TODAY OFFER

১১ সিদ্ধান্ত নিয়েও পিছু হটতে হয়েছে সরকারকে

 






১১ সিদ্ধান্ত নিয়েও পিছু হটতে হয়েছে সরকারকে

অন্তর্বর্তী সরকার ইতিমধ্যে দু মাস পার করেছে। তৃতীয় মাসে তাদের পদার্পণ।এই সময়ের মধ্যে তারা অনেকগুলো কাজ করছে। অনেকগুলো সিদ্ধান্ত নিয়েছে।কিন্তু বেশ কিছু সিদ্ধান্ত তাঁদের এমন হয়েছে নেওয়ার পরে পরিবর্তন করতে হয়েছে। গত দু মাসে এমন অন্তত 11 টি সিদ্ধান্ত হয়েছে সরকারের যা নেওয়ার পরে সেই


অন্তর্বর্তী সরকার ইতিমধ্যে দু মাস পার করেছে। তৃতীয় মাসে তাদের পদার্পণ।এই সময়ের মধ্যে তারা অনেকগুলো কাজ করছে। অনেকগুলো সিদ্ধান্ত নিয়েছে।কিন্তু বেশ কিছু সিদ্ধান্ত তাঁদের এমন হয়েছে নেওয়ার পরে পরিবর্তন করতে হয়েছে। গত দু মাসে এমন অন্তত 11 টি সিদ্ধান্ত হয়েছে সরকারের যা নেওয়ার পরে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হচ্ছে সরকারকে। ইতিমধ্যে আপনারা জানেন যে আজকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হাসনাত আবদুল্লাহ একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, তাদের দাবির প্রেক্ষিতে জাতীয় পার্টির সঙ্গে সংলাপ করার সিদ্ধান্ত সরকার নিয়েছিল। সেটি থেকে সরকার সরে এসেছে। অর্থাৎ জাতীয় পার্টিকে সংলাপের ডাকা হচ্ছে না, যদিও সরকারের পক্ষ থেকে৷ জাতীয় পার্টিকে ডাকা হচ্ছে বা হচ্ছে না, এ ধরনের কোনো বক্তব্য আসেনি, কিন্তু বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইতিমধ্যেই ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বিষয়টিজানিয়ে দিয়েছে, এর পাশাপাশি আরও বেশ কিছু বিষয় আছে যেটি সরকার সিদ্ধান্ত নিয়ে সেখান থেকে সরে আসছে। আপনারা জানেন যে ইলিশ রপ্তানি না করার ব্যাপারে সরকারের এক ধরনের সিদ্ধান্ত ছিল। সরকার একজন উপদেষ্টা বারবার বলছেন, ইলিশের রফতানি হবে না। কিন্তু শেষপর্যন্ত সেই অবস্থান থেকে সরকার সরে আসে এবং যথারীতি ভারতে প্রায় 3000 মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এছাড়া লিখিত ভাবে একটি সিদ্ধান্ত নেয়। আপনারা জানেন যে পাঠ্য পুস্তক সংশোধন ও পরিমার্জন নিয়ে একটি কমিটি গঠন করে সরকার।একটি প্রজ্ঞাপন আকারে গঠন করা হয়। সেখানে সামিনা লুৎফা, কামরুল ইসলাম মামুন বলেন, দুজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অত্যন্ত পরিচিত জন শিক্ষকও সেই কমিটিতে ছিলেন। এক পর্যায়ে তাদের নিয়ে সমালোচনার প্রেক্ষিতে সেই প্রজ্ঞাপন কিন্তু সরকার বাতিল করে। যদিও সেই সময় সেই যিনি আমাদের শিক্ষা উপদেষ্টা রয়েছেন, উদ্দিন মাহমুদ স্যার। তিনি কিন্তু বলেছিলেন যে, এই প্রজ্ঞাপনটি আসলে ভুল করে হয়ে গেছে। আলোচনা চলছিল। এর মধ্যে প্রজ্ঞাপন ভুল করে হয়েছে, ফলে পরে তারা এটি বাতিল করেছেন। এছাড়া মূলত সরকার যেসব সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছে তার মধ্যে।সবচেয়ে বেশি সিদ্ধান্ত নিয়ে সরে আসতে হয়েছে সেটি নিয়োগের ক্ষেত্রে অর্থাৎ কাউকে নিয়োগ দিয়ে আবার সেই নিয়োগ বাতিল করতে হয়েছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সে ক্ষেত্রে দেখা গেছে তাকে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। তিনি আসলে ওই পদে আর দায়িত্ব পালন করতে চান নাইবা আগ্রহ প্রকাশ করেননি বিধায় তাকে তখন সরকারকে ওই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে নতুন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। এমন সব সিদ্ধান্ত গুলো রয়েছে সেগুলো একটু আপনাদের সামনে তুলে ধরেছি। আপনারা জানেন যে ডি সি নিয়োগ নিয়ে সচিবালয়ে বেশ হাতাহাতি পর্যন্ত ঘটনা ঘটে। উপ সচিবদের সঙ্গে যুগ্মসচিব এবং এ নিয়ে নানা ধরনের দুর্নীতির কথা উঠে আসছে। কিন্তু।ডিসি নিয়োগ নিয়ে যে সিদ্ধান্ত সরকার নিয়েছে সেখান থেকে সরে এসে আটজন থেকে সরিয়ে আনতে হয়েছে। যাঁকে নিয়োগ দেওয়ার একদিনের মাথায় তাদেরকে সেই দায়িত্ব থেকে বাদ দিয়ে নতুন করে নিয়োগ দেওয়া হয়।এর পাশাপাশি যদি আরও কয়েকটা বিষয় আমরা দেখি তার মধ্যে আছে যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। মতিউর রহমান বলে একে মতিউর রহমান বলেন, এখন একজন সচিবকে কিন্তু দেওয়ার মাত্র একদিনের মাথায় তিন দিনের মাথায়। কিন্তু তাকে ভারপ্রাপ্ত বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওএসডি করে নেওয়া নিয়ে আসা হয়। এছাড়া খাদ্য মন্ত্রণালয় সচিব হিসেবে দু বছরের চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়। অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এনআইডি খানকে। কিন্তু এই নিয়োগের মাত্র নয় ঘণ্টা পরেই সেই নিয়োগ বাতিল করে।ও চুক্তি বাতিল করে দেওয়া হয়।আপনারা আরেকটা জিনিস ইতিমধ্যেই জানেন যে পোল্যান্ডে একজন রাষ্ট্রদূতকে নিয়োগ দেওয়া হয় যিনি তাঁর নাম মোহাম্মদ খোরশেদ আলম যিনি একজন কূটনীতিক কূটনীতিক। 



কিন্তু দেওয়ার দশদিন পর সেই নিয়মটিও কিন্তু সরকার বাতিল করতে বাতিল করে সরে আসছে। কোনও না কোনওভাবে তারা বাধ্য হয়৷ পাশাপাশি আপনারা শুরুতেই জানেন যে মাননীয় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড। মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশে ভাষণে বলেছিলেন যে।বড় সংস্কার কমিশন অর্থাৎ সংবিধান সংস্কার যে কমিশন৷ সেই কমিশনের প্রধান হিসেবে তারা সারাদিন মালিককে নিয়োগ দেন। কিন্তু সেখান থেকে প্রায় সপ্তাহখানেকের মধ্যেই সেই অবস্থা থেকে পরিবর্তন হয় এবং সেখানে কিন্তু নিয়েও তার পরিবর্তে সেখানে নিয়োগ দেওয়া হয়। আলিয়াঁস যিনি ইনিভার্সিটির একজন অধ্যাপক।এ তো গেল যাদেরকে নিয়োগ দিয়ে এবং কিছু সময় পরে নিয়োগ পরিবর্তন করা। এর বাইরে বেশ কিছু নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যারা নিয়োগ দেওয়ার পর সেই ব্যক্তিরা কিন্তু সেখানে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না বলে জানিয়ে দেওয়ার পর সরকারকে অনেকটা বাধ্য হতে হবে। নতুন করে নিয়োগের ক্ষেত্রে সে ক্ষেত্রে অর্থনীতিবিদ মাসরুর রিয়াজ কে আপনারা জানেন যে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন অর্থাৎ বি এস সি সি চেয়ারম্যান পদে নিযুক্ত করা হয়। কিন্তু এই নিয়োগে 4 দিন পরে। কিন্তু তিনি জানিয়ে দেন যে তিনি এই দায়িত্ব পালন করতে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং পরবর্তীতে অন্য একজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়।এছাড়া ঢাকা বারের যিনি পিপি আমরা বলি পাবলিক প্রসিকিউটার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এহসানুল হক সমাজী কে তা তিনি তা এটি 27 অগাস্ট তিনি নিয়োগ পান এবং তার মাত্র কয়েকদিনের মাথায়। কিন্তু তিনি জানিয়ে দেন যে তিনি এই দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। স্বাভাবিক ভাবেই তখন আর এক জনকে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং তাঁর নিয়োগ নিয়ে। কিন্তু মূলত বিএনপি পন্থী আইনজীবীরা এক ধরনের বিক্ষোভ করেন। আদালত চত্বরে এবং ধারণা করা হয় সেখান থেকে এই নিয়োগ থেকে সরে আসার 1:00 অন্যতম কারণ।এছাড়া ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাত জন স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দেয় বি এস সি। তাঁদের মধ্যে একজন ছিলেন হচ্ছে মালদ্বীপ ইসলামি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মাজেদুর রহমান। তিনি কিন্তু ওই দায়িত্ব নিতে রাজি হননি। পরে তার এই জায়গায় নতুন করে নিয়োগ দিতে হয়েছে। এ ছাড়া চলচ্চিত্র নির্মাতা আশফাক নিপুণ কথা। আপনারা সবাই জানেন ইতিমধ্যেই নানাভাবে পত্রপত্রিকায় এসেছে। সেখানে দেখা গেছে তাঁকে সেন্সর বোর্ডে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি কিন্তু সেই নিয়োগ গ্রহণ করেননি। তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন যে তিনি এই দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।মূলত এগুলো এই।সময়ের মধ্যে গত দু মাসের মধ্যে সরকারের এই আমি বলব যে, সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার ঘটনা এগুলোই মূলত প্রধান। এছাড়া এটি অবশ্য যারা বিশেষজ্ঞ আছেন। বিভিন্ন শিক্ষকরা বলছেন, বা যারা সরকার বলে সরকার রাজনীতি নিয়ে কাজ করেন, তাঁরা বলছেন যে আসলে সরকার হাতে সময়টা তাদের কম এবং যার কারণে যে সরকারকে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে কখনও কখনও হয়তো ভুল হচ্ছে কখনও বা যাদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, তাঁরা হয়তো এর সঙ্গে যুক্ত হতে চাচ্ছে না।যার কারণে এটা হচ্ছে। তবে তাঁরা মনে করেন যে সরকার দু মাস পার হয়ে গেছে। এখন সরকার বিষয়টিকে আরও সিরিয়াসলি নেবেন এবং তাঁরা যে সব পদে নিয়োগ দিবেন বা যেসব সিদ্ধান্ত নেবেন সেই সিদ্ধান্ত গুলো যেন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা যায় এবং 1212 চেঞ্জ না হয় সেদিকে তাঁরা মনে করেন যে সরকার পরিচালনার জন্য এবং সরকারের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ানোর জন্য খুব অপরিহার্য বলেই তাঁরা মত দিয়েছেন।



Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
Ok, Go it!
// For Firebase JS SDK v7.20.0 and later, measurementId is optional const firebaseConfig = { apiKey: "AIzaSyCcg2i2qTpw3rl2VtoWAInpWy5v-1tnUIo", authDomain: "bartagharbd-16d6f.firebaseapp.com", databaseURL: "https://bartagharbd-16d6f-default-rtdb.firebaseio.com", projectId: "bartagharbd-16d6f", storageBucket: "bartagharbd-16d6f.appspot.com", messagingSenderId: "171326215023", appId: "1:171326215023:web:fc18a6e1a0df41e3d64e9a", measurementId: "G-JHDPRX7ZMC" };