জামায়াতের সঙ্গে ইসলামী দলগুলোর ঐক্য: ক্ষমতায় যাওয়ার যে ছক কষছে দলগুলো।
রাশিয়ান "স্পাই হোয়েল" মৃত্যু: হাভালদিমির কীভাবে মারা গেল সে সম্পর্কে পুলিশদের নতুন দাবি
নরওয়ের পুলিশ শুক্রবার জানিয়েছে, নরওয়েতে আগস্টে মৃত পাওয়া একটি বেলুগা তিমি "হভালদিমির", ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের কারণে মারা গেছে বলে জানা গেছে, নরওয়ের পুলিশ শুক্রবার জানিয়েছে। ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের সম্ভাব্য কারণ হল মুখে ক্ষত, আটকে থাকা লাঠির কারণ.......Read More
বাংলাদেশে আওয়ামি লিগের এই কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের মতোই দলটির অবস্থা এখন বিপর্যস্ত। এমনকী আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ হবে কি না সেই আলোচনাও হয়েছে রাজনীতিতে। তবে দলটি নিষিদ্ধ হোক। আর না হোক এটা স্পষ্ট যে, আওয়ামী লীগের পক্ষে খুব সহসাই রাজনীতির মাঠে শক্তভাবে ফিরে আসার সুযোগ কম বলেই মনে করা হয়।আওয়ামি লিগের যখন এই অবস্থা তখন রাজনীতির লাইমলাইটে বিএনপি আগামী নির্বাচনে জয়ী হওয়ার ব্যাপারেও আত্মবিশ্বাসী দলটি। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, বিএনপির বিপরীত শক্তি তখন কী হবে?
বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে একবার মাত্র ইসলামপন্থী দলগুলোর বৃহত্তর ঐক্যের নজির আছে। সেটাও প্রায় 46 বছর আগে। 1978 সালে সেসময় জামাত সহ চারটি দলের জোট ইসলামী ডেমোক্রেটিক লীগ বা আইপিএল সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে পেয়েছিল 20 টি আসন। পরে যে কোনও কারণেই হোক সেই ঐক্য আর থাকেনি জামায়াতের এবারকার ঐক্য প্রক্রিয়া এ কমই ঘটনা থেকে শুরু করে পীর পন্থী দলগুলোকেও দেখা যাচ্ছে। অতীতে যাঁদের অনেকেরই আছে জামাতের বিরুদ্ধে ধর্মীয় বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধিতার ইতিহাস।যদিও একের প্রশ্নে আকীদাগত বিরোধকে বড় করে দেখছেন না খেলাফত মজলিসের নেতা।
বাংলাদেশে ইসলামী দলগুলোর মধ্যে রাজনীতির মাঠে ভালো অবস্থানে আছে জামায়াতের। এর বাইরে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দলীয় কর্মসূচিতে লোক সমাগম ঘটিয়ে আলোচনায় স্থান পেয়েছে চরমোনাই পীরের।ইসলামি আন্দোলন দলটি অতীতে সরকার বিরোধী অবস্থানে থাকলেও বিএনপি কিংবা জামায়াতের সঙ্গে এক মঞ্চে আসার ব্যাপারে অনীহা দেখিয়ে এসেছে। তবে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ইসলামী দলগুলোর ঐক্য মঞ্চের যোগ দিতে প্রস্তুত বলে জানাচ্ছেন দলের এই শীর্ষ নেতা৷
আসল লক্ষ্য যে প্রক্রিয়া চলছে, এ ব্যাপারে আমরা আগ্রহী এবং আমরাই ব্যাপারটা আগের থেকেই।আহ্বান করেছে যে ইসলামী মোঃ না যাঁরা আসছেন।ইসলাম নিয়ে রাজনীতি করেন এবং ইসলামি হুকুম আক্রমণ করার জন্য চেষ্টা করেন।তাঁরা সব খুদ ভাবে যদি আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করি তা আশা করা যায়। মানুষ ইসলাম কি ভোট দিবে?
ইসলাম ক্ষমতা নেওয়ার জন্য চেষ্টা করবে। ইসলামী দলগুলো আশাবাদী ক্ষমতায় যাওয়ার মতো জনসমর্থন এবং ভোট পাওয়ার ব্যাপারে সেটা যদি প্রথমবারে না ও হয় তা হলে অন্তত বিরোধী দলে থেকে ক্ষমতার বিকল্প শক্তি হওয়ার সুযোগ আছে দলগুলোর। তবেই বিশেষজ্ঞ অবশ্য ভোটের মাঠে ইসলামী দলগুলো এখনই খুব 1:00 কিছু করতে পারবে, তেমনটা মনে করছেন না সর্বোচ্চ রেকর্ড লক্ষ করি, তাহলে পরে 11 পারসেন্ট দাবি করতে পারে জামাত ই ইসলামি।হয়তো ইতিমধ্যেই বেড়েছে, কিন্তু এরকম নয় যে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে। অন্যদলগুলো যদি আসে তাহলে তাহলে অন্য কোনও ক্রমেই না। বাংলাদেশের মানুষ ধার্মিক কিন্তু।ধর্মান্ধ নয় আবার আপনি ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলেন ও কোনোক্রমেই সহ্য করবে না। তার মানে হচ্ছে, বাংলাদেশের লোক মূলত অন্ত্র বিশ্বাস করে না। নাস্তিক তো বিশ্বাস করে না মানে লক্ষ লক্ষ মানুষ আছে। কিন্তু ভোট দেওয়ার সময় তারা ভোট কিন্তু ওই ধানের শীষে বা নৌকা দিত। 1:00 জনসভায় জবা।এক কথা চিন্তাভাবনা করে পরে হিসাব নিকাশ যোগ বিয়োগ, গুণ ভাগ ভোট দাও তো অন্য কথা। এই রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ভোটারদের যে প্রবণতার কথা বলছেন ইতিহাসেও সেটার প্রমাণ আছে৷ এর সঙ্গে আছে সম্ভাব্য জোটের নেতৃত্ব কে দেবে সেই প্রসঙ্গ তুলে ভোটারদের প্রবণতা যেমনই হোক, নতুন পরিস্থিতিতে এ 12 সেটা পাল্টে দেওয়ার সুযোগ এসেছে বলে মনে করছে ইসলামী দলগুলো। নেতৃত্ব নিয়েও কোনো সংকট দেখছেন তারা। আমরা মনে করি না যে লিডারশিপের কোশ্চেনটা আমাদের এখানে খুব বড় করে দেখা দেবে।কারণ যেহেতু আমরা চিন্তার অভিন্নতা নিয়ে সামনের দিকে অগ্রসর হব। কাজে একক কোন নেতার কোনও প্রয়োজন থাকবে বলে মনে হয় না। 92 পাঁচ মুসলমানদের দেশটির ইসলামি ক্ষমতায় যাবে এই যুক্তি কথা কিন্তু হচ্ছে না কেন?
আমরা চিহ্নিত করেছি কেন হচ্ছে না?
চিহ্নিত করার পরে জিনিস আমরা সমাধান করতে পারি। তাহলে দেশের মানুষ তা অবশ্যই স্থান ক্ষমতা নেই৷ মানুষ বিকল্প খুঁজছে সব সময় দেখেন বিগত 53 বছরে দেশ শাসন করেছে কিন্তু এখানে 19 টি তারপরে করাপশন ফ্রি যে অ্যাক্টিভিটি সেটা তাকে উপহার দিতে পারেন। এটা ব্যতিক্রমধর্মী ইলেকশন হবে সামনে এই অ্যাকশন ইসলামপন্থীরা অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে ভোট পাবেন সব দলগুলো আশাবাদী, কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে নির্বাচন কবে হবে সেটা স্পষ্ট নয়।আবার নির্বাচনী মাঠে আওয়ামী লীগ ফিরে আসার সুযোগ পেলে তখন ইসলামি ঐক্যের বদলে বিএনপির সঙ্গে বৃহত্তর ঐক্যের পথ খোলা রাখতে চায় দলগুলো। ফলে 1978 সালের মতো ইসলামী দলগুলোর একক কোনো প্লাটফর্ম আবার হবে কিনা সেটা চূড়ান্ত ভাবে বোঝা যাবে নির্বাচনের আগে।তাফসীর বাবু বিবিসি বাংলা, ঢাকা একজন ধনী হয়।
