমাণু অস্ত্র তৈরির পরীক্ষা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। সে সময় যুদ্ধ নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন ছিল। ওয়াশিংটন। আশা ছিল, পরমাণু অস্ত্র তৈরি হলে খতম করা যাবে না। চাষিদের ফলে বন্ধ হবে যুদ্ধ চাপের মুখে ম্যানহাটন প্রজেক্টে ব্যয় ছাড়িয়ে যায়।বর্তমান সময়ের অঙ্কে 3000 কোটি টাকা। অথচ 1945 সালে সফল হবার আগ পর্যন্ত কেউই জানত না কীভাবে তৈরি করা সম্ভব এই অস্ত্র নয়। অনেক বিজ্ঞানীর দাবি, ইউরেনিয়াম হয় ফ্লয়েডকে কাঙ্ক্ষিত মেটালিক শেপে রূপান্তরে প্রয়োজন কমপক্ষে ছয়মাস। যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম পরমাণু অস্ত্র তৈরি উদাহরণ টেনে এই যুক্তি তুলে ধরা হয়। হিরোশিমায় ওয়াশিংটনের ফেলা গানটায় বোমায় উপস্থিত ছিল 60 কেজি ইউরেনিয়াম ইরানের উন্নত অস্ত্রে প্রয়োজনের সিকিভাগ।
ফলে ওয়াশিংটনের তুলনায় আরও কম সময়ে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করে ফেলতে পারবে তেহরান করে। এছাড়াও একটি ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে প্রয়োজনের চেয়েও বেশি। ইউরেনিয়াম ছাড়া পরমাণু অস্ত্র তৈরি সম্ভব নয়৷ কারণ অস্ত্র তৈরির সময় 50% পর্যন্তনষ্ট হয়। মহা মূল্যবান ধাতুটি দুর্বল অর্থনীতির ইরানের ক্ষেত্রে এত ইউরেনিয়ামের মজুদ সম্ভব নয়। তবে ইতিহাস বলছে, যুক্তরাষ্ট্র নিউক্লিয়ার বোমা তৈরির সময় নষ্ট হয়েছিল ছয় শতাংশ ইউরেনিয়াম।1990 সালে দক্ষিণ আফ্রিকা পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের সময় জানা যায়, এই হার ছিল মাত্র 1.2%।2015 সালে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি কমিশন জানায়, স্বল্প ওজনের অস্ত্রের নকশার উপর ভিত্তি করে কাজ করছে ইরাক৷ যা সরবরাহ করেন রাশিয়ার এক বিজ্ঞানী এই ডিজাইনে আধুনিকতা যোগ করতে কাজ চলছে 20 বছর ধরে। তাই ইতিহাস বলে দিচ্ছে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইলের মাধ্যমে হামলা যোগ্য পরমাণু অস্ত্র তৈরি করা সময়ের অপেক্ষা মাত্র 16
