"কেন ভারত শেখ হাসিনাকে একটি বিশেষ ভ্রমণ নথি ইস্যু করেছে | ট্রাম্পের সাথে তার বৈঠক কখন?"
আজকের বিষয় শেখ হাসিনাকে স্পেশাল ট্র্যাভেল ডকুমেন্ট।কেন দিল ভারত?
এবং এর জন্য কি হতে চলেছে আগামীতে?
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার গত।বাইশে আগস্ট বাতিল করে দিয়েছিল শেখ হাসিনার ডিপ্লোম্যাটিক বা কূটনৈতিক পাসপোর্ট।দ্বৈত পাসপোর্ট কারও কারও থাকে সব দেশেই। তবে তাদের মধ্যে বাংলাদেশেও বেশ কিছু মানুষ আছে।যাদের দু দেশের পাসপোর্ট থাকে আছে তবে শেখ হাসিনার ওই একটি পাসপোর্ট।সেটি বাতিল হয়ে যাওয়ার পর তিনি কীভাবে এদেশে থাকবেন সেই প্রশ্ন উঠেছিল। কিছুদিন আগে। ভারতে নয়, বাংলাদেশেও উঠেছিল।বলা হচ্ছিল পঁয়তাল্লিশ দিনের সর্বোচ্চ মেয়াদ চলে যাওয়ার পর।ভারত তাঁকে।আর এ দেশে রাখতে পারবে না।কেউ আবার ধোঁয়া তুলেছিলেন ভারত নাকি ম্যাডাম হাসিনাকে চুপিচুপি বিমানে তুলে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী বা ইউএই তে পাঠিয়ে দিয়েছে।নিজেদের ঘাড়ে এই বিপদ রাখতে চায় না বলে এটাও অনেকে বলেছেন, তাঁর কলকাতা ডায়ালগস এর দর্শকদের। বিশেষ করে বাংলাদেশের দর্শকদের এই নিয়ে প্রবল জিজ্ঞাসা ছিল আমার কাছে।সত্য অবস্থাটা জানান দাদা। কদিন আগে আশ্বস্ত করেছিলাম, 1:00 স্পেশ্যাল এপিসোড এই বিষয়ে করে বলেছিলাম, শেখ হাসিনা সুস্থ দেহে ভারতে আছেন। ভারতের অতিথি হয়ে আছেন কোথাও যাননি সেই এপিসোডে এ কথাও বলেছিলাম। শেখ হাসিনা সুস্থ দেহে ভারতের আছেন তো বটেই।তাঁর কাছে কোনও বাইক বৈধ পাসপোর্ট নেই। সেজন্যে বিমানবন্দর থেকেই ই হোক বা অন্য কোনও দেশে যাওয়ার আইনি উপায় তাঁর কাছে নেই।আমার সেই কথা যে কত সত্যি।তা অক্ষরে অক্ষরে প্রমাণ হয়ে গেছে। প্রমাণ হয়েছে আজ যে তিনি ভারতেই আছেন এবং পাসপোর্ট নেই বলে কোথাও যেতে পারছেন না কি নীচে যেতে চাইছেন না সেটা অন্য প্রশ্ন।কিন্তু তিনি আছেন ভারতে।অথচ তিনি একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এই কিছুদিন আগে এবং পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তাঁর এবং তাঁর দলের সমর্থকরা আছেন৷ তাঁদের সঙ্গে রাজনৈতিক যোগাযোগ করতে হলে পারিবারিক প্রয়োজন হলে চিকিৎসা সংক্রান্ত এমার্জেন্সি হলে ইত্যাদি নানান কারণে তাঁর বিদেশ যাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। পারে কী পারে না পারে তো তো সে রকম সময়ে।তিনি তাহলে কী করবেন যদি তার নিজের কোনও এই সমস্ত কাজের জন্য তাঁর বিদেশ যাওয়ার প্রয়োজন হয়?
এই প্রয়োজন ভারত সরকারও বুঝতে পেরেছে।আর তা পেরেছে বলে দুদিন আগে শেখ হাসিনার জন্যে বিশেষ ট্র্যাভেল ডকুমেন্ট।ইস্যু করেছে।এটা এক ধরনের পাসপোর্ট ই বলা যায়। দেখতেও পাসপোর্টের মতো।সাধারণ পাসপোর্ট গ্রে রঙের।আর কূটনৈতিক পাসপোর্ট লাল রঙের।আর এই পাসপোর্টগুলো সাধারণত সবুজ রঙের।রং আলাদা।তবে এদের কাজ কিন্তু একই।এর বলে তিনি যে কোনও দেশে।যে কোনও দেশে যেতে ভিসার আবেদন করতে পারবেন। সাধারণ পাসপোর্টধারীদের মতোই।যাদের পাসপোর্ট নেই অথচ ভারতে রয়েছেন অথচ তারা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী নন মানে তাদের অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বলে ভারত বিবেচনা করে না।তাঁরা আছেন বৈধ বাসিন্দার মতো অতিথি হয়ে বা বৈধ বাসিন্দা হয়ে।তারা ভারতের বাইরে অন্য কোথাও যেতে চাইলে এ দেশের সরকার তাঁদের ক্ষেত্রে এই পাসপোর্ট ইস্যু করে থাকে।তিব্বত থেকে মনে করুন তিব্বত থেকে চিনা আগ্রাসনের শিকার হয়ে।সেই অত বছর আগে ষাটের দশকের একদম গোড়ায় পঞ্চাশের দশকের শেষে।সেই সময় যারা তিব্বত থেকে চিনা আগ্রাসনের শিকার হয়ে।চলে এসেছিলেন ভারতে তাদের অনেককেই।এমনকী তাদের যারা সন্তান সন্ততি।তাঁরা দীর্ঘ 606570 বছর ধরে ভারতে রয়েছেন।এ দেশে আছেন তাঁরা। আবার এদেশে থেকে তারা মাঝেমাঝে ভারতের বাইরেও চলে যান।কীসের জোরে যান তাঁরা যান এই স্পেশাল যে ডকুমেন্ট এই ডকুমেন্টের জন্য।শেখ হাসিনা ছাড়া আর যে সুবিখ্যাত মানুষটির নাম এই মুহূর্তে বললে আপনারা তার নাম জেনে যাবেন। তাঁর নাম বুঝতে পারবেন যে যে আর্জি বিশ্ববিখ্যাত মানুষটি এই ট্র্যাভেল ডকুমেন্টের ভারত সরকারের ইস্যু করা ট্র্যাভেল ডকুমেন্টের জোরে সারা পৃথিবী ঘুরে বেড়ান। তিনি হলেন তিব্বতের প্রধান ধর্মগুরু পূজনীয় দলাই লামা।এই বিষয়ে আরও 1:00 খবর দিই তিব্বত থেকে ভারতে পালিয়ে আসা এবং দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ভারতে বসবাসকারী তিব্বতীরা এ দেশে বসে একটি তিব্বতি সরকারও গঠন করেছেন।সেই শিব হিমাচল প্রদেশের ধর্মশালায়।এই সরকারের হেড কোয়ার্টার।অনেকটা সেই একাত্তরের স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার গঠনের মতো মনে হচ্ছে না।ভারত সরকার শেখ হাসিনাকে এই ট্র্যাভেল ডকুমেন্ট দিয়েছে এই খবর সত্য কিনা।এই বিষয়ে বলতে হয়, ভারত সরকারের আধিকারিক স্তর থেকে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও পুষ্টি যেমন করা হয়নি, তেমনই এই খবরকে গুজব বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়নি।শুধু বলা হয়েছে, এ ব্যাপারে সরকার দু একদিনের মধ্যেই স্পষ্টীকরণ দেবেন এবং পুরো ব্যাপারটা জানিয়ে দেবেন। তবে আওয়ামী লীগ সব দলের যে যুক্তরাজ্য মানে ইংল্যান্ডে এক প্রভাবশালী নেতা।যিনি শেখ হাসিনার পরিবারের খুব ঘনিষ্ট। তিনি বলেছেন, নেত্রী ইতিমধ্যেই বিশেষ ট্র্যাভেল ডকুমেন্ট পেয়ে গেছেন।তিনি এটাও বলেছেন, ডকুমেন্ট পেলেও এই মুহূর্তে ভারত থেকে বিদেশ ভ্রমণের কোনও পরিকল্পনা নেত্রী।নেই।ভারতের শেখ হাসিনার কোনও অসুবিধা হচ্ছে কি না?
এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানিয়েছেন, অত্যন্ত কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে ভারতে রয়েছেন।শেখ হাসিনা ও তার বোন রিয়ান ভারত সরকারের আতিথেয়তার কোনও তুলনা হয় না, এটাও তিনি বলেছেন৷।সে না হয় হল ত্রুটি যে নেই এবং ত্রুটি হওয়ার প্রশ্ন যে নেই।সেটা ভারতের মানুষ জানে।এবং আশা করা যায় বাংলাদেশের মানুষ এতদিনে সেটা বুঝতে পেরেছে।কিন্তু এই প্রশ্নটা ওঠা খুবই স্বাভাবিক। বিদেশ যাওয়ার পরিকল্পনা বর্তমানে যদি না থাকে শেখ হাসিনা তবে এমন চুপিচুপি থাকে এই ডকুমেন্ট কেন দেওয়া হল?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আমাদের একটু পিছিয়ে যেতে হবে৷ দেখতে হবে কেন ক্ষমতায় বসেই?
ইউনুস সরকার বাতিল করে দিয়েছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর পাসপোর্ট। সেটা আগে দেখতে শেখ হাসিনার আগেই বলেছি, ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্ট বাংলাদেশের জন্য সরকার বাতিল করে দিয়েছেন বাইশে অগাস্ট।উদ্দেশ্য ছিল ভারতে তাঁর অবস্থান অবহিত করে দেওয়া।আরও বড় কারণ ছিল।যাতে বাংলাদেশ থেকে।অন্য কোনও দেশে।মানে যার সঙ্গে বন্দি সং প্রত্যর্পণ চুক্তি নেই বাংলাদেশের।সেসব দেশে যেন পালিয়ে যেতে না পারেন।কেন পালিয়ে যেতে গেলে কি অসুবিধা হবে না?
তাকে বিচারের সম্মুখীন করা হবে। বাংলাদেশে ইতোমধ্যে আপনারা জানেন শতাধিক কেস শতাধিক মামলা তার মধ্যে বেশিরভাগই খুনের মামলা। সে সব মামলা জারি করা হয়েছে। চালু করা হচ্ছে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তার জন্যে বিচারের জন্য তাঁকে নিয়ে আসা হয়ে যাবে বলে অনেক দিন ধরেই সমস্ত প্যাঁচ কষছেন বাংলাদেশের নেতারা৷ বর্তমান সরকারে যাঁরা আছেন তো এই সম্ভাবনার কথা ওঠে। 2:00 পরিস্থিতি তৈরি হলে।এক বাংলাদেশ আধিকারিকভাবে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলেও ভারতের কাছে আর ভারত রাজি হয়ে গেল তাঁকে ফিরিয়ে দিতে।তো সেই রকম হলে তখন কী হয় তখন হয় যাতে সে অন্য কোনো দেশে যাতে তিনি পালিয়ে না যেতে পারে তার জন্যে এটা করা হল।মানে বাতিল করে দেওয়া হল তাঁর পাসপোর্ট।আর 1:00 কাজ কী হতে পারে আর 1:00 হতে পারে বাংলাদেশে যেতে চাইছেন না শেখ আসে না তাই তিনি অন্য দেশে ওই যে বললাম পালিয়ে বাঁচতে চান তো এইটার জন্যেই এগুলো যাতে না করতে পারেন এবং ভারত থেকে পঁয়তাল্লিশ দিন পরে তাঁকে ফেরত দিতে বাধ্য থাকে। পঁয়তাল্লিশ দিন কেন?
কারণ যে পাসপোর্ট ছাড়া পঁয়তাল্লিশ দিন থাকতে পারেন সেই জন্যে পঁয়তাল্লিশ দিনের কথা সেখানে বলা হচ্ছে।সেই জন্যই নাকি।সরকার খুব তাড়াতাড়ি তাঁর পাসপোর্ট বাতিল করে দিয়েছিল। তড়িঘড়ি করে। এ ছাড়া এমন তড়িঘড়ি করা পাসপোর্ট বাতিল করার অন্য কোনও কারণ থাকতে পারে না। তবে কীভাবে মাননীয় ইউনূস সাহেবের সরকার এই মহান কর্মটি করেছেন সেটা তাঁরাই বলতে পারবেন।তবে যার উর্বর মস্তিষ্ক থেকে এই বুদ্ধি বেরিয়েছে, তার যে রাজনৈতিক বুদ্ধি এবং কুটনৈতিক গান দু টোর কোনওটাই যে তেমন পাকা নয়, সেটা নির্দ্বিধায় বলা যায়। কেন বলছেন এ কথা তার কারণ কোন পরিস্থিতিতে কীভাবে শেখ হাসিনা পাঁচই আগস্ট ভারতে চলে এসেছিলেন সেই ঘটনাক্রম যদি একটু খতিয়ে দেখতেন এই পরিকল্পনা জনকরা।তাহলে বুঝতে পারতেন ভারতের ভূমিকা কতখানি ছিল তার ভারতে এসে আশ্রয় নেওয়ার কিছু নেই।যদি এই বিষয়ে এখনও কিছু জানা না থাকে তাদের তবে আমার এই চ্যানেলে।চৌদ্দই, আগস্ট তারিখে।দেশের মানে ভারতের কিংবা বাংলাদেশের কোনও চ্যানেল সেই খবর দেওয়ার আগে 14 ই আগস্ট তারিখে এই সম্পর্কে আমরা 1:00 প্রতিবেদন আমি দিয়েছি সেই প্রতিবেদনটি।একবার দেখে নিন বুঝে যাবেন ভারতের ভূমিকা এত গোপনতা এত কাঠখড় পুড়িয়ে যাকে ভারতে নিয়ে এল ভারতের সরকার রাজনৈতিক আশ্রয় দিল যাঁকে সেটা কি বর্তমানে ওই বাংলাদেশের বর্তমান যে হাইলি কম্প্রোমাইজ জুডিশিয়ারি।যে রয়েছে 1:00 তাদের পলিটিকাল নির্দেশ দিয়ে তাঁকে আদালতে তুলতে চাইল।তারা আর ভারত সেই নির্দেশ মেনে শুট শুরু করে শেখ হাসিনাকে ঢাকায় পাঠিয়ে দিল।যাঁরা এটা ভেবেছেন, একমাত্র গোবর ভরা মাথায় ছাড়া এ কথা কেউ ভাবতে পারে না।সুতরাং শেখ হাসিনার পাসপোর্ট বাতিল করা বাংলাদেশের নয়া শাসকদের ইগো স্যাটিসফ্যাকশন ইগো তাদের যে।আত্মম্ভরিতা।সেই ইগো স্যাটিসফ্যাকশন ছাড়া এক কানাকড়িও বেশি মূল্য নেই। ওই পাসপোর্ট বাতিল করা এ 12। সেই কথাটি ফ্যাকশন টুকুও বাংলাদেশ য়ের কাছ থেকে কেড়ে নিলো ভারতের সরকার।যেন বুঝিয়ে দিল ও শেখ হাসিনার পাসপোর্ট কেড়ে কি করবে তোমরা ভারত তাঁকে এমন ডকুমেন্ট দেবে যার দাম বাংলাদেশের পাসপোর্ট এর চেয়ে ঢের বেশি পাসপোর্ট লাগে কেন পাসপোর্ট লাগে?
এক দেশের মানুষ যখন অন্য দেশে যেতে চান তখন পাসপোর্ট লাগে দেশ ছাড়ার জন্য দরকার হয় পাসপোর্টের। আর যে দেশে যাবেন সে দেশে যাওয়ার জন্য দরকারহয় সে দেশ থেকে ভিসা পাওয়ার।তো সেই যে সেই দেশের অনুমতি নেওয়া হয়। কিসের মাধ্যমে ভিসার মাধ্যমে। আর এখানেই বাংলাদেশের পাসপোর্টের চেয়ে অনেক অনেক বেশি দাম হচ্ছে ভারতের পাসপোর্টের বাজে বিশেষ ডকুমেন্টের কথা বলছি এই ডকুমেন্ট ও কী ভাবে বেশি দাম সেটা বুঝিয়ে বলছি।ভিসা সাধারণত দু রকমের হয়। 1:00 আগে থেকে পেতে হয়। আরেকটা আগে থেকে পাওয়ার দরকার নেই। সেগুলো অন অ্যারাইভাল ভিসা শুনতে পাচ্ছি। বাংলাদেশে নিজেদের সরকার প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর মানে প্রায় হাফ পূর্ব পাকিস্তান সরকার। সেটা মানে বসার পর পাকিস্তান সরকার মানে পশ্চিম পাকিস্তানের সরকার আগেকার পশ্চিম পাকিস্তান আর এখনকার পাকিস্তান সেই সরকার তারা করেছে কি?
বাংলাদেশের লোককে বলেছেন যে আপনারা?
ভারতে পাকিস্তানে আসতে গেলে আপনাদের কোনও ভিসা লাগবে না। আপনারা ভিসা ছাড়াই চলে আসুন এই বিষয়টাকে বলা হয় না৷ এই ভালোবাসা যে আমি আসার পরে আপনাকে আমরা ভিসা দেব মানে ছাড়পত্র দিয়ে দেবো আশা আর ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে এসব দেশগুলোতে যাওয়া যায় এই অন অ্যারাইভাল ভিসার জোরে এই সব দেশের সংখ্যা।বাংলাদেশের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ বেশি আছে। ভারতের পাসপোর্ট বা স্পেশাল এই সব ডকুমেন্ট যাঁরা রেখেছেন তাঁদের জন্যে অর্থাৎ ভিসা ছাড়াই প্রায় ভিসা ছাড়াই অন্য ভাষাতে এত বেশি ভারতে বলছে। সম্ভবত আসি তার কাছাকাছি দেশে ভারতে যাওয়া যায়। এখন অনেক ভাল বিশ্বাস জোরে এবং তাদের মধ্যে খুব বিখ্যাত কিছু দেশও আছে। বড়সড় দেশে বাংলাদেশের ভিস্তারার থেকে।এই সংখ্যা তাদের অর্ধেকের থেকেও কম।এই জন্যই বলছি ভারত সরকার যে বিশেষ পাসপোর্ট দিয়েছে শেখ হাসিনাকে তার জোরে তিনি অনেক বেশি দেশে যাওয়ার যেতে পারবেন সেই অধিকার তিনি পেলেন সেখানে কেউ যদি।বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে আটকে দিতে চাই।তুলে দিতে চায় বাংলাদেশের সরকারের হাতে নাসার সেটা করা যায় না। কারণ তিনি যে দেশে যাবেন না কেন তিনি যাবেন ভারতের হয়ে।তিনি ভারতের হয়ে সে দেশে যাবেন ভারতের ডকুমেন্ট নিয়ে।আরও 1:00 বিষয় আছে। সেটা হল ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্দি বিনিময় চুক্তি। 2013 সালে করা এই চুক্তির দিকে তাকিয়ে বাংলাদেশ সরকার যদি ভেবে থাকে যে এই চুক্তি বলে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে নিতে ভোট দিতে ভারত বাধ্য।তাহলে মহা ভুল ভাবছে তারা।বন্দিবিনিময় চুক্তিতে একটি বিষয় উল্লেখ আছে৷ সেটা হল রাজনৈতিক বিবেচনায় কোন মামলা হলে কাউকে প্রত্যর্পণ করা যাবে না।আর হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা সমস্ত মামলা যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এই বক্তব্য দিয়ে হাসিনাকে ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে ভারত।এবং সেটা ভারত জানাবে যদি সেই পরিস্থিতি কোনওদিন হয়।ভারতের বক্তব্য এই যে বক্তব্য যে রাজনৈতিক কারণ এটা আরও প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। আরও 1:00 বড় ঘটনায় বাংলাদেশের ঘটনা।সেখানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের ঘেরাও করে।তাদেরকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছে এই সরকারের যারা লোকজন নেতা উপদেষ্টা তাদের সাঙ্গোপাঙ্গরা।যেভাবে নিজেদের লোকদের বিচারক হিসেবে ঢালাও নিয়োগ করা হচ্ছে বাংলাদেশে তাতে বিচার ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা।বলে কিছুই আর অবশিষ্ট নেই সে দেশে।সবই বোঝা গেল।কিন্তু এই ব্যাপারটা পরিষ্কার হল না। এখন যদি বাইরের দেশে যাওয়ার কোনও পরিকল্পনা না থাকে, ম্যাডাম আসে না তাহলেই ট্র্যাভেল ডকুমেন্ট।এখনই দেওয়ার দরকার কেন হল?
এটা যাওয়ার সময় তো দেওয়া যেতে পারত।খুব ভাইটাল প্রশ্ন।আমি বিশ্বাস করি পাঁচই অগাস্ট এর আগের।আর এখনকার বাংলাদেশ নিয়ে।আমেরিকার দৃষ্টিভঙ্গিতে বড় 1:00 ফারাক এসেছে এই ফারাক আরও অনেক চওড়া হবে। রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।তিনি নির্বাচনে জিতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হলে।এবং যে সম্ভাবনা দিন কে দিন প্রবল থেকে প্রবলতর হচ্ছে।ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থী কমলা হ্যারিস ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছেন।এবং ট্রাম্প জিতলে ইউনূস সাহেবকে এত ইউনূস সাহেব অ্যান্ড কোম্পানি ইউনূস সাহেবের উপদেষ্টা তে তাদের আশা ভরসা। সব শেষ ট্রাম্প এবং মোদীর যা দোস্তি জেনে রাখুন বছর ঘুরবে না তার আগেই বাংলাদেশের।থাক।আমি বলব না।আপনারা কমেন্ট সেকশনে লিখে জানান কী হতে পারে।ট্রাম্প ক্ষমতায় এলে এবং আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বাংলাদেশে আপনাদের কী মনে হচ্ছে?
